:::: MENU ::::
  • slider image 1

    Take my hand, take my whole life too.

  • slider image 2

    I never want to live without you

  • slider image 3

    I am who I am because of you.

প্রবন্ধ-নিবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রবন্ধ-নিবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৭ মে, ২০১৯

  • ১০:৪৮:০০ PM
বৈশাখী বাঙালিপনা
==============
পহেলা বৈশাখ এলে পান্তা খাওয়ার ধুম পরে যায়। এমন কি বাঙালি হওয়ার জন্য যে জীবনে ঠান্ডা ভাত খেতে পারে না বা খায় না সেও কাচা মরিচ আর পেয়াজ নিয়ে বসে পান্তা খেতে( যদিও আমি এটাকে বলি, বৈশাখী বাঙালি।কারন এরা শুধু বৈশাখ মাসে বাঙালি হয়)। তখন গ্রাম বাঙলার আঞ্চলিক গান,গরুর গাড়ি আর রং বেরঙের বাংলা শাড়ি পরে,লুঙ্গী পরে রাস্তায় বাঙালি চেতনা ফুটিয়ে তোলে(আসলে এইটা একটা ফ্যাশান আর কি! ফটো শুট আর ফেসবুকে আপলোড দিয়ে বাঙালিপনা দেখানোর জন্য)। এরপর বৈশাখ শেষ তো,
এ ছি!  গরুর গাড়িতে কেউ ঊঠে না কি!
পান্তা?  ওহ নো,  নেভার।
হঠাৎ করে রাস্তায় চলতে চলতে যদি কোন গ্রামের চাষা-ভূসার গায়ের  সাথে গা লেগে যায় তো,
ইউ ব্লাডি রাসকেল!
দেখে চলতে পারো না।
তারপর, ছি ছি করে যেখানে সেই গেয়ো ভূত টার স্পর্শ লেগেছে সেই জায়গা দশবার করে ঝারেন।যেন,ওই খানে কোন বিষ্ঠা লেগেছে।
বলি, এই আপনার পান্তা খেয়ে বাঙালি সাজার নমুনা!
যখন বাসায় আসেন তখন টিভি অন করে রিমোট টিপে এইচ বি ও,স্টার মুভিজ,একশ্যান,স্টার এইচ ডি কিংবা জি সিনেমা,মাক্স,স্টার গোল্ড দেখেন।সন্ধ্যে হলে জলসা ঘরে বসেন অথবা স্টার প্লাসের সিরিয়াল দেখে দেখে নিজেকে স্টার ভাবেন।
কিন্তু ভুলেও বাংলা চ্যানেল বাংলা নাটক দেখার চেষ্টা ও করেন না।আবার আঞ্চলিক ভাষায় কোন নাটক যদিও বা দেখেন,দেখে মজাও নেন কিন্তু সমালোচনা করবার সময়,
"এই সব কি নাটক? কি গেয়ো ভাষা!  ছি! আমি তো কখনোঈ বাংলা নাটক দেখি না "।
আরে বাবা আপনি দেখবেন কিভাবে, সারাদিন তো আপনার হিন্দি আর ভারতীয় সিরিয়াল দেখতেই চলে যায়! বাংলা নাটক দেখার সময় কোথায়!
নাটক, সিনেমায় আঞ্চলিকতা এবং কিছু আঞ্চলিক গালি ব্যবহার হয় ঠিক, কিন্তু তা চরিত্রের প্রয়োজনে। আদার ওয়াইজ, নাটকের চরিত্রগুলো আনফিট লাগবে।
যাই হোক, এত কিছু বলা আমার উদ্দেশ্য না।আমার উদ্দেশ্য হলো,
"নিজের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে আর যাই হোন না কেন,আপনি নিজেকে স্মার্ট ভাববার চেষ্টা করবেন না"।
বৈশাখী বাঙালি না হয়ে মনে প্রানে জন্য বাঙালি হয়ে যান।ওসব আনুষ্ঠানিক পান্তা খাওয়া আর নিজেকে বাঙালি জাহির করার দরকার পড়বে না।

মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

  • ১০:২৬:০০ AM


নিঃস্বার্থ প্রেম বলে পৃথিবীতে কোন প্রেম নেই।এমনকি প্রেমের ক্লাসিফিকেশনেও নিস্বার্থ প্রেমের অস্তিত্ব নেই।তার মানে হলো,নারী বা পুরুষের প্রেম,খোদার প্রতি বান্দার প্রেম, প্রকৃতির প্রতি মানুষের প্রেম সকল প্রেমেই কোন না কোন স্বার্থ জড়িয়ে আছে।
কিভাবে?
আচ্ছা,তার জন্য শুধু দু' একটা প্রেমের ব্যাখ্যায় যাচ্ছি তাহলেই বাকি সব তথাকথিত নিঃস্বার্থ প্রেমের মাঝে স্বার্থপরতা খুঁজে পেতে কষ্ট হবে না।।
প্রথমত,প্রকৃতি ও মানুষের প্রেমের মধ্যে নজিরবিহীন নিঃস্বার্থ প্রেম দেখা যায়(আপাতদৃষ্টিতে।) । কিন্তু আসলেই কি মানুষ ও প্রকৃতির প্রেমে কোন স্বার্থ জড়িয়ে নেই? অবশ্যই আছে। মানুষ প্রকৃতির সাথে প্রেম করে। ভালবেসে প্রকৃতির পরিচর্যা করে।গাছ লাগায়,বায়ু দূষন,শব্দ দূষন রোধে  আইন পাশ করে।মিটিং করে,মিছিল করে, সবই করে।আর যেগুলো করতে পারেনা তাও করার চেষ্টা চালিয়ে যায়।প্রকৃতির প্রতি মানুষের এ প্রেম,"প্রেম নেহি তো কিয়া হ্যায়!" কিন্তু ইডা কি নিঃস্বার্থ প্রেম? অসম্ভব।
মানুষ প্রকৃতিকে ভালবাসে নিজের সুখের জন্য,সৌন্দর্যের জন্য আর বেঁচে থাকার জন্য  । প্রকৃতির উপকরণ মানুষের কাজে না আসলে এ প্রেম কখনোই আসতো না।
তারপর আসি খোদার প্রতি মানুষের প্রেম । আরে ভাই,এইডা তো জলের মত ক্লিয়ার! খোদার প্রতি মানুষের ভক্তি বা প্রেম হলো স্বার্থপরতার চরম উদাহরন। খোদাকে ভাল না বাসলে কপালে স্বর্গ জুটবে না,পরকালে শাস্তি পেতে হবে এরূপ ভয়ই হলো খোদার প্রতি মানুষের ভক্তি দেখানোর অন্যতম কারন।তবে মূল কারন হলো, "ডিমান্ড"।
মানে,ও খোদা তুমি আমায় স্বর্গ দাও,দুনিয়ায় ভাল একটা বউ দাও,চাকুরী দাও,রোগ-বালাই হতে মুক্তি দাও,এটা দাও,সেটা দাও, ওটাও দাও । যা আছে সব দাও।
এই চাওয়া গুলো না থাকলে মানুষ কখনো খোদার কথা মনেই করত না।প্রেম তো দূরের কথা। প্রেম বা ভক্তির সাথে যখন বিনিময় যুক্ত থাকে তবে তা,"স্বার্থপরতা নেহি তো অর কিয়া হ্যায়!! "
অতএব, মানুষের প্রেম সর্বদা স্বার্থপর। নিঃস্বার্থপরতা শুধু মাত্র একটা কল্পিত শব্দ ছাড়া কিছুই না!
এবার আসি,নারী পুরুষের নিঃস্বার্থ প্রেমে।নারী ও পুরুষের প্রেম কতটা নিঃস্বার্থ তা বুঝার পূর্বে বুঝতে হবে,

কোন নারী বা পুরুষ পরস্পরের প্রেমে পড়ে কোন কোন কারনে?

প্রথম দর্শনে প্রেম হয় কি কি দর্শন করে?

অতঃপর, প্রেমের চুড়ান্ত লক্ষ্যই বা আসলে কিসে লুকিয়ে থাকে?

উত্তর একটাই, "জৈবিক ও মানসিক শান্তি পাওয়ার ইচ্ছা।"
যখন কোন পুরুষ ও নারী পরস্পরকে দেখে বা পরস্পরের সাথে মিশে এটা অনুভব করে যে,"আমি তার সাথে থাকলে জৈবিক ও মানুষিকভাবে শান্তি পাব" একমাত্র তখনই দুজনার মধ্যে প্রেম জন্মাতে পারে।
আর এর প্রধান লক্ষ্যটা থাকে জৈবিক প্রশান্তি লাভের আশা। জৈবিক প্রশান্তি লাভ না করলে মানুষিক প্রশান্তিই উবে যাবে।তখন ভালবাসা বলেন আর প্রেম বলেন,যাই বলেন বা কেন তা থাকেনা।আবার জৈবিক চাহিদা পূরন হলেও যদি মানুষিক সুখ না পাওয়া যায় সেখানে প্রেম থাকে না । অর্থ্যাৎ "তুমি আমাকে সুখ দাও,বিনিময়ে আমি তোমাকে সুখি করবো" এরকম একটা পরোক্ষ্য বিনিময় চুক্তি জড়িয়ে থাকে  নারী -পুরুষের প্রেমে।
সুতরাং প্রেম শব্দটা নিঃস্বার্থ হতে পারে না।
তাই প্রেমে পড়লে যা বলা হয়,
"দেখ,আমি তোমাকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালবাসি। আমার ভালবাসায় কোন স্বার্থপরতা নেই।"
এটা শুধু কথার কথা। আসলে যে কথাটা বলা হয়না তা হলো, "আমি তোমাকে ভালবাসি কারন আমি স্বার্থপর। "

#নীলকান্ত

মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

  • ৯:০৫:০০ PM
বাংলাদেশি চ্যানেল গুলোর প্রতি মানুষের অনীহার কারন কি??
যারা এবারের বিপিএল নিয়িমিত দেখলেন তারা হয়ত এর কারন এতক্ষণে টের পাচ্ছেন।শুধু যে একটি চ্যানেলেই এরকম হয় তা না।প্রত্যেকটা বাংলা চ্যানেলেরই একই সমস্যা।
আর সেটা হলো,
পাঁচ মিনিটের অনুষ্ঠানে দশ মিনিট বিজ্ঞাপন। অসহ্য একটা ব্যাপার এটা।আমরা যারা দর্শক তারা কি শুধু বিজ্ঞাপন দেখার জন্য টিভির সামনে বসে থাকব!!কখনোই না।
আমরা জানি এবং বুঝি যে,বিজ্ঞাপন একটা চ্যানেলের আয়ের অন্যতম প্রধান  উৎস।কিন্তু তাই বলে এরকম বিরতিহীন বিজ্ঞাপন!!! যা দর্শকের বিরক্তির উদ্রেক করে,চ্যানেল পাল্টাতে বাধ্য করে!
দেখুন, আমরা দেশি চ্যানেলের উন্নতি কামনা করি।আমরা চাই বাংলাদেশের জনগন ভারতীয় চ্যানেল নির্ভর না হয়ে দেশি চ্যানেল দেখুক।কিন্তু দর্শকের উপর চ্যানেল গুলোর এরকম অত্যাচার চলতে থাকলে সেটা কি করে সম্ভব??
আমি জানি আমার এই কথাগুলো কোন চ্যানেল মালিকের দৃষ্টি গোচর হবে না। কিংবা হলেও তা মূল্যহীন  ।
কিন্তু সত্যিকারেই যদি আপনারা দেশীয় চ্যানেলকে বাংলাদেশি জনগনের নিকট গ্রহনযোগ্য করতে চান তবে এরকম অতিরিক্ত এবং বিরক্তির উদ্রেক করা বিজ্ঞাপন প্রচারের পরিমান কমান।
খুব দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে,চ্যানেল নাইন বাংলাদেশের একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেল।কিন্তু বাংলাদেশের জনগনের বহু আকাঙ্খার বিপিএল ফাইনাল ম্যাচেও যেরুপভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে তা সত্যি বিরক্তিকর। প্রতি ওভারের শেষ বল হোক বা না হোক, বল ব্যাটে লাগুলো কি লাগলো না তার আগেই বিজ্ঞাপন চলে আসে।উইকেট পড়ল কি পড়লো না তার আগেই বিজ্ঞাপন চলে আসে। উইকেট টা কিভাবে পড়লো তার রিপ্লেটা আর দেখা হয় না!! এই ত অবস্থা!
জনাব চ্যানেল কর্তৃপক্ষ,
দয়া করে আমাদের মত সাধারণ দর্শকের কথাও ভাবুন! বাংলাদেশি চ্যানেল বিমুখী হতে বাধ্য করবেন না।।

শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৫

  • ৩:৫২:০০ PM
কিছু মানুষের তেল মারার দক্ষতা থাকে অসাধারণ এবং তাদের এই দক্ষতা দেখে আমি যারপরনাই মুগ্ধ।মাঝে মাঝে আফসোসও হয় তাদের সেই মন ভুলানো, প্রাণ মাতানো চাটুকারিতা দেখে। আহা!  কেন যে এসব আমি করতে পারি না! :(
বৌ পটানো থেকে বস পটানো এমনকি স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাকেও এরা পটাতে এতটা দক্ষ যে,খোদ ইবলিস শয়তানও তাদের কাছে হার মানতে বাধ্য।উপরুন্ত, ইবলিস সেই বেচারার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্বীয় লেজ আপন পদে ঢুকিয়ে সেলাম ঠুকে চলে যায়!! :P
যাই হোক,ব্যাপার হলোঃ
ধরুন,আপনি একজন নামী দামী ব্যক্তি। স্বাভাবিকভাবেই আপনার চারপাশে মানুষজন মাছির মত ভন ভন করে।আর আপনিও নানা স্বাধের মিষ্টি দিয়ে তাদের চারপাশে রাখেন।এদের মধ্যে কিছু মাছি আছে যারা মৌমাছি আর কিছু আছে যারা কেবলি মাছি। আপনার চারপাশে যেসব মৌমাছি আছে তারা আপনার পাশে থাক বা না থাক আপনার মৌচাকে  ঠিকই মধু সরবরাহ করে যাচ্ছে।কিন্তু তাদের একটাই প্রবলেম আর তা হলো, "চাটুকারিতায় তারা বন্ধা তাই তাদের জমানো মধু আপনি দেখতে পান না এবং হুলওয়ালা। "অতএব, আপনার সুনজর হয়ত তাদের দিকে আছে কিন্তু তারা আপনার কাছ ঘেষতে পারে না।
কারন,
১) তারা চায় না আপনাকে তোষামোদ করতে।
২) তারা আপনার মঙ্গল চায় কিন্তু মনে মনে যা তারা প্রকাশ করতে চায় না।এককথায়, তারা নিঃস্বার্থ ভাবে আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী।
অথবা,
৩) তারা স্বার্থপর হিংসুটে স্বভাবী না।
এবার এই মৌমাছি বাদে যারা আপনার পাশে সারাক্ষণ ভনভন করে তারা হলো সেই সব মাছি যারা উড়ে এসে জুড়ে বসে।তারপর মৌচাকে জমা মধুর সাধ গ্রহন করে।
আর সারাক্ষণ আপনার কানের কাছে সুমিষ্ট সুর তুলে(যদিও মাছির ভনভনানি কারোই ভাল লাগে না।)এরা আপনাকে নানাভাবে বুঝাতে সক্ষম হয় যে,আপনি তার/তাদের কাছে দেবতা কিংবা দেবতুল্য।  আপনিও খুব সহজেই তার তোষামোদিতে ভুলে তার প্রতিটি কথাকে অমৃত সদৃশ মনে করেন ।
"আহা! এরকম ভক্ত আর কেউ হতেই পারে না! আহা!!"
আপনি মনে মনে হয়ত এরকম করেই ভাবেন,ভাবতে থাকেন।
এবার সেই ভক্ত যাই বলুক না কেন তা আপনার মনে হবে, বোধহয় কোন ফেরেশতা আপনার উপর ওহী নাযিল করছে!! কিন্তু,আসলেই কি তাই????
#যদিও_পাম_তবুও_আরাম#যে_দেয়_তারও_আরাম_যে_নেয়_তারও_আরাম

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৫

  • ১:৫০:০০ AM
নারীর ক্ষমতায়ন নারীকে যতটা স্বাধীনতা দিয়েছে,বিশ্বকে এগিয়ে নিচ্ছে ঠিক ততটাই জগত সংসারে অশান্তি নিয়ে এসেছে,পারিবারিক শান্তি বিনিষ্ট হচ্ছে।
আজ ২৪ অক্টোবর ২০১৫। আমি  বলে রাখলাম, সেদিন খুব বেশি দূরে নেই যেদিন পরিবারে সুখ-শান্তি বলে কিছু থাকবে না।পৃথিবী ফিরে যাবে বর্বর,অশান্তি ও বিশৃংখলার যুগে।
আমাকে নারী বিদ্বেষী ভাববেন না।এটাই সত্য হবে।কারণ,
"এক বন্দুকে দু'জন শিকারি কখনো একই হরিণকে একসাথে শিকার করতে পারে না।হয় বন্দুক হাত বদল করতে হয় নতুবা দু'টি বন্দুক দুজনের হাতে থাকতে হয়।কিন্তু দু'টি বন্দুক দুজনের হাতে হলেও শিকার যখন একটিই তখন শিকারের কৃতিত্বটা কার, তা নির্ণয় করতে গেলেই বাঁধে বিশৃংখলা।আর এ বিশৃংখলাই জন্ম দেয় অশান্তির।"
রবি ঠাকুরের কথা খুব মনে পড়ছে।বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে তিনি যে কথা উপলব্ধি করেছিলেন,যে চিরন্তন বাণী লিখে গিয়েছেন, আজ একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের মধ্যেই আমরা তার আঁচ পাচ্ছি খুব ভালভাবেই । আগামী শতাব্দী তে একথার প্রমাণ পাবে গোটা বিশ্ব।কিংবা  তার অনেক আগেই।।
#নারীর ক্ষমতায়ন ভয়ংকর।
#নীলকান্ত

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৫

  • ১০:৫৭:০০ PM
দেশে জিনিসপত্রের দাম উর্ধ্বগতি।জনাব অর্থমন্ত্রী সাহেব অনায়াসে বলতে পারেন, "মানুষের আয় বেড়েছে।গ্যাস বা জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এমন কিছু না। "
কিন্তু আমাদের মত বেকারদের সংখ্যাও দিন দিন বেড়েছে।বেকারদের জন্য চাকুরীর বাজার মন্দা। (অর্থ্যাৎ চাকুরী নাই অথবা থাকলেও আগে অভিজ্ঞতা চাই।তারপর সেলসম্যানের পদবী)।
মাত্র ১৫ লক্ষ সরকারি কর্মচারীর বেতন বাড়লেও ১৫ কোটি  ৮৫ লাখ সাধারন মানুষের বেতন বাড়েনি। এদের আবার ৮০%-৮৩%(আনুমানিক)  বেকার,নিম্ন বা মধ্য আয়ের বেসরকারি চাকুরে কিংবা শ্রমজীবী কৃষক এবং দিন মজুর।এদের আয় কতটুকু বেড়েছে? নাকি বাজারদরের তুলনায় আয় কমেছে??হয়ত মাননীয় মন্ত্রী সাহেবের পাওয়ার গ্লাসে এগুলো ধরা পরে না।পরেনি।তাই ৩০০ কোটি টাকার হেরফের তার কাছে কিছু মনে হয়না এমনকি ৩০০০ কোটি টাকাও!! তিনি মন্ত্রী হয়েছেন শুধু বড় বড় ব্যবসায়ী, এলিটিদের ভোটে।আর দেশে কোন দরিদ্র নেই, সবাই এলিট শ্রেনীর এটাই তার ধারনা।
তার ভাষায় তাকে "রাবিশ" বলা ছাড়া আর কোন শব্দ পেলাম না। (সরি,মি. অর্থ মন্ত্রী)
যাই হোক,
আজ বাবাকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম ধানের দাম কেমন? বাবা একটু হতাশ হয়ে বললেন ৫৫০-৫৬০ নতুন আমন ধান, আর পুরাতন টা ৬০০-৬৫০ টাকা/মণ।
কিন্তু এই ৫৫০ টাকার ধানের পেছনে কায়িক শ্রম,মজুরের অর্থ আর অন্যান্য খরচ বাদ দিলে ৫০ টাকাও কৃষকের হাতে আসে না।  তাদের বেতন/আয় বৃদ্ধি হয়নি।কিন্তু তবুও তাদের ২০ টাকার পেয়াজ ২০০ টাকা/কেজি দরে কিনতে হয়,তেল,লবন অতিরিক্ত দামে কিনতে হয়,ফসলের পানি সেচের জন্য ডিজেল ৭৪ -৭৫টাকা/লিটার কিনতে হয়!! মজুরকে ৩০০-৪০০ টাকা/দিন দিতে হয়।।
তাদের আয় বাড়ে না।মধ্য বিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত কৃষক এখন দরিদ্র কৃষকের পর্যায়ে পৌছেছে।তারা মান সন্মানের ভয়ে রিক্সা ভ্যানও চালাতে পারেনা কিংবা মজুর খাটতেও পারে না!
বলি, মাননীয় মন্ত্রী মহাদয় তাদের জন্য কি করলেন? কিছুই না।বরং  পারলে সারের দাম আরো কিছু বাড়িয়ে দেবেন,প্রয়োজনে মন্ত্রী আর এমপি দের পকেট ভরাতে কৃষকের গোয়ালের গরুর উপর "পশু ভ্যাট" ধার্য করবেন কিন্তু তাদের উন্নয়নের জন্য কিছুই করবেন না!
আর আমার মত যারা এই কৃষক পরিবারের সন্তান তাদের জন্য এই অউন্নয়নমূলক অর্থনৈতিক রাহুর কালো ছায়া পরে পড়ালেখা থেকে শুরু করে চাকরি বাকরি সব ক্ষেত্রে।।
অর্থ্যাৎ পরিবেশ টা এমন হয়ে যাচ্ছে যে,লেখাপড়া এবং চাকুরী শুধুমাত্র পুঁজিপতি ব্যবসায়ী ও বড় বড় বড়লোকের অধিকার।কৃষক এবং গরীবের জন্য চাকুরী হারাম,নাযায়েজ।
কারণ গরীব কৃষকের ছেলে মেয়েরা যখন অতি কষ্ট করে, দিন মজুরী করে,টিউশানি করে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেন তখন বিলাসী পুঁজিপতির সন্তানেরা আরাম আয়েসে পড়া লেখা করে, এ নেতা, ও নেতা, ওমুক এর ছেলে,তমুকের নাতির রেফারেন্সে দিব্যি চাকুরী পেয়ে যায়।কিংবা চাকুরীর ধার না ধেরে অনায়াসে নিজস্ব ব্যবসা দাঁড় করাতে পারে।
আর বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত হয় সাধারন ছেলে মেয়ে, যাদের বাবা নিম্নবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত কৃষক বা চাকুরে।(ভাগ্যক্রমে দু একজন অদম্য মেধাবীরা ব্যাতীত।)
এসব পরিবারের ছেলেরা ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হবে, সে চিন্তাও করতে পারে না। কারন ব্যবসা করতে পুঁজি বিনিয়োগ করতে হয়।বিনা পুঁজি তে ফটকা ও অবৈধ ব্যবসা করা যায় কিন্তু সৎ ও সুন্দরভাবে জীবন যাপন করা যায় না। এদিকে হত দরিদ্র পিতা তার শিক্ষিত বেকার সন্তানের জন্য জমি বেঁচে ব্যবসায় বিনিয়োগ করানোর ঝুঁকি কখনোই নিতে চান না।তাদের একটাই আশা,সন্তান চাকুরী করবে।লোকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলবে,"এটা অমুকের ব্যাটা তমুক।ওমুক চাকরী করে,এত বেতন পায় "ইত্যাদি।
এদিকে সরকারের এক পেশে অর্থনৈতিক নীতিতে পুঁজিপতিরা স্বাভাবিকভাবেই অর্থমন্ত্রী সাহেবের প্রসংশায় পঞ্চমুখ। কারন, তিনি যে তাদেরই প্রতিনিধিত্ব করছেন!!
আর মন্ত্রীর সিদ্ধানন্তে চাটুকার, তোষামোদ কারীরা যখন বলে,
"বাহ বাহ! মন্ত্রী সাহেব তুলনা হয়না।"
তখন মন্ত্রী সাহেব নিজের মেধা ও সিদ্ধান্তে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন এই ভেবে যে,"আহ! লোক জন কত সুখে আছে! "
কিন্তু আসলেই কি তাই????
(বি.দ্র. এটাকে রাজনৈতিক ভাবে নিবেন না।যে কোন দল কিংবা ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ভাবে এমনি বলতাম আমি।)
[ত্রুটি ক্ষমা করবেন।]

বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৫

  • ১১:২৬:০০ AM
দেশের নাগরিককে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং দেশকে প্রকৃত অর্থে উন্নত করতে প্রত্যেক নাগরিককে প্রয়োজনীয় আইন শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা সবার আগে দরকার।
-----------------------+-----
প্রশ্ন হলোঃ

আমরা আমাদের অধিকার সম্পর্কে কি সম্পূর্নভাবে সচেতন?

আমরা কি আমাদের রাজনৈতিক ও আইনি অধিকার সম্পর্কে ভালভাবে জানি?
উত্তরঃ
জানি না/আংশিক জানি/তেমন কিছু জানিনা
তাহলে,

আমরা পদে পদে বিভিন্ন পরিস্থিতি তে হয়রানির শিকার কেন হই?

সরকারি কিংবা বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর দূর্নীতি করার সুযোগ পাচ্ছে কিভাবে?

রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলছে কেন?
উত্তরঃ
কি জানি? /বলতে পারবো না কিংবা এটা,ওটা,সেটা
কিন্তু আসলে একটু গভীর ভাবে ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন, এ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর একটা কথাতে লুকিয়ে আছে।আর তা হলোঃ "জনসাধারণ আইন সম্পর্কে সচেতন না এবং তারা আইন জানেন না। "
অর্থ্যাৎ জনগণ যদি আইন সম্পর্কে যথাযথ ওয়াকিবহাল হোন তবে এসকল সমস্যাগুলো হত না কিংবা হলেও তা মোকাবেলা করা যেত।
প্রশ্ন জাগতে পারে, কিভাবে?
উদাহরণ সরূপঃ
আপনি একজন নিরপরাধ ব্যক্তি।রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছেন। এমন সময় কোন কারন ছাড়াই একজন পুলিশ কর্মকর্তা আপনাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায়(বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার) আটক করতে পারে।
পুলিশ কর্মকর্তার আটক করার অস্ত্র হলো তার উপর ন্যস্ত করা আইনি ক্ষমতা।যেখানে আপনাকে সন্দেহের বসে আটক করতেই পারে।(যদিও এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নয়টি কারন উল্লেখ করা আছে।যেসব পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে একজন পুলিশ অফিসার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হোন।)
কিন্তু সে সময় আপনার কি করণীয় আছে কিংবা আপনার কতটুকু আইনি অধিকার রয়েছে তা সম্পর্কে আপনি সচেতন না হলে বোকার মত চেয়ে দেখা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।
তিনি আপনাকে গ্রেফতার করার মত কোন কারন হয়ত পেলেন না কিন্তু আপনি হয়রানির শিকার হবেন।যদি এই হয়রানির শিকার যদি হতে না চাই তবে অন্তত নিজের আইনি অধিকার জানা আবশ্যক।
আচ্ছা,সে বিষয় না হয় গেলো।এবার ধরুন, আপনাকে মামুলি কোন  অপরাধে আটক করে মেজেস্ট্রেটের কাছে নেয়া হলো।সেক্ষেত্রে একজন ৩য় শ্রেনীর একজন মেজেস্ট্রেট আপনাকে ৫ বছরের জেল অথবা দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করলেন।আপনিও বিনা দ্বিধায় পাঁচ বছরের জেলের পরিবর্তে দুই লাখ টাকা দেয়া শ্রেয় মনে করে টাকাই দিলেন।কিন্তু আপনি এটা জানলেন না যে, একজন তৃতীয় শ্রেনীর মেজেস্ট্রেটের  দুই বছরের অধিক কারাদণ্ড দেয়ার এখতিয়ার নেই কিংবা দুই হাজার টাকার বেশি জরিমানা করবার।
এক্ষেত্রে যা হলো তা, মেজেস্ট্রেটের ভয়ে আপনি তাকে দূর্নীতি করতে সহায়তা করলেন। (এটা শুধুমাত্র উদাহরণ। আমি বলছি না যে,মেজেস্ট্রেটগণ কোন দূর্নীতি করেন।)কিন্তু আপনি যদি আইন এবং অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতেন তবে আপনাকে অবশ্যই এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে হত না।
আর আইনের ধারা এবং দন্ড সম্পর্কে সচেতন কোন নাগরিক সহজে কোন অপরাধ করতে সাহসও পাবেন না। কারন তিনি জানেন এই অপরাধের জন্য কি শাস্তি হতে পারে!
উদাহরণ শেষ। এবার মূল প্রসঙ্গে দুটি কথা বলি।
আমার লিখার প্রধান বিষয় ছিলো,
" দেশের নাগরিককে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং দেশকে প্রকৃত অর্থে উন্নত করতে প্রত্যেক নাগরিককে প্রয়োজনীয় আইন শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা সবার আগে দরকার।"
উপরের উদাহরণ থেকে আশা করি কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন সেটা কিভাবে সম্ভব!
এবার কথা হলো,হুম।দেশের নাগরিকদের আইন সম্পর্কে সচেতন করতে কি করা উচিত? কিংবা কিভাবে এটা করা যাবে?
উত্তরটা হচ্ছে,আইন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে।
কিন্তু যেহেতু আইন পরিবর্তনশীল এবং এটি সময় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে তাই এই শিক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট শ্রেনী(৪র্থ বা ৫ম শ্রেনী) হতে আইন বিষয়টি পাঠ্য পুস্তকের অন্তর্ভুক্ত করা উচিত এবং কমপক্ষে এইচ এস সি পর্যন্ত আইন বিষয় বাধ্যতামূলক পড়তে হবে। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইন সমূহ সকলেই জানবে। ফলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগার সাথে সাথে নিজের আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।কেউ কোন ভাবে দূর্নীতি করতে গেলে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে পারবে এবং যুগ যুগ ধরে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন দপ্তর দ্বারা যেভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে তা হতে মুক্তি লাভ করবে।
কিন্তু
এইচ এস সি'র পরে যেহেতু আইন বিষয়ে আলাদা ভাবে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করা যায় তাই এ সময় বাধ্যতামূলক আইন পাঠ্য বিষয় জরুরী নয়।
সর্বশেষ কথাঃ
" জনগণ আইন সম্পর্কে সচেতন হলে দেশের দূর্নীতি প্রতিরোধ এবং নিজেদের অধিকার আদায় করা সম্ভব। আর দূর্নীতি প্রতিরোধ করা গেলে দেশও উন্নতি লাভ করবে এবং  দেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধিত হবে।"
-নীলকান্ত ®ব্লগ

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৫

  • ৭:২১:০০ PM
দূর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তি দ্বারা দূর্নীতিমুক্ত প্রশাসন আশা করা যায় না।
প্রশাসনকে দূর্নীতিমুক্ত করতে সরকার এ পদক্ষেপ, সে পদক্ষেপ, অমুকের বেতন বাড়ানো, তমুকের জন্য ওমুক আইন ইত্যাদি পেশ করে,পাশ করে কিংবা জারি করে ততক্ষণ পর্যন্ত সফল হবেন না,যতক্ষন পর্যন্ত তার রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিদের দূর্নীতিমুক্ত করতে পারছেন।
একটু গভীর ভাবে খেয়াল করে দেখুন, দেশে যত প্রকাশ্য কিংবা অপ্রকাশ্য দূর্নীতি হচ্ছে তা কোন না কোনভাবে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়।প্রশাসন যখন রাজনৈতিকদের ক্রীড়ানকে পরিনত হন তখন স্বতন্ত্রভাবে প্রশাসনকে দূর্নীতিগ্রস্ত বলা যায় না,উচিতও না।
উদাহরণ সরূপঃ
ধরুন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।সার্কুলার দেয়া হলো।প্রার্থীগণ আবেদনও করলেন।এবার শুরু হলো ধরাধরি!
x  নামে ক্যান্ডিডেট  y নামে এক মন্ত্রীর সুপারিশ ধারী। " x" ব্যক্তি "y" এর সুপারিশ পাওয়ার জন্য " z" নামে একজন এমপি কিংবা স্থানীয় নেতার আশ্রয় নিলেন । z চাকুরী পাইয়ে দেবে বলে x কে প্রতিশ্রুতি দিলেন এবং সেই মোতাবেক y এর নিকট উপস্থাপন করলেন।y সাফ জানিয়ে দিলো, x এর চাকুরীর জন্য a পরিমান অর্থ লাগবে।এবার z এসে x কে a+1  পরিমাণ অর্থের চাহিদা দিলেন। x তাতে রাজিও হলেন।
এবার যা হলো, x পরীক্ষার হলে গেলেন পরীক্ষায় অংশ নিতে।z এর লোকজন ইতোমধ্যে পরীক্ষার হল পরিদর্শক এবং অন্যান্যদের এটা বুঝালেন যে,তারা কারা! হল পরিদর্শক নিরুপায়। কারন তার ক্ষমতা z এর নিকট পাঁচ বছরের জন্য পানি পান্তা। y এর কথা বাদই দিলাম।সুতরাং যা হবার হচ্ছে!
কি কি হতে পারে?
* z প্রশ্নপত্রের কপি বাহিরে এনে সলভ করে x কে সরবরাহ করতে পারে।
* z পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বেই প্রভাব খাটিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করাতে পারে।
* এমনকি x কে z এটাও বলতে পারে যে,সাদা খাতা জমা দিয়ে আসতে।
* z, x এর সাদা ওএমআর পরীক্ষা শেষে পূরন করেও দিতে পারে।
* এমনকি x পরীক্ষার খাতায় যা কিছু লিখুক না  কেন z উক্তীর্ণদের তালিকায় x এর নাম নিয়ে আসতে পারে।
(এগুলো চোখের সামনে দেখা।তাই বিরোধিতা করে লাভ নাই। এমনকি সেটা অনেকেই জানেনও।বিদ্র. ব্যতিক্রম হতেই পারে।)
এবার পরের স্টেজ । ভাইভা পরীক্ষা।
z এর অনুরোধে y ভাইভা বোর্ড নিয়ন্ত্রণ কারীকে x এর জন্য সরাসরি ফোন দিতে পারেন। (২০০৯ সালে পাবনা পুলিশ লাইনে,পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে পুলিশ সুপার #জনাব মাঝি  এমনি এক নেতার অনুরোধ রাখতে না পারায় তাকে বদলি করা হয় সাত দিনের মাথায়।এমনকি স্থানীয় ওই নেতার লোকজন এসে এক্সাম পেপার ছিঁড়ে ফেলেন। নিজের চোখে দেখা। )
এমতাবস্থায়, নিয়ন্ত্রক অসহায়। বাধ্য হয়ে তিনি সব মেনে নিলেন।
(আমি শুধু মাত্র একটা দিকের একটা  উদাহরণ টানলাম, প্রশাসনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে এরকম অজস্র দূর্নীতির মূল হোতা নেতারা।)
এখন কথা হলো,
প্রশাসন যদি চায়ও যে তারা স্বচ্ছভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।তাহলেও তারা তা করতে পারেন না রাজনৈতিক প্রভাবের কারনে।
অপরাপর, তাদেরকেও রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিদের দূর্নীতির সাগরেদ হতে হয়।
কিন্তু দোষের ভাগিদার শুধু হোন তারাই।
তাই যতক্ষণ প্রশাসনকে নিজের মত চলতে দেয়া হবে না,এবং প্রশাসনের উপর রাজনৈতিক হর্তাকর্তাদের অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হবে না,ততক্ষণ পর্যন্ত দূর্নীতিমুক্ত প্রশাসন আশা করা যাবে না।
তাহলে, নেতা খ্যাতারা কি করবে? তাদের হাতে তো কোন কাজই থাকলো না?
সাধারণ জনগণ নেতাদের নেতা নির্বাচন করেন তাদের মঙ্গলের জন্য।নেতাদের উচিত জনস্বার্থে কাজ করে যাওয়া।কোথায় জনগনের কি প্রয়োজন তা লক্ষ্য রাখা এবং সেই মোতাবেক স্বচ্ছভাবে সে কাজ সম্পন্ন করা।
শুধু এসি রুমে বসে বসে দূর্নীতির পরিকল্পনা আর মঞ্চে উঠে বড় বড় বক্তৃতা দেয়া নয়!

