:::: MENU ::::
  • slider image 1

    Take my hand, take my whole life too.

  • slider image 2

    I never want to live without you

  • slider image 3

    I am who I am because of you.

আত্মকথা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আত্মকথা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩

  • ১২:১০:০০ AM
এ সম্পর্কের কোন নাম দিও না। ধরে নাও, এ এক অজানা সম্পর্ক দুজনের মাঝে। পৃথিবী আর সূর্যের মত। 
দূরে থেকে একজন আলো দেয় আর অন্যজন বেঁচে থাকে। কিন্তু কেউ কাউকে ছুতে পারে না। যেখানে তোমাকে কেন্দ্র করে আমার অবিরত আবর্তন। আর নিজের অবস্থানে অবিরত ঘুরে ঘুরে দিশাহারা হই, ছুটে চলি তোমার একটু আলো পাবার আশায়।


ধরে নাও, এ সম্পর্ক আলো আর আধারের মত। কেউ কাউকে ছাড়া নই। আবার গোধূলি ছাড়া আমাদের মিলন হয়না কখনো। 

#নীলকান্ত





 
 

সোমবার, ২০ জুন, ২০১৬

  • ৩:৫৫:০০ PM
অবশেষে মা'কে বললাম,"মা,তোমার পুত্র বধু খোঁজ।"
মা আমার কথা বিশ্বাস করতে পারছিল না। অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল,"কেন? ওর সাথে কি রাগারাগি হয়েছে?"
মাকে বললাম, "না মা, রাগারাগি হয়নি।"
মা তবুও যেন বিশ্বাস করতে পারল না। আর কিভাবেই বা করবে! যে মেয়েটার জন্য এত কিছু সহ্য করলাম,যার জন্য জীবনটাকে ট্রেজেডি সিনেমা বানালাম, সেই মেয়েকে ছেড়ে অন্য কাউকে বিয়ে করব সেটা অবিশ্বাস্যই বটে!
মা তাই সত্য উদঘাটনের জন্য ওর নাম্বারে ফোন দিল।ফোন বন্ধ।
শেষ পর্যন্ত ঘুরে ফিরে ফোন টা আমার কাছেই এলো।
"হ্যালো মা,আসসালামু অলাইকুম। বল মা।" আমি ফোন রিসিভ করেই বললাম।
মা একটু অবাক হয়ে বলল,"এ নাম্বার তোর কাছে কেন? এটা তো আমার বৌমার কাছে থাকার কথা।"
মা'কে বললাম,"না মা,তুমি যে নাম্বারে ফোন দিয়েছ সেটা বোধহয় বন্ধ আছে।"
আমার মা খানিকটা চুপ থাকলেন।
তারপর বললেন,"সত্যিই কি ওর সাথে ব্রেক আপ হয়েছে?"
আমি আমার স্মার্ট মা'কে বুঝিয়ে বললাম,"মা,সব কিছু সব সময় সুখকর নাও হতে পারে। বিশেষ করে যদি তোমাদের পছন্দমত বিয়ে না করি তবে তো নয়ই।"
মা একটু দুঃখভরা হাসি হেসে বললেন,"কিন্তু তবুও।তোর পছন্দের ব্যাপারে তো আর না করিনি।"
মা'কে বললাম,"বাদ দাও তো মা। যে যাবে সে তার কপাল নিয়েই যাবে।কিন্তু এবার যে তোমাদের দায়িত্ব বেড়ে গেলো।এতদিন তো ফ্রি ছিলা।ছেলের বৌ খোঁজার টেনশন ছিলো না।
এবার সেই টেনশনটা তোমাদের উপরই ন্যস্ত করলাম!"
আমার হঠাৎ পরিবর্তন যে মা ভালভাবে নিতে পারছেন না তা বেশ বুঝতে পারছিলাম।তাই আরো ডিটেইলসে বললাম,