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

  • ৩:৩৬:০০ AM
ভাবনার জীবন ও জগৎঃ
-----------------+--------------
আমি এত এত ভাবি যে,ভাবতে ভাবতে ভাবনাগুলোও ভুলে যাই।
আমার গার্লফ্রেন্ড প্রায়শই বলে,"তুমি এত বেশি বুঝ ক্যান? এত বেশি ভাবো কেন? "
গার্লফ্রেন্ডকে কিভাবে বুঝাই,"সুস্থ মস্তিস্কই ভাবনায় ডুবে থাকে,একমাত্র  পাগলের কোন ভাবনা থাকে না।"
কে যেন বলেছিলো, "যে কোন চিন্তা করে না বা যার কোন টেনশন নাই সেই একমাত্র সুখি। আর যে সবচেয়ে বেশি সুখি সে অবশ্যই পাগল নয়ত ভগবান। কারন,পাগলের কোন ভাবনা থাকে না।আর মানুষ যেহেতু ভগবান নয় তাই সে পাগলই।"
আমার মনে হয় যিনি এ কথাটি বলেছিলেন তিনি এরিষ্টটলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বলেছেন।এবং যা বলেছিলেন তা খাটি সত্য কথাই বলেছেন।
মানুষের ভাবনার ধারা বিচিত্র।একেক জনের একেক ধরনের ভাবনা।একেক বিষয়ে একেক জন ভাবেন। কিন্তু যেটা সবার ক্ষেত্রে কমন সেটা হলো,"সবারই ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু জীবন ও জগৎ। "
জীবনের ভাবনা গুলো আবার দুই রকমঃ
এক, ব্যবহারিক জীবন
এবং দুই, আধ্যাত্মিক জীবন
ব্যবহারিক জীবনের মধ্যে রয়েছে, দৈনন্দিন কর্মকান্ড, কল্পনা-জল্পনা,অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। এক কথায় ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমরা যা কিছু ভাবি তা আমার মতে, "ব্যবহারিক জীবন ভাবনা"।
আর জন্মের পূর্বের এবং মৃত্যুর পরের ভাবনা গুলো হলো আধ্যাত্মিক জীবন  ভাবনা।
মজার বিষয় হলো, আধ্যাত্মিকতা এবং ব্যবহারিক জীবন দু'টো পরস্পরের উপর নির্ভরশীল ।
আমরা জন্মের পর থেকেই এমন একটা আধ্যাত্মিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মাই যা জন্মের পূর্বে আমরা মাতৃ গর্ভে ব্যবহার করতাম।আমার মনে হয়,মাতৃ গর্ভে শিশুরা যখন ধীরে ধীরে বড় হয় তখন বাহ্যিক পৃথিবী সম্পর্কে একটা কল্পনা করতে থাকে।আর তারা বাহিরের পরিবেশের সাথে সাথে নানাভাবে রিয়েক্ট করে এটা তো প্রমানিত সত্য।কিন্তু এসব রিয়্যাক্ট করার সাথে সাথে তারা পরিবেশ সম্পর্কে একটা কল্পনাও করে নেয়।
আর এই কল্পনা শক্তি বা আধ্যাত্মিক শক্তি আমরা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরেও অনুভব করি।
কিন্তু ব্যবহারিক জীবনে এসে আমরা যখন কোন বিষয়কে নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করি কিংবা আমাদের মন যদি কোন বিষয়ে একান্তভাবে সায়/সাপোর্ট দেয় তখন তা বাস্তব হয়।তবে বাস্তব অবস্থা কল্পনা করার জন্য আমাদেরকে মাতৃগর্ভে ফিরে যেতে হয়।অর্থ্যাৎ যে বিষয়টা আমাদের সাথে নেই বা যা আমরা দেখতে পাইনা কিন্তু তার অবস্থা কিংবা পরিবেশ বুঝতে চেষ্টা করি,তা বুঝতে হলে সেই বিষয়কে সেভাবে অনুভব করতে হয় যেভাবে মাতৃগর্ভে থেকে আমরা পৃথিবীকে অনুভব করি।
এজন্য ওই বিষয়ের প্রতি একটা গভীর ও নিস্পাপ ভালোবাসা থাকতে হয়,নিষ্পাপ শিশুর মত।
উদাহরণ সরূপঃ
ব্যবহারিক জীবনে আমরা অনেক সময় খুব প্রিয়জনদের অনুপস্থিতিতে তার মুভমেন্ট গুলো আন্দাজ করতে পারি। যা অনেক সময় ৭০-৮০% সত্য হয়।
কিন্তু, এটা কিভাবে সম্ভব?
এটা সম্ভব এই কারনে যে,আমরা যখন কোন কিছুকে গভীর এবং নিষ্পাপ মনে চাই/ ভালবাসি তখন আমাদের মধ্যে সেই স্প্রিচুয়াল পাওয়ারটা অনুভব করতে পারি।
কিন্তু বাস্তব জগতে এটাকে আমি সরাসরি আধ্যাত্মিক ভাবনা না বলে বলতে চাই,"অধি-কাল্পনিক অনুভব"।
#আর যখন আমরা আমাদের মৃত্যুর পরবর্তী জীবনকে কল্পনায় বা ভাবনায় নিয়ে আসি তখন তাকে আধ্যাত্মিক ভাবনা বলা যেতে পারে।মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে অবিনশ্বর আত্মার একটা সীমাহীন পথ যাত্রা শুরু হয়।সেই যাত্রা পথের সাম্ভাব্য বিষয়াবলী কে অনুভব করা বা উপলব্ধি করা হলো, "আধ্যাত্মিক জীবন ভাবনা"।
তাই শুধু জীবন নিয়ে আমরা যদি ভাবতে যাই তবে আজীবনেই জীবনের ভাবনা শেষ হবে না।
যে সৃষ্টির শুরু হয়েছে কোটি কোট বছর পূর্বে এবং যা অনন্ত কাল ধরে চলতে থাকবে তা মাত্র ৬০ কিংবা ৭০ কিংবা সর্বোচ্চ ১০০ বছরের ক্ষুদ্র জীবনে ভেবে শেষ করা কি সম্ভব?
না,কখনোই তা সম্ভব না।
তাই আমাদের ভাবতে হয় জগতের ভাবনা। কিন্তু বৃহৎ জগতের আদি ও অন্ত ভাবনা অনন্ত।তাই জগৎ এর আদি বা সৃষ্টি ভাবনা এবং অন্ত বা ধ্বংসের ভাবনাকে জীবনের আধ্যাত্মিক ভাবনার মধ্যে স্থান দিলে মানুষের আয়ুষ্কালে যে ক্ষুদ্র পরিসর পাওয়া যায় তাই টিকে থাকে জগৎ ভাবনা হিসেবে।
জগৎ ভাবনার বিষয়ের মধ্যে থাকে জীবনের লেনদেনের হিসেব,জগতে টিকে থাকার সংগ্রামের বিষয়বস্তু।
এটাকে ব্যবহারিক জীবন ভাবনার সাথে তুলনা করা যেতে পারে তবে ব্যবহারিক জীবন ভাবনা ও জগৎ ভাবনাকে এক বলা যাবে না।
ব্যাবহারিক জীবন ভাবনার বিষয়বস্তু গুলো হলো মানুষিক কিন্তু জগৎ ভাবনার বিষয়গুলো হলো বস্তুগত।
তবে সে যাই হোক,
জীবন ও জগতের মধ্যে ব্যবহারিক জীবন ভাবনা এবং জগৎ ভাবনাই হলো গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই দু'টি ভাবনাকেই আমরা বাস্তবে উপলব্ধি করতে পারি কিংবা বাস্তবে প্রয়োজন হয়।বাকি গুলোর অস্তিত্ব শুধুমাত্র মৃত্যুর পরেই উপলব্ধি করা সম্ভব।। তার আগে নয়।।
#নীলকান্ত®

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫

  • ৩:৫১:০০ PM
"ভালোবাসা(Love) হল এমন একটা শব্দ যার মোট বর্ণ  সংখ্যা চার। এবং এর প্রথম বর্ন L,ইংরেজি বর্ণমালার ১৬ নাম্বার বর্ণ এবং তৃতীয় বর্ণ V, ২৪ নাম্বার বর্ণ। দু'টোই ৪ দ্বারা বিভাজ্য।দ্বিতীয় বর্ণ
O,  হল ১৯ নাম্বার বর্ণ এবং পঞ্চম বর্ণ  E হলো ইংরেজি বর্ণমালার ৫ নাম্বার বর্ণ, যাদের যোগফল আবার  ২৪। এবং এটি ৪ দ্বারা বিভাজ্য।
এবং সকল বর্নের অবস্থানের ক্রমিক একসাথে যোগ করলে হয় ১৬+১৯+২৪+৫=৬৪,যা ৪ দ্বারা বিভাজ্য এবং ভাগফল হয় ১৬। এবং অবাক করার বিষয় হলো ১৬ এর বর্গমূলও কিন্তু চার (৪)।
অন্যদিকে, চারটি বর্ণ দ্বারা একটা শব্দ হয় LOVE, যা বাংলাতেও চারটি বর্ণ দ্বারা গঠিত (ভা২৪+লো২৮+বা২৩+সা৩১)।
"ভালোবাসা" শব্দের "ভ" বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ২৪ নাম্বার বর্ণ এবং "ল" হলো ২৮ নাম্বার বর্ণ। দু'টি বর্ণের অবস্থান গত ক্রমিক ৪ দ্বারা বিভাজ্য এবং ভাগফল যথাক্রমে ৬ এবং ৭  । এই দু'টি ভাগফলের যোগফল ৬+৭=১৩।
আবার ২৪+২৮= ৫২ । এই ৫২ কে ১৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল হয় ৪।
অবাক করা বিষয় যে "ভালোবাসা" শব্দের বাকি দু'টি বর্ণ "ব" এবং "স" বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণমালার যথাক্রমে  ২৩ এবং ৩১ নাম্বার বর্ণ। যাদের সমষ্টিও আবার ৫২ এবং তা ১৩ দ্বারা ভাগ করলে দ্বারায় (৫২/১৩=৪)। অর্থ্যাৎ ৪ সংখ্যা টি ভালোবাসার জন্য একটা লাকি সংখ্যা।এবং ভালোবাসা এই ৪ সংখ্যার উপরই আবর্তিত হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, "ভালোবাসা" একটি গানিতিক যুক্তিতে প্রবাহমান। ভালোবাসার গানিতিক হিসেব যদি না মিলাতে পারেন তবে ভালোবাসা আপনার কাছে ধরা দেবে না কিংবা আপনি কখনোই তাকে ধরে রাখতে পারবেন না।
Now check it out.
গানিতিক বিশ্লেষনঃ
_নীলকান্ত
  • ৩:৫০:০০ PM
ভালোবাসা হলো কিছু সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম  অনুভূতির সমষ্টি। এর মধ্যে একটির অভাব অন্যটিতে প্রভাব ফেলে।
আগে বলতে শুনেছি,"যাকে ভালোবাসো,তাকে উজার করে দাও।প্রতিদান আশা করো না।"
এই উক্তিটা কে প্রথম করেছিলেন জানিনা,কিন্তু যে এই উক্তিটির জন্মদাতা তিনি পরোক্ষভাবে প্রেমিক প্রেমিকাদের আত্মহত্যাকে উৎসাহিত করেছিলেন।কেননা,এক পক্ষ শুধু দিয়েই যাবে প্রতিদানে এতটুকু ভালোবাসা পাবে না,তা মেনে নেয়া যায় না । আমার মতে, "যখন তুমি কাউকে ভালবাসি বল কিন্তু সে কখনো তোমাকে বলে না কিংবা এড়িয়ে যায় কিংবা গেছে কিংবা এড়িয়ে যাচ্ছে,মনে রেখ সে তোমাকে ভালোবাসে না,বাসেনি কিংবা এখন তোমার চেয়ে Better  কাউকে পেয়েছে। "
অতএব,এখন না পরে বলবে,পরে না পরশু বলবে কিংবা আজ বাসে না কাল বাসবে, এসব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে মানে মানে কেটে পর।That'll b better.
কেননা, ইমানের যেমন তিনটে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে তেমনি ভালোবাসারও তিনটে শর্ত আছে।
এক, মনে প্রাণে বিশ্বাস করা যে তুমি ভালোবাস।
দুই, মুখে স্বীকার করা যে তুমি ভালোবাস এবং
তিন, তুমি যে ভালবাস তা কার্যে পরিনত করে দেখানো।
এই তিনটে শর্তের একটি কম হলে সে ইমান যেমন দূর্বল, তেমনি সে ভালোবাসাটা দূর্বল। যাকে রসায়নের ভাষায় বলে "ভ্যানডারওয়াল"।
সুতরাং কেউ একজন কোন একজনকে পাগলের মত জান-প্রাণ দিয়ে ভালোবেসে যাবে কিন্তু প্রতিদানে অন্যের সন্তানের আংকেল বা আন্টি হবে তা মেনে নেয়া যায় না।আর তখনই বিগত দিনের পাগলামি ভুল মনে করে কেউ বখে যায় আর বিগত দিনের স্মৃতি গুলো নিয়ে কেউ হারিয়ে যায়। কিংবা আমৃত্যু মৃতপ্রায় মন নিয়ে বেঁচে থাকে কিংবা অন্যের ভুলের প্রতিদান দিতে হয় অন্য কাউকে।
কিন্তু তা কেন?
ভালোবাসলে সোজা বল,যে ভালবাস,আর না বাসলে নিজের রাস্তা মাপ।
বি.দ্রঃ ভালোবাসার অন্য কোন শ্রেনীবিভাগ করার দরকার নেই। আমি একটা ছেলে ও মেয়ের মধ্যে যে ধরনের সম্পর্ক গড়ে উঠে তাই বুঝিয়েছি।

সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৫

  • ১২:৫৩:০০ PM
ভালোবাসার গানিতিক ভিত্তিঃ
"ভালোবাসা(Love) হল এমন একটা শব্দ যার মোট বর্ণ  সংখ্যা চার। এবং এর প্রথম বর্ন L,ইংরেজি বর্ণমালার ১৬ নাম্বার বর্ণ এবং তৃতীয় বর্ণ V, ২৪ নাম্বার বর্ণ। দু'টোই ৪ দ্বারা বিভাজ্য।দ্বিতীয় বর্ণ
O,  হল ১৯ নাম্বার বর্ণ এবং পঞ্চম বর্ণ  E হলো ইংরেজি বর্ণমালার ৫ নাম্বার বর্ণ, যাদের যোগফল আবার  ২৪। এবং এটি ৪ দ্বারা বিভাজ্য।
এবং সকল বর্নের অবস্থানের ক্রমিক একসাথে যোগ করলে হয় ১৬+১৯+২৪+৫=৬৪,যা ৪ দ্বারা বিভাজ্য এবং ভাগফল হয় ১৬। এবং অবাক করার বিষয় হলো ১৬ এর বর্গমূলও কিন্তু চার (৪)।
অন্যদিকে, চারটি বর্ণ দ্বারা একটা শব্দ হয় LOVE, যা বাংলাতেও চারটি বর্ণ দ্বারা গঠিত (ভা২৪+লো২৮+বা২৩+সা৩১)।
"ভালোবাসা" শব্দের "ভ" বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ২৪ নাম্বার বর্ণ এবং "ল" হলো ২৮ নাম্বার বর্ণ। দু'টি বর্ণের অবস্থান গত ক্রমিক ৪ দ্বারা বিভাজ্য এবং ভাগফল যথাক্রমে ৬ এবং ৭  । এই দু'টি ভাগফলের যোগফল ৬+৭=১৩।
আবার ২৪+২৮= ৫২ । এই ৫২ কে ১৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল হয় ৪।
অবাক করা বিষয় যে "ভালোবাসা" শব্দের বাকি দু'টি বর্ণ "ব" এবং "স" বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণমালার যথাক্রমে  ২৩ এবং ৩১ নাম্বার বর্ণ। যাদের সমষ্টিও আবার ৫২ এবং তা ১৩ দ্বারা ভাগ করলে দ্বারায় (৫২/১৩=৪)।
অর্থ্যাৎ ভালোবাসার গানিতিক ভিত্তি হলো ৪ এবং ভালোবাসা এই ৪ সংখ্যার উপরই আবর্তিত হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, "ভালোবাসা" একটি গানিতিক যুক্তিতে প্রবাহমান। ভালোবাসার গানিতিক হিসেব যদি না মিলাতে পারেন তবে ভালোবাসা আপনার কাছে ধরা দেবে না কিংবা আপনি কখনোই তাকে ধরে রাখতে পারবেন না।
Now check it out.
গানিতিক বিশ্লেষনঃ
_নীলকান্ত®

শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫

  • ১:১৪:০০ PM
#১৫ আগষ্ট একটা রাজনৈতিক ট্র‍্যাজেডী। স্বাধীন বাংলাদেশের একটি কালো দিন।
-----------------------
দীর্ঘদিনের পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ আহত পাখির মত বাঙালি জাতি যখন মুক্তির জন্য ছটফট করছিলো,কিন্তু মুক্ত আকাশ দেখার সাহস সঞ্চয় করে উঠতে পারেনি ঠিক তখনি একজন মহান নেতার আবির্ভাব হয়।তিনি শুধু বাঙালিকে আকাশ দেখাননি বরং সেই আকাশে কিভাবে উড়তে হয় তাও শিখিয়েছিলেন।তার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, সম্মোহনী বক্তৃতা,নিগূঢ়  দেশপ্রেম বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্খাকে করেছিলো উদ্ভাসিত । দু'শ বছরের বৃটিশ শৃঙ্খল ভেঙে যে জাতি মুক্তির স্বাদ পেতে চেয়েছে  পাকিস্থানের প্রতারণার শিকার হয়ে তারাই পুনরায় হয়েছিলো শৃঙ্খলে আবদ্ধ। কিন্তু বীর বাঙালির জন্মগত স্বাধীনতার অধিকার শোসন,নির্যাতন আর নিপীড়ন করে যে আটকে রাখা যায় না,তা বোধহয় ভুলে গিয়েছিলো পাকিস্তানি হানাদার রা।আর তাই পিছু হটতে হটতে দেয়ালে যখন পিঠ ঠেকে গিয়েছিলো তখন ঠিকই রুখে দাড়িয়েছে তারা। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ছিনিয়ে এনেছে একটা  লাল সবুজের পতাকা,ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের একটা স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখন্ড,বাংলাদেশ।
কিন্তু এই সব কিছুর পেছনে যিনি ছিলেন,যিনি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাঙালিকে মুক্ত আকাশ দেখিয়েছিলেন,ডানা মেলে উড়তে শিখিয়েছিলেন মুক্ত আকাশে তিনি আর কেউ নন,তিনি বাঙলার আপামর জনসাধারণের নেতা,বাঙালি জাতির পিতা,খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের "শেখ সাহেব" বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
"শেখ" শব্দের অর্থ নেতা বা দলপতি।সত্যিই তিনি ছিলেন বাঙলি জাতির নেতা,দলপতি। তিনি তার নামের যে সুবিচার করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।তাই বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, যতদিন একজন বাঙালিও পৃথিবীতে থাকবেন ততদিন তিনি ইতিহাসের পাতায় চির অম্লান হয়ে রবেন।
বঙ্গবন্ধুর জন্ম পরিচয় কিংবা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তার অবদান কতটা তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। সে বিষয়ে ইতিহাসই চিরন্তন স্বাক্ষী হিসেবে রয়ে গেছে।তবে ঐতিহাসিক আলোচনা-সমালোচনার উর্দ্ধে রেখে তাকে মূল্যায়ন করাই শ্রেয়। তার অনবদ্য অবদান,দেশপ্রেম তাকে চিরস্মরণীয় বরণীয় করে রেখেছে এবং রাখবে।
কিন্তু ১৯৭৫ সালের আজকের এই দিনে এই মহান নেতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে যে ঘৃণ্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছিলো তা বাঙালি জাতির জন্য একটা লজ্জাজনক ঘটনা।আমরা কেউই এই দায় থেকে মুক্তি পেতে পারিনা। আমাদের ব্যর্থতা যে,আমরা এমন এক নিবেদিত প্রাণকে ধরে রাখতে পারিনি।আমরা তাকে হারিয়েছি আমাদেরই কিছু বিপথগামী এবং বাঙলার স্বাধীনতার দোসরদের মদদে।কিন্তু তার বিচার আজো আমরা করতে পারিনি এটা আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
হয়ত,অনেকেই আছেন যারা আজো এই নিকৃষ্ট ঘটনার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলবেন,"এটা সে সময় জরুরী ছিলো। কেউ কেউ বাকশাল গঠন কিংবা তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবেলায় শেখ মুজিবের ব্যর্থতাকে দায় করবেন। কিন্তু তাদের অন্তত এটা মাথায় রাখা উচিত যে,যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটা দেশে মাত্র তিন বছরের মধ্যে কোন ভাবেই সম্পুর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
আর সম্ভব নয় এই কারনেই যে,শান্তি স্থাপনের জন্য যেসব নিয়ামক অপরিহার্য তা সেই সময়ের মধ্যে পুনর্গঠন কিংবা পুনস্থাপন করা কখনোই সম্ভব নয়। এমনকি বর্তমান উন্নত প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সীমা যখন হাতের নাগালে তখনো সম্ভব হচ্ছে না।আর তা বর্তমান লিবিয়া,সুদান,আফগানিস্তান কিংবা অন্যান্য যুদ্ধ বিধ্বস্ত রাষ্ট্র গুলোর দিকে তাকালে সহজেই প্রমাণ করা যায়।
সেদিক থেকে ১৯৭২-১৯৭৫, ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত শেখ মুজিবর রহমান যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ কে যতটুকু এগিয়ে নিয়েছিলেন তা কল্পনাতীত। তিনি তার এক বক্তব্যে নিজের স্বল্প সময়ের সফলতা ও বিফলতা অকপটে স্বীকার করেছেন। সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশের জন্য সংবিধান প্রনয়ন,আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়,যুদ্ধকালীন সময়ে দেশের ভঙ্গুর অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অবস্থাকে স্থিতিশীলকরন থেকে শুরু করে বহু উন্নয়ন কর্মকান্ড হাতে নেন এবং অনেক ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেন যা আজকের যুগেও অনেক রাষ্ট্র প্রধান করতে পারছে না।এত সব কিছুর পরেও দেশের তৎকালীন পরিবেশের জন্য তাকে এককভাবে দায়ী করা কোনভাবেই সমিচীন বলে আমি মনে করিনা।
তিনি যেসব কার্যাবলি হাতে নিয়েছিলেন বা যেভাবে দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা ওই সময়ের প্রেক্ষিতে যথাপোযুক্তই ছিলো।হাজার বছরেএ অগনতান্ত্রিকতায় অভ্যস্ত বাঙালি রক্ত মাত্র কয়েক বছরে গনতান্ত্রিক ভাবে প্রবাহিত হবে তা আসলে আবেগীয় ভ্রম ছাড়া আর কিছুই ছিলো না।এবং সে প্রমাণও আমরা নব্বই এর আগ পর্যন্ত পেয়েছি । এমনকি নব্বই এর পরেও বিভিন্ন দল ও উপদলের রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারীতা ও স্বৈরাতান্ত্রিক মনোভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এবং এটাই সত্যি যে,সেই একনায়কতান্ত্রিক প্রথাকে সাধারন  বাঙালি জাতি যত সহজে আপন করতে পেরেছে তা পক্ষপাতদুষ্ট গনতন্ত্রকে করতে পারেনি।এবং নানা ভাবে এটাও প্রমাণ হয়েছে যে,আবেগপ্রবণ বাঙালি অস্থির চিত্তের এক নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী । আর তাদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখতে হলে কঠোরতার বিকল্প নেই।
কিন্তু এত সব প্রমানিত সত্যকে অস্বীকার করে যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকে "Right act at right time" বলে আখ্যায়িত করেছে তাদেরকে স্বাধীনতার শত্রু বলতে আমি দ্বিধাবোধ করবো না।এমনকি তারা বর্তমান রাজনীতির আড়ালে যেভাবে ইতিহাস বিকৃতির ইন্ধদাতা হিসেবে নোংরা কুটকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে তারা প্রকৃত পক্ষে দেশপ্রেমিক নন।বরং পরোক্ষভাবে বাংলার স্বাধীনতা ও স্বাধিন বাংলাদেশের আদর্শ বিচ্যুত এক দল কীট।
যাই হোক,দেশের উন্নয়নের পথে শেখ মুজিবের নির্মম,হৃদয়বিদারক হত্যা কান্ডের পর দু একজন এমন শাসক এসেছেন যারা প্রকৃত দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন।তারাও দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়েছেন অনেকটা পথ।তাদের অবদানকে অস্বীকার করারও উপায় নেই।
কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি যে,বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি বিদরা যেভাবে এক জন অন্য জনের বিরুদ্ধে কাদা ছুড়াছুড়িতে ব্যস্ত এবং যেভাবে দেশের মহান নেতাদের অবদানকে ভূলুণ্ঠিত করছেন তাতে আমাদের ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ কে ছোট করা হচ্ছে।
#তারপরেও আমরা আশাবাদী যে,একদিন আমাদের রাজনীতিজ্ঞরা তাদের ভুল বুঝতে পারবেন।এবং মহান নেতাদের প্রাপ্য সন্মান-মর্যদা অক্ষুণ্ণ রেখে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবেন।
সর্বোপরি আজ ১৫ আগষ্ট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের ৪০ তম শাহাদত বার্ষিকী তে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি । এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।
#লেখকঃ
সরকার হারুন অর রশিদ
সিইও,SAVA BD

সোমবার, ১৫ জুন, ২০১৫

  • ২:০২:০০ AM

--------------
ছেলেটার সর্বশেষ স্ট্যাটাস ছিলো
"ফ্রেন্ডস,
আজ থেকে আর আমি কখনো এফবি তে আসবো না।
বিদায় all...
মিস ইউ অল।
ভালো থেকো সবাই।
আসি...."
তারপর একটা বিকেল কিংবা সন্ধ্যা এলো।একটা প্রাণ হতাশার অনলে দগ্ধ হয়ে পৃথীবি ছাড়লো।
এরপর সব শেষ!  একটা নাম মুছে গেলো পৃথীবির জীবিত মানুষের তালিকা থেকে।
শেষ শব্দে যে আসার প্রতিশ্রুতি ছিলো, সে আসা আর কখনো হলোই না।
এবার আসি  কেন,কি কারনে তার এই আত্নহনন  সে বিষয়ে।
ছেলেটার ফেসবুক টাইমলাইনের প্রথমেই বেশ কয়েকটা ছবি।তার মধ্যে হতাশাগ্রস্ততা, বিধ্বস্ততা আর মলিনতার সুস্পষ্ট ছাপ।
পরপর বেশ কিছু স্ট্যাটাসে মায়ের প্রতি তীব্র অভিমান। কোন এক কারনে কিংবা অকারনে "মায়ের কাছে তার অধিকার খর্ব। মা'কে মা ডাকার অধিকার হতে বঞ্চিত হওয়ার তীব্র অভিমান।"
কোথাও আবার মায়ের বিরুপ আচরন তার মনে রেখাপাত করেছে বেশ গভীর ভাবে।তার ভাষায়,
"মা যদি তার প্রতিবন্ধী শিশুটিকে বোঝা মনে করে,তাহলে সেই শিশুটির মত অসহায় আর কেউ না।"
আমি জানি না কেন সে একথা লিখেছিলো। এমনকি এও জানিনা সে নিজেই সেই শিশুটি কিনা।
অতঃপর তার ভাষায় সে ছোট বেলা থেকে পারিবারিক অনাদর-অবহেলায় বড় হয়েছে।এবং যখন সে সব কিছু বুঝতে শিখেছে,বড় হয়েছে, তখনো তার সাথে ঠিক একই আচরন করা হয়েছে।
"এভাবে সে কিভাবে বাঁচতে পারে? "
ছেলেটির এই এক প্রশ্ন ছিলো সেখানে।
টাইমলাইনের আরো গভীরে গেলে তার হতাশার আরো কিছু দৃশ্য চোখে পড়ে তার লেখায়।যখন সে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত যে, সে কি করবে।এমনকি নিজের অতি আপনার স্থান, "মায়ের কোল" সেখানেও ফিরে যাবার সাহস পাচ্ছে না,বারবার সে ভীত হচ্ছে। আর হওয়াটাই এখানে বোধহয় স্বাভাবিক ছিলো, যদি পূর্বোল্লিখিত কথাগুলো সত্য হয়। এবং সে কথা গুলো অবশ্যই সত্য ছিলো, কারন "মানুষ মৃত্যুর আগে চাইলেও মিথ্যা বলতে পারে না।"
আত্মহত্যার কারণ মোটামুটি পরিস্কার।
কিন্তু এটাই কি সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা ছিলো,  নিজেকে সেই অনাদর-অবহেলা,হতাশা থেকে মুক্তি করার?
না, কখনোই না।
আজ ছেলেটি পৃথীবিতে নেই।তার খুব কাছের যে ক'জন মানুষ ছিলো, তারা হয়ত আর দু'দিনের মধ্যে সব ভুলে যাবে।
যার বা যাদের জন্য ছেলেটি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে,সে বা তারাও সব ভুলে যাবে। এই সুন্দর পৃথীবিতে তারা ঠিকই সুখের সাথে বসবাস করবে।
কিন্তু যে অবহেলা-অনাদরের জন্য ছেলেটি আত্মহত্যা করলো সেই অবহেলা অনাদরের কি কোন পরিবর্তন হবে? হবে না।
কিংবা নিজের বা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে কি কেউ ছেলেটির জন্য সারা জীবন কাঁদবে?  না,কাঁদবে না।
কিংবা নিজের ভুলের কথা ভেবে কেউ ছেলেটির মত স্বেচ্ছা মৃত্যুও গ্রহন করবে না।
তাহলে তার এই আত্মহত্যার কোন মূল্যই কারো কাছে নেই।এবং থাকেও না।
যে আত্মহত্যা করলো,সে নিজের কাছেই  নিজেই হেরে গেলো এবং হেরে গেলো বাকি পৃথীবির কাছে।
##
আমি যে ছেলেটির কথা বললাম, ওর নাম #আকাশ রোজারিও, বাড়ি পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার উথুলি নামক গ্রামে।যে অত্যন্ত অভিমান আর হতাশা নিয়ে গত কাল পৃথীবি ছেড়েছে।
#আকাশ,
যদি আমার সাথে তোমার পরিচয় থাকতো, তবে আমি কখনোই তোমাকে অকালে ঝরে যেতে দিতাম না।
তোমার কাছে আরো অনেক পথ খোলা ছিলো। কিন্তু তুমি সঠিক ডিরেকশনটা সঠিক সময়ে পাওনি। এটাই সবচেয়ে বেদনাদায়ক। বেদনাদায়ক তোমার মৃত্যু।
##
তাই আত্মহত্যা কোন সমাধান হতে পারে না।বরং প্রতিকূলতা কে টেক্কা দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। যদি সকলের মত উচু দরের না হতে পারেন সমস্যা নেই।নিজের নিম্ন দর নিয়ে খুশি থাকেন। আর উচু দরে উঠার জন্য চেষ্টা করতে থাকুন।
মনে রাখবেন, জীবন একটাই।এর কোন ডেমো ভার্সন অথবা এক্সট্রা ভার্সন পাবেন না। জীবনের মূল্য টা বুঝুন।আর আত্মহত্যার মত কোন বাজে চিন্তা মাথায় এলে অবশ্যই ঝেরে ফেলুন।
"Remain calm when a storm hits your life and remember, the sun never too far away."

শনিবার, ৩০ মে, ২০১৫

  • ১:১২:০০ PM
আলোচনা ও সমালোচনাঃ

বাংলা ভাষায় এ দু'টি শব্দ বেশ জনপ্রিয় । এবং প্রায় কথায় কথায় এই শব্দ দু'টি আমরা ব্যবহার করে থাকি।
কিন্তু শব্দ দু'টির ব্যবহারের আগে এর অর্থ এবং সংগাটা জেনে নেয়া দরকার। তাছাড়া শব্দ দু'টি কিভাবে প্রভাব বিস্তার করে তাও জেনে নেই, কি বলেন?
(বি দ্র. বিভিন্ন জনের সঙ্গার মধ্যে কিছুটা  তারতম্য থাকতে পারে।)
#১
আলোচনাঃ
"আলোচনার" ইংরেজি প্রতিশব্দ "Discussion"। ইংরেজিতে Discussion বলতে বুঝায়, "Conversation or debate concerning a particular topic" অথবা বলা যায়, "A text giving further details on a subject."
বাংলায় এর অর্থ করলে দাড়ায়, " কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর বিশদ কথোপকথন অথবা বিতর্ক"।
অর্থ্যাৎ "আলোচনা" শব্দটির সঙ্গা দিলে এভাবে দেয়া যেতে পারে," কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর  ইতিবাচক কথোপকথন যা ঐ বিষয়ের বিশদ তথ্য উপস্থাপন করে এবং বিষয়ের পক্ষে ও বিপক্ষে মত প্রকাশ করে।"
উৎসঃ বাঙালি ও বাংলা, Article
আচ্ছা, আলোচনা শব্দটি সম্পর্কে একটা ধারনা হলো , এবার আসি "সমালোচনা" কি তা নিয়ে।
(আলোচনা'র প্রভাব সম্পর্কে পরবর্তীতে আলোচনা করবো।)
সমালোচনাঃ এর ইংরেজি প্রতিশব্দ "Criticism" যার অর্থ দাড়ায়,"A critical judgment passed or expressed on a topic." অথবা বলা যায়, "A critical observation or detailed examination and review on a subject."
বাংলায় যাকে বলা হয়, চুলচেরা বিশ্লেষণ(বিশেষ করে বিষয়ের নেতিবাচক দিক এবং এর প্রভাবের সাথে সাথে উত্তরণের উপায়  নিয়ে যে  বিশ্লেষনী মন্তব্য করা হয়।)
ইংরেজি সংগা ছেড়ে  বাংলায় বাংলায় সঙ্গায়িত করা যায় এভাবে,
" কোন বিষয়ের উপর চুলচেরা বিশ্লেষণ, বিশেষ করে বিষয়ের ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দিকের(নেতিবাচক বিষয় অত্যাধিক গুরুত্ব পায়) উপর গভীর পর্যবেক্ষণমূলক  আলোচনা, যা বিষয়টির পর্যবেক্ষণকৃত অংশ নিয়ে বিশদ আলোচনাসহ মন্তব্য প্রকাশ করে।"
এই হলো আলোচনা ও সমালোচনা। এবার এই দুটি শব্দের প্রভাব এবং কোনটি বিষয়কে বেশি প্রভাবান্বিত করে তা নিয়ে ছোট্ট কয়েকটা কথা বলি। মূলত এই কথাগুলো বলার জন্যই উপরের ওইসব অযাচিত আলোচনা করা হলো।
বিগত কয়েকদিন যাবৎ চেতনায় চাটমোহরে আমরা অনেকেই বিভিন্ন গণ মাধ্যমের বিশেষ করে স্থানীয় গনমাধ্যম নিয়ে বেশ কয়েকটা পোষ্ট দেখেছি। সেখানে গনমাধ্যমকে আমরা কিভাবে দেখতে চাই, আর কেন সেভাবে দেখতে পাবো না,  তাই নিয়ে বিশদ আলোচনা এবং সেই সব সংবাদ মাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা করা হয়েছে। তাদের ভুল গুলো যা দৃষ্টি কটু লাগে তা নিয়েও কথা হয়েছে।
আর এতে ওই সব সংবাদ মাধ্যমের কর্মীগন চড়াও হয়েছেন আলোচনাকারী ও সমালোচনাকারীদের উপর। অনেক কে আবার ডাইরেক্টলি অথবা ইনডাইরেক্টলি এসব সমালোচনায় যেতে,মন্তব্য করতে নিষেধ করা হয়েছে।কিংবা চাপ দেয়া হচ্ছে।
এবার প্রশ্ন হলো,  এই সমালোচনাতে সেই সব সংবাদ মাধ্যমের লাভ হয় না ক্ষতি হয়?
তার আগে বলে নেই। আমরা চাটমোহরবাসী কখনোই চাইনা যে,আমাদের মিডিয়াগুলো অন্যদের কাছে হাসির পাত্র হোক। অনলাইনে শুধুমাত্র আমাদের  চাটমোহরের মানুষ খবরটি দেখবেন, আর অন্য কেউ দেখবেন না,তা তো নয়!
তাহলে?
যদি একটা সংবাদে হাজারো ভুল থাকে তবে কি তা মানুষ গ্রহন করবে? করবে না।বরং ছি ছি করবে সেটাই স্বাভাবিক।
আর সেই ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা , সমালোচনা না করলে এসব ভুল গুলো কি সংশোধন হবে?হবে না।হয় না।
সমালোচনা না হলে ওই ভুলটা আমরা এড়িয়ে যাই।তখন দায়ী ব্যক্তি দায়সারা কাজ করবেন। আর সেই সমালোচনা যদি নিজেরাই করি,নিজেদের ভুল গুলো নিয়ে তবে  কি সংবাদমাধ্যম গুলো উল্টো আমাদের উপর প্রতিশোধ নেয়ার পথ খুঁজবেন?
তবে সেই পথ খুঁজার আগে অন্তত মনে রাখবেন, কোন ভুল/খারাপ কাজ নিয়ে আলোচনার চেয়ে সমালোচনা বেশি হয়।
আর বড় কথা হলো,
জবাবদিহিতা না থাকলে তার আউটপুট কখনো ভালো হয় না।।
এবার আসি আলোচনা ও সমালোচনার প্রভাব নিয়ে।
মনে রাখা দরকার যে কোন বিষয়ের উপর আলোচনা বা সমালোচনা সেই বিষয়ের ক্ষতির চেয়ে লাভ করিয়ে দেয় বেশি।
উদাহরন সরূপঃ
নতুন একটা সিনেমা রিলিজ হলো, যেমন ধরুন PK. এবার সমালোচক গণ pk কে ধুয়ে মুছে  শেষ করে দিলেন আমীর খানের রেডিও হাতে জন্মদিনের পোশাক পড়ার দৃশ্য নিয়ে।ফলাফল সরূপ pk এর তেমন কিছুই হয়নি,সামান্য সংশোধন কিন্তু এই সমালোচনা পাবলিক ইন্টারেস্ট বহুগুণ বৃদ্ধি করলো। ফলাফল সরূপ সিনেমা হল হাউজফুল।Pk ব্যবসা সফল ছবি।।
আমি জানি,জ্ঞানীর জন্য ঈশারাই যথেষ্ট। এখন দেখবার বিষয়,আমাদের স্থানীয় গনমাধ্যম গুলো আমাদের আলোচনা, সমালোচনা কে কিভাবে নেন!!
[[আমার বিশ্বাস গত কয়েক দিনে আমাদের স্থানীয় পত্রিকার টি আর পি অনেক বেড়ে গেছে।
And obviously its only for those criticism last few days we have in Chetonay Chatmohar.]]

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৫

  • ২:৪০:০০ PM
ইস!  সিদ্ধান্ত টা যদি সঠিক হত!
**********----****************
কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট নিয়ে ঘাটাঘাটি আমার একরকম নেশা। ২০০৩/৪ সালে প্রথম যখন হাতে মোবাইল আসে ঠিক তখন থেকে এই ঘাটাঘাটি বেশ নিয়িমিত। আমার মোবাইল টিপাটিপি দেখে বাবা বলত,"এত টিপলে মোবাইল দুই দিনও টিকবে না"।আর বুঝতেই পারছেন তো যে,২০০২-০৩ সালে মোবাইল কত আকাঙ্খিত একটা বস্তু ছিল সবার কাছে।
সে সময় ৫-৭ টাকা/মিনিট কথা বলতে হত বিভিন্ন দোকানে গিয়ে গিয়ে।তাও তার সাথে ছিল এন্টিনা লাগানো! সারা পাড়ায় ঘুরলে দু একজনের কাছে মোবাইল পাওয়া যেত।আর কারো হাতে যদি ক্যামেরা মোবাইল থাকত, তবে তো কথাই নেই! ভাবটাই অন্যরকম।
আমার বাবার হাতে প্রথম মোবাইল নোকিয়া ৩৩১৫ মডেল।আর আমার হাতে এলো ৬৬১০ মডেল।ক্যামেরা ফোন।স্বভাবতই ভাবটা বেশ বেড়ে গেল।আর তাই টিপাটিপিও চলছিলো বেশ রমরমা।ওই যে বললাম,আমার টিপাটিপি দেখে বাবা বলত,বেশি টিপলে ফোন নষ্ট হয়ে যাবে।আর আমি বাবা কে বলতাম,"যত টিপবেন তত শিখবেন।"
আর তাই ইচ্ছা মত টিপতে টিপতে একসময় পরিচয় হলো Google এর সাথে। বেশ কিছু দিন পরে
Muhammad Sumon Molla Selim ভাইয়ের friendsbd.net এর মত ফোরাম সাইটের সাথে।
তারপর থেকে চলছে তো চলছেই।
২০০৫/৬ সাল নাগাদ কম্পিউটারের সাথে হলো প্রাথমিক পরিচয়।ভয়ে ভয়ে কম্পিউটারের কী-বোর্ড আর মাউসে হাত পড়ল।তারপর আবার সেই টিপাটিপি। ইচ্ছা মত,যত খুশি টিপতে থাকো। কম্পিউটার আর ইন্টারনেট সেদিন থেকেই আমার খুব পছন্দের বিষয়।
মনে মনে ভাবলাম,পরবর্তীতে কম্পিউটার নিয়ে পড়াশোনা করবো। এস এস সি পরীক্ষার পর রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এ কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজি তে চান্স পেলাম।কিন্তু পাড়া-প্রতিবেশী এক ডিপ্লোমা ধারী চাচার পরামর্শে, আর বাবা অমত করায় দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়লাম। আসলে সেই মুহুর্তে সঠিক ডিসিশন টা নেয়া আমার একার পক্ষে সম্ভব ছিলো না।আর তাই নিজের নেশার জায়গা ছেড়ে এইচ এস সি তে ভর্তি হলাম।সেই সাথে সাথে আমার জীবনের রং রুটে চলার শুরু হলো। নিজের ভালো লাগার বিষয় ছেড়ে আমি হয়ে গেলাম যাযাবর। যা আজো আমাকে ভুগাচ্ছে নির্মম ভাবে।
যাই হোক,
২০০৯ সালের শেষ দিকে পারসনাল কম্পিউটার পেলাম। পারসোনাল কম্পিউটার মানে স্বাধীনতার চরম সীমা।নিজের ভালো লাগা কে আরেকবার কাছে পাওয়ার চেষ্টা করলাম। আগের চেয়ে বেশি ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি শুরু হলো, শুরু হলো নতুন নতুন বিষয়ের সাথে পরিচয়। Google কে আগেই জানতাম, তার সাথে যুক্ত হলো Facebook,Blog,You Tube,G+, ইত্যাদি। কিন্তু কম্পিউটার ও ইন্টারনেট নিয়ে যে স্বপ্ন ছিলো তা অধরাই থেকে গেলো প্রয়োজনীয় সুযোগ আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে।যা আজও চলছে।
তবুও কেন জানি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবজেক্টস এর চেয়ে কম্পিউটারের নেশাই আমার প্রবল।হয়ত আজ যদি টেকনোলজি নিয়ে পড়ালেখা করতাম তবে এগিয়ে যেতে পারতাম অনেক দূর।
কিন্তু আমাদের দেশে সে সুযোগ নেই, যে যা পড়তে বা করতে ভালবাসে,  তাকে তাই নিয়ে পড়তে দেয়া বা পড়ার সুযোগ সৃষ্টির। আর যদিও বা দু একটা জায়গায় সে সুযোগ থাকে, সেখানে মধ্যবিত্ত বা আমাদের মত ছেলে মেয়েদের প্রবেশ দূরহ।
আর তাই তো, আইন নিয়ে পড়ে হয়ত স্বপ্ন দেখি ব্যাংকের চাকরির,কিংবা ইতিহাস পড়ে কোন সরকারী দপ্তরে হিসাব রক্ষকের!!
আজ খুব ইচ্ছে করে নতুন করে জীবনটাতে শুরু করতে।ঠিক প্রথম থেকে।।