"মা,একটা মেয়ে দেখ।এতিম একটা মেয়ে।যার বাবা মা কেউ নেই।কোন ব্যাকগ্রাউন্ড নেই।কোন পিছুটান নেই।সেরকম একটা মেয়ে।"
"ও হ্যা,মেয়ে শ্যামলা হোক কিংবা ফর্সা হোক তাতে যায় আসেনা।মেয়ে অবশ্যই লম্বা, স্লিম এবং অশিক্ষিত কিংবা অল্প শিক্ষিত হতে হবে।"
মা আমার কথায় বাধা দিয়ে বললেন,"অল্প শিক্ষিত  কেন!"
আমি বললাম,"যেটুকু শিক্ষা বাকি থাকবে সেটুকু আমিই ওকে দিয়ে দেব।"
মা আমার কথার মানে বুঝলেন বলে মনে হয়না। তাই হুম বলে ফোনটা রেখে দিলেন।
তারপর দুদিন গেলো।মা হঠাৎ রাত দশটা নাগাদ ফোন দিলো।ফোন রিসিভ করে মাকে সালাম দিতেই মা উত্তর নিয়ে বলল,"একটা মেয়ে পাইছি।"
আমি তো অবাক! মা বলে কি এটা! দুই দিনেই মেয়ে জোগার করে ফেলল।তাও আবার বিয়ে করার জন্য!!!! কি করে সম্ভব।আমি তো এত তাড়াতাড়ি চাইনি। দু এক মাস দেরী হলেও কোন সমস্যা ছিল না। আর এত দিন জানতাম,প্রেম করার মেয়ে এভেইলেবল হলেও বিয়ের পাত্রী পাওয়া কঠিন।কিন্তু মা যে দু দিনেই পাত্রী যোগার করে ফেললেন!!
মা মেয়ের বর্ণনা করতে ব্যস্ত।মেয়ে প্রাইভেট মেডিক্যালে পড়ে,বাবা মা নেই,নানার বাড়িতে মানুষ, গায়ের রঙ ফর্সা, হাইট পাঁচ দুই,তোকে চেনে ইত্যাদি।তারপর যখন সারা গোষ্ঠীর পরিচয় বর্ণনা শেষ তখন আমাকে বলল,"কি রে, পছন্দ হইছে?"
আমি বললাম,হুম।খুব পছন্দ।কিন্তু আরো কিছুদিন দেরী করতে হবে যে!
মা আরো অবাক হয়ে বলল,"কেন?তুই তো বললি বিয়ে করবি।"
আমি বললাম,"করব।তবে এখনই যে করব তা তো বলিনি।আর দুই একটা মাস কি দেরী করা গেল না?"
মা আমার হাসতে হাসতে বলল,"ওই একই কথা।এখনই তো বিয়ে হচ্ছে না।"
আমি বললাম,"হবেও না।আর মেয়েটা তো বেশি শিক্ষিত!"
  • ৩:৪০:০০ PM
বাবা,
প্রথম যখন বুঝতে শিখলাম সম্পর্ক কি,তখন চার পাশে হাতড়ে তোমায় পাইনি।পরিবারে দাদা-দাদী,চাচা,ফুফুরা, মা সবাই ছিল শুধু তুমি ছিলে না।পরে জানলাম তুমি দেশের বাহিরে। চাকুরীর প্রয়োজনে হাজার হাজার মাইল দূরের অরন্য ঘেরা আফ্রিকায়। অবশ্য তখন ভূগোলের কোন ধারনা ছিল না আমার।না ছিল মাইল বা কিলোমিটারের ধারনা।শুধু জানতাম আফ্রিকা অনেক অনেক দূরে।  মাকে বলতাম,"মা,আফ্রিকা কত দূর?"
মা বলত, "অনেক অনেক দূরে। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে যেতে হয়।"
সমুদ্র বলতে এটা জানতাম যে এটা অনেক বড়।সমুদ্রের নাকি কোন শেষ নেই।তাই মনে মনে ভাবতাম,সমুদ্র পাড়ি দেবে কি করে? নিশ্চয়ই জাহাজে করে।জাহাজও নাকি অনেক বড়।সমুদ্রে চলে।
তাহলে তো জাহাজেই পাড়ি দেবে, তাই না মা?
মার কাছে অবাক হয়ে জানতে চাইতাম।