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৫

  • ৯:৫৬:০০ AM
সমগ্র ভাবে কোন সম্প্রদায় কে দায় করার আগে একবার ভাবুন।সবই ভালো কিন্তু অতিরিক্ত কিছুই ভালো না।
যারা মুসলমানদের ইচ্ছে মত তুলোধনা করছেন তাদের জন্য বলছি,
বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। এই সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। মুসলমান রা জঙ্গি, মুসলমানরা রক্ষনশীল, গোঁয়ার,হত্যাকারী ইত্যাদি শব্দ যারা ব্যবহার করছেন তাদের পারিপার্শ্বিক, বহির্বিশ্বের অন্যান্য ধর্মীয় গোঁয়ার, রক্ষনশীল, জঙ্গি, হত্যাকারী সম্প্রদায় সম্পর্কে হয় জানার ঘাটতি আছে, না হয় জেনেও না জানার ভান করেন কিংবা চোখ বন্ধ করে আছেন।।
কোন মুক্তমনা কে দেখলাম না যে, কোন দেশে মুসলমানরা নির্যাতিত,অত্যাচারিত, বঞ্চিত হলে মুখ দিয়ে টু শব্দ করেন।বরং কিভাবে জাতিগত বিভেদ সৃষ্টি করে আমাদের এই সোনার বাংলাকে মৃত্যুপুরী করা যায় তাই নিয়ে মত্ত তারা।
আপনি ইতিহাস জানেন না, অথবা ইতিহাসের সেই পাতাটা আগে ভাগে উল্টিয়ে পড়েন যেখানে অন্য জাতি কর্তৃক মুসলমানরা নিপীড়িত, বঞ্চিত,শোষিত হচ্ছে।
আপনি ইসরাইলী দের অহেতুক হামলায় লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনী মুসলমানদের মৃত্যুর খবর রাখেন না।আপনি বসনিয়ার সংখ্যালঘু মুসলমানদের ভিটা মাটি ছাড়ার খবর রাখেন না,আপনি ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দেয়া বোঝার খবর রাখেন না,আপনি মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত, অমানুষিক, নির্মম,পশুচিত অত্যাচারের খবর রাখেন না!
আপনি শুধু মুসলমানদের জঙ্গি হওয়ার কথা জানেন,আপনি জানেন তাদের রক্ষনশীল মনোভাবের কথা।
কিন্তু আপনার প্রতিবেশি ভারতের হিন্দুত্ববাদ নিয়ে কোন কথা উঠাতে দিবেন না।আপনি ১৯৯২ এর হিন্দু -মুসলিম দাঙ্গা ভুলে গেছেন, বাবরী মসজিদের সাথে সাথে।কারন সেগুলো কখনো উগ্রবাদ ছিলো না। বাহ!  খুব ভালো।
এবার আমাকে হয়ত বলবেন আমি চরম রক্ষনশীল, উগ্র মুসলমান।  আমি কসম কেটে বলছি, আমি শুধুই মুসলমান। এবং একজন মুসলমান যে নিজ ধর্মের ব্যাপারে আপনাদের মতই রক্ষনশীল, সেনসিটিভ।
কিন্তু আমি আপনাদের মত অন্ধ নই।আমি আপনাদের মত এক চোখা নই।
বিশ্বের যে ২৮/২৯ টি সংখ্যালঘু মুসলমান দেশ আছে সে সম্পর্কে জানুন,পড়ুন তারপর বিচার করুন।সেই সাথে আমিও বিচার করি বাকি মুসলিম প্রধান দেশের সুংখ্যা লঘু অন্যান্যদের নিয়ে।
যারা মুসলমান কর্তৃক অত্যাচারীত হচ্ছে। আমি তাদের তীব্র ঘৃণা করি।আমি তাদের দলে নই।
আমি মুসলমান কিন্তু হত্যাকারীদের দলে নই।যারা বিপথে গেছে তাদের চরম ঘৃনা করি কিন্তু আমি যখন অত্যাচারিত তখন তীব্র প্রতিবাদ করি।যেভাবে আপনি করেন বা করবেন।।
আমি কমেন্ট এ একটা লিংক দিলাম।পারলে পড়বেন।
Link  গুলো দেয়ার মানে হলো, অন্তত আপনি নিজে একটু পরে দেখুন,জানুন এবং বুঝুন।
তারপর বলেন,আমরা এই দেশে এখনো ভালো আছি কি না?
এখনো সম্প্রীতি আছে কি না?
যদি থেকেই থাকে তবে কেন আরো উত্তেজনা বাড়াচ্ছেন? কেন সেটা কে নষ্ট করছেন?
এর জন্য দায়ী কারা হবে?
নিশ্চয়ই আমি বা আমরা,আপনারা।
আর এখন থেকে আমিও মুক্ত মনা।
আমার যা খুশি তাই লিখবো। দেখি কারা কারা তার প্রতিবাদ করে আর কারা কারা তার সামর্থন।
Article by: smharun


Contact me

সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০১৫

  • ৪:২৬:০০ PM
বাংলাদেশ ও সাম্প্রদায়িকতাঃ
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিচ্ছে কারা?
গভীর ভাবে উপলব্ধি করার বিষয়। সম্পুর্ন লেখাটা পড়ুন। তারপর পাঁচ মিনিট ভেবে দেখুন,
কথাটা ঠিক কি না!
উপরের প্রশ্নটা আমি আমাকেই জিজ্ঞাসা করলাম।আসলেই তো, কে বা কারা এটাকে উস্কে দিচ্ছে? আসলে কারা এর জন্য দায়ী??
উত্তরঃ আমরা নিজেরাই
আগে বুঝি সাম্রদায়িকতা কি?
কোন নির্দিষ্ট সংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য ধারী জনগোষ্ঠী যারা মূলত নিজেরা স্ব স্ব পরিমন্ডলে ভাষা,সংস্কৃতি,নৃ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য , ধর্ম বা অন্য কোন ভাবে সংঘবদ্ধ এবং অন্য ভাষা ভাষী,সংস্কৃতি, ধর্ম বা নৃ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন দের হতে নিজেদের স্বতন্ত্র ভাবে তাদের সেই গোষ্ঠীগত ভাবনাই হলো সাম্প্রদায়িকতা ।
উদাহরন সরূপঃ
বাংলা ভাষা ভাষী জনগোষ্ঠী বাঙালি সাংস্কৃতিক  বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন এবং তারা বিশ্বের অন্যান্য ভাষাভাষী গোষ্ঠী হতে আলাদা।সেক্ষেত্রে বৈশ্বিক ভাষা গোষ্ঠীর বিচারে বাঙালি সম্প্রদায়। কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এটাকে আলাদা ভাবে বাঙালি সম্প্রদায় বলতে কোন শব্দ নেই। কারন বাংলাদেশের সকল মানুষের ভাষা হলো বাংলা। তাই বৃহত্তর বা বৈশ্বিক পরিমন্ডলে বাংলা ভাষা-ভাষী জনগোষ্ঠী কে বাঙালি সম্প্রদায় বলা যায়।
আবার বাংলাদেশের মধ্যে চাকমা,রাখাইন,সাঁওতাল প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর বাঙালি পরিচয়ের বাহিরে আরো একটা নৃ-তাত্ত্বিক পরিচয় রয়েছে। সেক্ষেত্রে তাদের সেই সাংস্কৃতিক বা ভাষাগত বৈশিষ্ট্যজনিত কারনে ভিন্ন সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
যেমনঃ রাখাইন সম্প্রদায়, সাঁওতাল কিংবা চাঁকমা সম্প্রদায় ইত্যাদি।
তাহলে কিভাবে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার জন্ম হচ্ছে?
উপরে উল্লেখিত বিষয়টি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন নিশ্চয়ই।
চাকমা হোক আর সাঁওতাল হোক,রাখাইন কিংবা খাসিয়া যাই হোক, সবাই যেহেতু বাংলাদেশি এবং বাংলা ভাষা তাদেরও ভাষা সেক্ষেত্রে তারা শুধুই বাঙালি কিংবা শুধুই বাংলাদেশি।
যখনই তাদের আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা হবে, আলাদা চোখে দেখা হবে তখনই জন্ম নেয় সাম্রদায়িকতার। আর সেই সাম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনাই একই দেশের মধ্যে, অভিন্ন জাতি সত্ত্বার মধ্যেও বৈসম্যের বীজ বোপন করে, তৈরি হয় সাম্প্রদায়িকতা।
তাহলে কি করা উচিত আমাদের? 
আমাদের উচিত, বাংলাদেশে বসবাসরত সকল নাগরিককে সমান চোখে দেখা এবং সমান সন্মান দেয়া। আর এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখেন "রাজনৈতিক হর্তা-কর্তা" গণ। কারন তাদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষ শুনেন বা মিডিয়ার কল্যানে দেখেন। তাই সেই সকল ব্যক্তি গণ যদি কোনভাবে সাম্প্রদায়িক কথা একবার বের করেন অথবা বৈষম্য মূলক আচরন দেখান তখনই সাম্প্রদায়িকতা উস্কে যায়!
তার বড় প্রমাণ গত ২০০৯-২০১৪ সালের মধ্যে আস্তিক-নাস্তিক, রাজাকার-দেশপ্রেমিক প্রভৃতির উত্থান।  যাকে নির্দিষ্ট করে বললে বলতে হবে,
"আস্তিক সম্প্রদায়","নাস্তিক সম্প্রদায় ","রাজাকা সম্প্রদায়" কিংবা "দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা সম্প্রদায়"।
এসব সম্প্রদায় তৈরির মেশিন বাংলাদেশের বৃহত্তর কতিপয় রাজনৈতিক দলের বড় বড় রাজনীতিবিদ গণ। আর ইতাহাসে এটাই বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বোপনের প্রথম এবং প্রধান কারণ হিসেবেই ভবিষ্যতে চিহ্নিত হবে।
সম্প্রদায় এবং সাম্প্রসায়িকতার ধরনঃ
আগেই বলেছি, সম্প্রদায় হলো নির্দিষ্ট কিছু সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর একটি সংঘ।যারা ভাষা কিংবা সংস্কৃতি, ধর্ম কিংবা নৃ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে স্ব স্ব গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য সাধনে সংঘবদ্ধ। তাই সাম্প্রদায়িকতা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
সেটা হতে পারে ভাষাগত সাম্প্রদায়িকতা কিংবা ধর্মীয় কিংবা নৃ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগত সাম্প্রদায়িকতা। যেহেতু ভাষা গত এবং নৃ-তাত্ত্বিক সাম্প্রদায়িকতা সম্পর্কে দু একটি কথা আগেই বলেছি তাই আর পুনঃ ব্যক্ত করতে চাই না। বরং বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে সাম্প্রদায়িকতা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে তা নিয়েই আলোচনা করে শেষ করি। যদিও আমি মূলত কি বোঝাতে চেয়েছি তার ইঙ্গিত ইতোমধ্যে দিয়েছি।।
বাংলাদেশ ও বর্তমান সাম্প্রদায়িকতার সরূপঃ
একটু ভালো ভাবে খেয়াল করুন।গত চার পাঁচ বছর পেছনে যান এবং ধীরে ধীরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু গুলো মনে করার চেষ্টা করুন। কি পেলেন? কিছু পেয়েছেন?
আচ্ছা, না পেলেও সমস্যা নেই।আমিই ধীরে ধীরে সব বলছি।শুধু ধৈর্য্য ধরে আপনি পড়তে পারলেই হয়!
ব্যাক টু ২০০৯ -২০১৩(সার সংক্ষেপঃ)
একটা অসাধারণ নির্বাচন হলো। ফকরুদ্দিন আর মইনুদ্দিন সাহেব একটা আমুল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিলেন শাসন ব্যবস্থায়।  অতঃপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিপুল ভোটে, দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে আওয়ামী নেতৃত্বাধীন চৌদ্দ দলীয় জোট বিপুল সমারোহে সিংহাসন দখল করল।
আর তারই কিছু দিন পর ২৩/২৪ ফেব্রুয়ারি বি ডি আর বিদ্রোহের মধ্য দিয়ে শুরু হলো নতুন এক কালো অধ্যায়।  সরকার প্রধান অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রাথমিক ধকল কাটিয়ে উঠলেন ঠিকই কিন্তু তারপর একের পর এক নতুন নতুন ইস্যুর জন্ম হতে থাকল।
তাতে অবশ্য বেসরকারি চ্যানেল গুলোর টি আর পি এবং চায়ের কাপে ঝড় তুলে টক শো শুরু হলো টিভি স্টুডিও থেকে অজপাড়াগায়ের সিডি'র হলেও।
সেই ইস্যু গুলোর টক মিষ্টি শো গুলো আবার জন্ম দিলো নতুন কিছু ইস্যুর। আর সাম্প্রদায়িকতার নগ্ন গোড়াপত্তন শুরু হলো তখন থেকেই।
তবে যেসব ইস্যু এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রেখেছে তার মধ্যে
১। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং সেক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব।
২। রাজাকার আর মুক্তি যোদ্ধা। (যেখানে একজন বীর উত্তম কেও রাজাকার আখ্যায়িত করা হয়েছিলো।)
৩। যুদ্ধাপরাধীদের স্বপক্ষের আর বিপক্ষের শক্তি।(অক্ষ শক্তি আর মিত্র শক্তি)
৪।  গণ জাগরন মঞ্চ
৫। আস্তিক নাস্তিক তত্ত্ব।
৬। তেতুল তত্ত্ব এবং ৫ মে এর হেপাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচি ও তাতে অস্বচ্ছ হস্তক্ষেপ।
এবার আসি এসবের কি প্রভাব পড়েছিলো এবং কিভাবে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার নগ্ন সূচনা হলোঃ
বাংলাদেশের আজ প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা।ধর্মীয় উগ্রবাদীতা,মৌলবাস বা বিভিন্ন জন বিভিন্ন ভাবে আখ্যায়িত করে থাকেন একে।
যাই হোক, বাংলাদেশে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে বলার আগে একটু জেনে নেই, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা কি এবং কেন?
আমি আগেই সাম্প্রদায়িকতার একটী সঙ্গা দিয়েছি।এবার শুধু তাতে একটা বিষয় যুক্ত করতে হবে। আর তা হলোঃ ধর্ম
ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা বলতে তাই কোন নির্দিষ্ট ধর্মীয় চেতনা সম্পন্ন গোষ্ঠীর সাথে অন্য একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর সুস্পষ্ট মত পার্থক্য এবং তার উপর ভিত্তি করে যে ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে তাকে বুঝায়।
যেমনঃ
কোন একটি দেশে একই সাথে কয়েকটি ধর্মীয় সম্প্রদায় এর বসবাস থাকতে পারে।কিন্তু তাই বলে যদি কোন ধর্মীয় গোষ্ঠী(লঘিষ্ঠ কিংবা গরিষ্ঠ) অন্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর ধর্মীয় চেতনায় আঘাত হানে বা বৈষম্যর স্বীকার হয় তবে তা ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা।
এবার বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার কারণ এবং উত্তরোত্তর বৃদ্ধির কারন কি তা বুঝিঃ
বিশ্বের প্রতিটি দেশে কমবেশি সাম্প্রদায়িকতার ছোয়া আছেই। ইংল্যান্ড, আমেরিকা কিংবা ইউরোপের যেসব দেশ ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলে সেসব দেশেও আনাচে কানাচে, কোথাও না কোথাও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতার নোংরা স্তুপ আছেই। পার্থক্য হলো, কিছু কিছু দেশের এই নোংরা সাম্প্রদায়িকতার স্তুপের গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পরে আর কিছু কিছু দেশ পারফিউম বা মাটি চাপা দিয়ে গন্ধ ঢেকে রাখে।
পার্শ্ববর্তী মায়ানমারে বৌদ্ধ ও মুসলমান দের সাম্প্রদায়িকতার ইতিহাস সুদীর্ঘ কালের। সেই এক হাজার খ্রীষ্টাব্দের কিছু আগে থেকে আজ পর্যন্ত সেখানে সংখ্যা লঘু রোহিঙ্গারা উৎপীড়নের স্বীকার হচ্ছে। চীনের উইঘুর কিংবা বলিভিয়া, কসোভো প্রভৃতি দেশে মুসলিমরা সেখানে অত্যাচারিত হচ্ছে।আবার আরব,ইরাক,পাকিস্থান,আফগানিস্থান, প্রভৃতি মুসলিম প্রধান দেশে অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায় বিভিন্নভাবে বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে।
কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস ছিলো অন্যরকম। বাংলাদেশে বরাবরই ধর্মীয় সহনশীলতা,সম্প্রীতি বিদ্যমান ছিল। সেটা '৪৭ কিংবা '৭১ এর পর হতে এই তো কিছু বছর আগ অবধি।
তখন কথায় কথায় আস্তিক-নাস্তিক, মালাউন কিংবা গোঁড়া, ইত্যাদি অপ্রীতিকর শব্দের ব্যবহার ছিলনা বললেই চলে। কিন্তু যেদিন থেকে বাংলাদেশে এই সব শব্দের প্রচলন শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই সম্প্রীতির ইতিহাস সাম্প্রদায়িকতায় বদল নিচ্ছে।
এর কারনঃ
১। যুদ্ধাপরাধী দের বিচারে এক তরফা ভাবে একই গোষ্ঠীর কিছু মানুষ কে অপরাধী সাব্যস্ত করা।
২। মুসলমান বা টুপি পড়া মোল্লা মুসল্লিদের একাধারে জঙ্গি, মৌলবাদী, যুদ্ধাপরাধী বলা কিংবা ইন্ডিকেট করা।
৩। মুসলমান কিছু পথভ্রষ্ট দের উগ্রতাবাদী চিন্তা চেতনা।
৪। ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একে অন্যকে ধর্মীয় চেতনায় আঘাত দেয়া।
৫। ধর্মীয় বাণী,মহাপুরুষ দের নিয়ে কটুক্তি কিংবা কিছু উচ্চাভিলাষী মানুষের মধ্যে অন্য ধর্মকে আঘাত দিয়ে বক্তব্য,লেখনি ইত্যাদি।
৬। ধর্মীয় কোন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি অত্যধিক অনুকম্পা এবং
৭। ধর্মীয় অনুভুতি তে যারা আঘাত দেয় তাদের প্রকাশ্যে কিংবা আড়ালে লালন করা এবং প্রশ্রয় দেয়া।
৮। সোস্যাল মিডিয়া বিশেষ করে ব্লগ এবং ফেসবুকে নিরর্থক ধর্মীয় বাড়াবাড়ি  ইত্যাদি।
এসব কতিপয় কিছু কারন। এর সাথে সাথে মিডিয়া এবং এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনা এই সাম্প্রদায়িকতা কে আরো উস্কে দিচ্ছে।
কিন্তু এত কিছুর পরও একটা সমাধান হলো, 
আপনারা কেউ অন্যের ধর্মকে আঘাত দিয়ে কিছু লিখবেন কিংবা বলবেন না।
ধর্মের অনুভুতি টা সব ধর্মাবলম্বীর কাছে একই রকম। আপনারা অন্যের ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করলে তারাও আপনার বিরুদ্ধে করবে এটাই স্বাভাবিক। তাই নিজে বিরত থাকুন, অন্যকে বিরত রাখুন এবং যার যার ধর্ম,যার যার বিশ্বাস সে সে পালন করুন।
দেখবেন বাংলাদেশ আবারো সাম্প্রদায়িক সম্প্রোতির দেশ হয়ে উঠবে।হয়ে উঠবে একটি সোনার বাংলা।।
শেষ কথাঃ
আপনি যাই হোন না কেন এটা মনে রাখবেন,
"বাংলাদেশ কখনো সম্পুর্ন  ধর্মীয় রাষ্ট্র বা ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হবে না।আর এর যে কোন একটি তে রুপান্তরিত করতে চাইলে অবশ্যই এ দেশ সুদান এর মত কিছু একটা হবে