মা বলত, "না রে ব্যাটা, তোমার বাবা প্লেনে গেছে।"
প্লেন অবশ্য চিনতাম তখন।ওই যে মেঘের উপর দিয়ে শব্দ করে করে উড়ে যায় যে, সেটা। কিন্তু ছোট্ট প্লেনটা মাটিতে কি করে নামে জানা ছিল না। মাকে একদিন বললাম," মা,প্লেন কত বড়? মাটিতে নামে কি করে?"
আমার মা অর্ধশুক্ষিত হলেও ভূগোল আর আধুনিক দুনিয়ার অনেক কিছুই জানতেন। কিংবা তোমার চিঠি পড়ে পড়ে বর্ণনা করতেন প্লেন,প্লেনের ল্যান্ডিং কিভাবে হয়। মায়ের ভাষায় তখন প্লেন ছিল,"বড় বড় বাসের মত"।
কিংবা কখনো সখনো আমাদের চৌচালা ঘর দেখিয়ে বলতেন,"এই এত বড় তো বটেই।"
আমি প্লেন কে বাস কিংবা ঘরের মতই মনে করতাম।শুধু জানতাম,প্লেন বাসের মত সরক দিয়ে যায় না।যায় আকাশ দিয়ে উড়ে।
জানো বাবা,তারপর থেকে যখনি মাথার উপর দিয়ে প্লেন উড়ে যেত,কিংবা প্লেনের শব্দ পেতাম তখন দৌড়ে বাহিরে দাঁড়িয়ে হাত উচু করে ডাকতাম।
আর বলতাম,"ও প্লেনওয়ালা,আমার আব্বাকে নামায়া দিয়া যাও।"
কিন্তু প্লেনওয়ালারা আমার কথা শুনত না।আস্তে আস্তে মেঘের আড়ালে হারিয়ে যেত।আমি অপেক্ষায় থাকতাম,কবে আমার বাবা ফিরে আসবে!
এরপর যখন তুমি দেশে ফিরলে তখন আমি মহা খুশি। বিদেশ থেকে আনা টেন ব্যান্ডের রেডিও আর ইয়াশিকা ক্যামেরার ফ্লাশের সামনে সামনে থাকা যেন আমার নেশা হয়ে গেল।যেই ছবি উঠতে যাবে সেখানে রেডিও হাতে আমি আছিই। হা হা হা।
বাবা,মনে আছে এসব কথা?
যাই হোক,
তারপর ধীরে ধীরে বড় হলাম।স্কুলে গেলাম।লেখাপড়া শিখতে লাগলাম। তোমার সাথে ঘুরতে লাগলাম এক কর্মস্থল হতে অন্যথায়। এভাবেই বেশ যাচ্ছিল।এরপর একটা সময় এলো।তোমার দুষ্ট ছেলেটা তখন বেয়ারা প্রায়। আষ্টম শ্রেনী পাশ করলাম। সাথে সাথে যিদ আর রাগ যেন বেড়ে গেল।
বয়সের চেয়ে যেন সবকিছু বেশিই বুঝতে শিখলাম। তোমার কিংবা মায়ের অবাধ্য হতেও বাধল না। তোমার মনে একটার পর একটা কষ্ট দেয়া যেন নিয়মিত হয়ে গেল।শাসন করলে কিন্তু তা যেন আগুনে ঘি ছিটানোর মত ছিল তখন। তখন মনে হত,আমিই ঠিক বাকি সব ভুল।আর তাই একের পর এক কষ্ট দিতে এতটুকু দ্বিধা করিনি তোমাকে। তারপরেও তুমি সব ভুলে আমাকে বুকে টেনে নিয়েছ রক্তের কারনে।
বাবা,আজ আমি আমার পুরোনো ভুলের জন্য লজ্জিত। আজ বুঝি আমি কতটা ভুল ছিলাম। এখন বুঝি, তোমাকে কতটা কষ্ট দিয়েছি।
তখন যে ভুল করেছিলাম তা তো আর সুধরাতে পারব না কিন্তু নতুন করে যেন ভুল না করি আজ সেদিকে খেয়াল রাখতে শিখেছি।
বাবা,
সব কিছুর পরে একটা কথা তোমাকে বলতে খুব ইচ্ছে করে।যদিও সামনাসামনি কখনো বলতে পারিনি।পারবও না। আবার এখানে লিখলে তুমি দেখবেও না,তাই বলতে পারছি-
"বাবা,আই লাভ ইউ।"

বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

  • ১:২৮:০০ AM
এই মধ্যরাতে বিড়াল দম্পতির আবার কি হলো কে জানে! চেঁচামেচি করে পুরো ফ্লাটটা মাথায় তুলেছে যেন।সম্ভবত, পরকীয়া জনিত কারণে বিড়ালনীর সাথে বিড়ালের কিছু একটা হয়েছে। আর হবেই না বা কেন! এই তো গতকালকেও দেখলাম,বিড়ালনী তার বয়ফ্রেন্ডকে ছেড়ে অন্য একজনের সাথে ঘুটুর ঘুটুর করছে। এরকম ঘুটুর-ঘুটুর বিড়ালের সহ্যই বা হবে কেন! তাই বিড়াল মহাশয় টের পেয়ে গিয়ে হয়ত  মাঝ রাত্রে তার বিড়ালনীর সাথে এই বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছে।
যাই হোক,
বেশ কিছুক্ষণ প্রচন্ড মাথা ব্যাথা সত্ত্বেও ওদের চেঁচামেচি শুনলাম।কিন্তু আর কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না। এমনিতেই নিজের প্রচন্ড মাথা ব্যাথায় ইচ্ছে করছে মাথাটা কেটে সাইড করে রাখি তার উপর ওদের দুজনের উৎপাতে নিজের মাথাটা কাটার আগে ওদের মাথা কেটে ছাদ থেকে বসুন্ধরার বালিতে ফেলতে ইচ্ছে করছে।
উহ! অসহ্য।
খুব রাগ হলেও শেষ পর্যন্ত নিজেকে সংবরন করলাম। নিজেকে বুঝালাম, "Everything is fair in Love & War."
করুক না একটু রাগারাগি। এটাও তো ওদের ভালবাসারই অংশ । ওদের এই মধুর কিংবা বিমধুর আলাপচারিতার মধ্যে আমার নাক না গলানোই ভাল।
তার চেয়ে বরং নিজের মাথা ব্যাথাটাকে নিয়েই একটু ভাবি।
ভাবছি....
তার কিছুক্ষণ পর মনে হলো, মাথা ব্যাথাটা বোধ হয় একটু কমেছে। খেয়াল করে দেখলাম,বিড়াল-বিড়ালনীর ঝগড়াটাও পড়ে এসেছে।এখন শুধু দু একবার মিঁয়াও মিঁয়াও শব্দ শোনা যাচ্ছে খুব ক্ষীন স্বরে।হয়ত ঝগড়া করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গলাগলি ধরে শুয়ে দুজন দুজনাকে বলছে,"তুমি এমন কর কেন? "
উত্তরে আরেকজন মৃদুস্বরে ভালবাসা নিয়ে বলছে,"আই এম সরি। "
তারপর শহুরে রাতের কোলাহলকে ভালবাসার চাদরে ঢেকে উপভোগ করছে নিস্তব্ধতা!
আর আমি?
আমি শুনছি,দুরে কোথাও হুইসেল বাজিয়ে রাতের ট্রেন এগিয়ে চলেছে গন্তব্যে ঝিক ঝিক ঝক ঝক ঝিক ঝিক!  আর বাসার পাশের ওয়াসিং ফ্যাক্টরির মেশিন থেকে বেড়িয়ে আসা ক্যাচ ক্যাচ শন শন ক্যাচ ক্যাচ শন শন শব্দ।
#নীলকান্ত