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৫

  • ৭:২২:০০ PM
মানুষ বিরহ,বেদনা আর দুঃখগুলোকে যত সুন্দর ভাবে, কাব্যিক ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে,আমার মনে হয়, সুখ গুলো কে,হাসি গুলো কে ঠিক সেভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে না!
এর পেছনে কোন সায়িন্টিফিক ব্যাখ্যা আছে কিনা জানি না।আর ব্যাখ্যা খুঁজতেও যাই নি।তবে কারো যদি এর কারন জানা থাকে তবে জানাবেন।
সম্ভবত প্রায় তিনশ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে গ্রিক দার্শনিক এপিকিউরাস যখন তার ভোগবাদী (Epicurism) দর্শন দিয়ে ব্যাখ্যা করলেন যে, মানুষের মৌল আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে সুখ লাভ এবং দুঃখ কে পরিহার করা তখন আমার মত তার কিছু শিষ্য তার মতবাদের উল্টো ব্যাখ্যা দাড় করালেন।বেচারা এপিকিউরাস চেয়েছিলেন মানুষ কে দুঃখ এবং ব্যক্তিগত ও ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য সুখ পরিহার করে অধিকতর ভালো পদ্ধতি তে মানুষিক সুখ লাভের পথ বাতলে দিতে কিন্তু আমরা তার পদ্ধতি টা নিজেদের মত করে দাড় করালাম। আর বুঝালাম যে," ব্যক্তিগত আর ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য সুখ লাভ ছাড়া মানুষিক সুখ লাভ করা যায় না! "
আর তারই ফলশ্রুতি তে আমরা নিজেরাই নিজেদের সাথে ছলনা করতে শুরু করলাম।
মিথ্যে সুখের পেছনে ছুটতে ছুটতে সুখের সঙ্গাই ভুলে গেলাম। আর তখনই নিজেদের ব্যক্তিগত কিংবা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তথাকথিত কোন সুখের একটু হেরফের হলেই কাব্যে,কলমে দুঃখের বন্যা বয়ে যেতে থাকে। কিন্তু সুখ কে চিহ্নিত করার কোন ভাষা খুঁজে পাই না!!
কি আশ্চার্যই না ব্যাপার!  আমরা কত সহজে দুঃখকে আপন করে নেই,হৃদয়ের সিংহাসনে বসাই, প্রয়োজনে হৃৎপিন্ডটাও কেটে রেখে দেই তার জন্য, কিন্তু সুখের জন্য সমবেদনার ভাষা খুঁজে পাইনা। কিংবা সুখের ছোঁয়া পাওয়া মাত্রই কলমের কালি শেষ হয়ে যায় অথবা মোবাইল কিপ্যাডের "সুখ" শব্দটা লেখার মত চার্জটুকুও!!!

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০১৫

  • ৮:৫১:০০ PM
অবাক বাঙালি!
★-----------------------★
সময়ের কন্ঠস্বর নামে এক অনলাইন পত্রিকার নিউজ দেখে মর্মাহত হলাম।তবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেলাম মন্তব্য গুলো পড়ে।
নিউজে বলা হয়েছে, "বিবাহিত পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক করায় প্রাকাশ্য দিবালোকে জনসম্মুখে এক নারীকে বিবস্ত্র করে চারজন নারী মিলে প্রহার করেছে।"
আর সেই নিউজে সবার কমেন্ট পড়ে মনে হলো,আমি বোধহয় সব বিবেকহীন মানুষের মধ্যে আছি।
অমানবিক। প্রকাশ্যে একজনকে এভাবে লাঞ্চিত করা উচিত হয় নি।এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।আর যেসব মেয়ে অভিযুক্তের(যদিও ঘটনার কারন সম্পর্কে আমার সংশয় আছে) সাথে এমন আচরন করল তাদের পোশাক আশাক দেখে বলতেই হবে এরা হয়ত ব্যক্তিগত আক্রোশ মিটানোরর জন্য এই হীন কাজ করেছে।নয়ত, তারা যদি বলে ইসলামে ব্যভিচার অপরাধ তাই ইসলামী মন মাইন্ড থেকে এই শাস্তি দেয়া হলো , তবে বলব তারাও ইসলামের আইন লঙ্ঘন করেছে।।
মাথায় স্কার্ব পরলেও তারা যে কেমন ইসলামী মাইন্ডেড তা তাদের আটশাট প্যান্টই বলে দিচ্ছে।ইসলাম কি এই পোশাকে তাদের বাহিরে বের হওয়ার অনুমতি দেয়??নাকি অন্যকে বিবস্ত্র করে পিটানোর অনুমতি দেয়?
দেয় না।
কিন্তু তারপরেও আমরা মেনে নিতে পারি।মেনে নেই।কারন ইসলামই সকল খারাপ কাজে যেমন কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সেই সাথে প্রগতিশীলতাকেও সামর্থন করেছে।
আচ্ছা, মেয়েটি অপরাধ করেছে।তার জন্য অন্য কোন শাস্তি হতে পারে কিন্তু বিবস্ত্র করে রাস্তার মাঝখানে পিটানো কোনভাবেই সামর্থন যোগ্য না।অন্তত বিবেকবান মানুষ হিসেবে কেউ এটার সামর্থন করতে পারে না।।সে অপরাধ করেছে তাকে ঘৃনা কর(আমি সামর্থন করি না)।তার সাথে মিশো না।কথা বল না।একঘরে করে দাও।তাকে অন্তর্জ্বালায় দগ্ধ হতে দাও।যেন সে নিজে থেকেই সব কিছু বুঝতে পারে।কিন্তু এভাবে শাস্তি দেয়া ঠিক হয়নি।
এখানে মানবতা চরমভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে।আর তাই দেখে অনেকেই মন্তব্য করেছে,"ঠিক,এটাই করা উচিত,উচিত বিচার" ইত্যাদি ইত্যাদি ।
যারা এই কথাগুলো বলেছে তাদের বলি,
আপনি নিজে ভালো তো?
আপনি নিজে কয়জনের সাথে এরকম নষ্টি-ফষ্টি করেছেন তার তো গ্যারান্টি নাই।
অন্য রে নিয়া খালি সমালোচনা করতে পারেন কিন্তু নিজে কখনো শুধরাবেন না। নিজে চালিয়েই যাবেন লীলা খেলা।।
আর বলবেন,আমার কোন দোষ নাই।আমি ভালো মানুষ।
আপনি যে কতটুকু ভালো তা আর কেউ না জানলে আপনি জানেন।
মনে রাখবেন, "বিবেকের দংশনের মত বড় শাস্তি আর নেই"।
অবাক বাঙালি। অবাক!!
ফটো কপিড ফ্রমঃ সময়ের কন্ঠস্বর
Writer information NILKANTO