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫

  • ৬:০৮:০০ PM

দেখতে দেখতে জীবনের ২৬ টি বছর কিভাবে পার হয়ে গেল কিছু বুঝে উঠতে পারলাম না।জন্ম থেকে দুরন্ত শৈশব,শৈশব পেরিয়ে ডানপিটে কৈশোর, তারপর কিশোর বয়সের উন্মাদনা পেরিয়ে যৌবনের সাতটি বছর কেটে গেছে দেখতে দেখতেই।
বড় আদরে বেড়ে উঠা শৈশবের দিনগুলিকে আজো মনে হয় চোখের সামনে দেখতে পাই।কিছুটা ফ্যাকাসে-বিবর্ণ হয়ে গেলেও সেই শৈশব যেন আজো স্মৃতিতে বারবার ফিরে আসে! যে শৈশব ছিলো দুপুরের কাক ফাটা রৌদ্রে পুকুরে সাতার কাটার শৈশব,পাখি আর প্রজাপতিদের পেছনে সারাদিন ঘুরে বেড়ানোর শৈশব কিংবা রঙিন ঘুড়ির আবদারে সারাদিন বায়না ধরার শৈশব ! 
প্রতি সপ্তাহের শনিবার,মঙ্গলবারে  হাটুরে ব্যাগ হাতে দাদার আঙুল ধরে হাটে যাওয়া আর
খয়ের কিংবা সুধীব হালাইকারের নানা জীবজন্তুর আকৃতিতে বানানো বাতাসা খাওয়ার শৈশব।
আহা! কোথায় আমার হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি....!!
তারপর হঠাৎ করেই একদিন বুঝতে পারলাম আমি বড় হয়ে গেছি। পড়নের সুতি, জিন্স কিংবা পলিস্টারের হাফ-প্যান্ট,গেঞ্জি আর জামা গুলো খুব দ্রুত ছোট হয়ে যাচ্ছে(আমার কাছে সেসময় তাই মনে হত।মনে হত কাপড় গুলোই ছোট হচ্ছে!)। তারপর কোন এক সময় হাফ প্যান্ট ছেড়ে ফুল প্যান্ট পড়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল। আর সেই ছিলো আমার জীবনের দ্বিতীয় পর্যায়,ডানপিটে সেই কিশোরবেলা।
বাবা-মা,দাদা-দাদী,চাচা-চাচী,ফুফুদের খুব আদরে আদরেই হয়ত কিশোর বয়সের ডানপিটে জীবন পেয়েছিলাম।লেখা পড়ায় মন্দ ছিলাম না কিন্তু দুষ্টোমিতেও কম ছিলাম তা বলা যায় না! :P  (তবে আমার দুষ্টোমি কখনোই বাড়াবাড়ি পর্যায়ের ছিলো না বা আমার দ্বারা কারো ক্ষতিও হয়নি কখনো।)
কৈশোরের দুরন্তপনা ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরে এসেছিলো নিজের অজান্তেই। নিজের প্রতি নিজের ভাললাগা তারপর ভাললাগার ক্লাসিফিকেশন। সেটাও শুরু হয়েছিলো জীবনের তেরো কি চৌদ্দতম বছরে। :) সেই তো শুরু জীবনের গতির উঠা নামার। আর এই জীবনের এক্সিলারেটরে কখনো এক গতিতে এগুনো হয়নি।বার বার ব্রেক কষে গতি কমিয়েছি রং ড্রাইভে। রং রুটে চলতে গিয়ে পিছনে পড়েছি বহুবার তারপর যখন সিধে রুটে ড্রাইভ করতে শিখলাম জীবনের গাড়িটা তখন কৈশোরের ভুল ড্রাইভিং এর মাশুল গুনতে হলো খুব বাজে ভাবে।
বুঝলাম, আমি আর সেই কিশোর নই।যৌবনের প্রথম ধাপে আমার পদার্পন হয়েছে।কিন্তু তাও খুব বাজে ভাবে! :( নিজেকে একটু সামলে নিয়ে লক্ষ্যে যাওয়ার শেষ প্রচেষ্টায় এখন রত আছি।যদিও জানি লক্ষ্য আমার থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।কিন্তু শেষ প্রচেষ্টা, একটু দেরী হলেও লক্ষ্যে পৌছানো।আর সেটা অবশ্যই ভুল পথে এবং বাজে ড্রাইভিং এ নয়।।যাই হোক,
এটুকু বুঝতে বুঝতে জীবনের ২৫/২৬ বছর কেটে গেছে। চোখের সামনে একবিংশ শতাব্দীর শুরু হয়ে হয়ে ধীরে ধীরে একবিংশ শতাব্দীর পনেরতম বছর কেটে গেলো।
২০১৫:
এই শতাব্দীর পনেরতম বছর ছিলো আমার জীবনের ভালো মন্দের এক অপূর্ব সংমিশ্রন।
বছরের শুরুতে প্রিয় মানুষের সাথে অপূর্ব কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছি,যা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে মধুর সময় গুলো। বছরের মাঝামাঝি ঠিক ততটাই মন্দ সময় কাটিয়েছি যতটা সুন্দর সময় ছিলো বছরের প্রথমটা।
আর ২০১৫ এর শেষটায় যা পেয়েছি তা অবশ্যই বছরের মাঝামাঝির অপ্রাপ্তিগুলোকে ঢেকে দিয়েছে।
বিশেষ করে ২৯ ডিসেম্বর আমার জন্মদিনে আমার শত শত শুভাকাঙ্ক্ষীর শুভেচ্ছা বার্তায় আমি মুগ্ধ,কৃতজ্ঞ এবং ধন্য হয়েছি।
বিশেষ করে পুলিশ সুপার Mozammel Haque স্যার,Iftekhar Ahmed sir, Somaji নানু, Rajibul ronie ভাই,আব্দুল বারী মৃধা ভাই,জিয়া ভাই,মিঠু সিদ্দিক ভাই,ফারহানা দি,সুমাইয়া আপু সহ আমার প্রাণ প্রিয় বন্ধুদের ভালবাসা পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত,কৃতজ্ঞ। 
#আমি সবার নিকট দোয়া প্রার্থী,আমার জন্য দোয়া রাখবেন যেন আমার কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছাতে পারি।।
#ওভার অল, ২০১৫ টা আমার জীবনের জন্য আশীর্বাদেরই।আর ২০১৬? জানিনা কি হবে । তবে সৃষ্টিকর্তা যা করেন তা অবশ্যই ভালোর জন্যই করেন,করবেন।

শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫

  • ১:৫৪:০০ AM
ডিসেম্বরের এই কনকনে শীতের মধ্য রাতে টিনের চালায় শিশিরের নৃত্য আর মাঝে মাঝে দুর থেকে পাহারাদার কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ ছাড়া পুরো পৃথিবীটা নিস্তব্দ।যেন কুয়াশার চাদর গায়ে  গাছের পাতারাও ঘুমিয়ে আছে অঘোর ঘুমে, তোর মত ।
শুধু আমি জেগে আছি শিশিরের মত,ঘন কুয়াশার মত একশত বিশ শতাব্দীর স্মৃতিদের সাথে। রাঙানো লেপের কাভারের উষ্ণতাকে বুকে জড়িয়ে যে স্মৃতিরা খেলা করেছিলো, যে স্মৃতির কোন এক অধ্যায়ে আমি হয়েছিলাম সাত মাথায় দাঁড়িয়ে থাকা ফুচকাওয়ালা কিংবা চুড়ুইভাতির ভ্যান্যা তলায় কলার পাতার ঘর।  সেই স্মৃতিদের সাথে জেগে আছি আধারের বুকে কুয়াশায় ধোয়াসা হওয়া তোর স্বপ্ন হয়ে।
বড় জানতে ইচ্ছে করে,
ঘুমের ঘোরে একলা ঘরে বুকের ভেতর মোচর দিলে,
আমায় ভেবে বালিশটাকে কখনো কি
জাপটে ধরিস?
একলা আমি তোর বিরহে কেমন করে একলা ঘরে
নষ্ট হওয়ার কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছি,
বুঝতে পারিস?
#নীলকান্ত ®

বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৫

  • ৭:৩৩:০০ AM

সাদা-মাটা গ্রাম্য জীবন ছেড়ে জীবন ও জীবিকার তাগিদে আজ হয়ত ইট পাথরের শহরে অচেনা-অজানা মানুষের চিড়িয়াখানায় ঢুকেছি।আর যান্ত্রিক এ জীবনের চিড়িয়াখানায় অনুভূতি গুলো যেমন ভোতা হয়ে যায়,তেমনি আবেগগুলো একে একে টলে পরে মৃত্যুর কোলে।সময়ের ৩৬০ ডিগ্রীর আবর্তনে সেকেন্ডের কাটা ধরে দৌড়াতে হয়, পিছিয়ে পড়লে পৃষ্ট হতে হয় সময়ের যাঁতাকলে।
কিন্তু কি আশ্চর্য! যে আমি আমার অনুভূতিকে জীবনের সবচেয়ে বড় বলে মনে করি,অনুভূতি ছাড়া যার কাছে জীবন অসম্পূর্ণ,সেই আমাকেও আজ ভোঁতা অনুভূতি নিয়ে চলতে হবে??কিংবা অনুভূতিহীন ভাবে??
সত্যিই, হয়ত ভোতা অনুভূতিগুলোও এক সময় শূন্যে এসে দাঁড়াবে আর আমিও হয়ে যাব অন্য সব যন্ত্র মানবের মত!!!
ইট -পাথরের শহরে যেখানে ভোরের সূর্য জানালার পর্দার ফাঁক গলে চোখে এসে পড়ে না, কাক ডাকা ভোরে দূর্বা ঘাসে শিশির জমে না, বাস-ট্রেন -রিক্সার টুনটুন-প্যা পু তে অনুভূতির আর্তনাদ কারো কানে যায় না, যেখানে কর্মক্লান্ত ঘামে ভেজা মুখের উপর বসুন্ধরা টিস্যুতে ছাড়া মৃত্তিকার ছোয়া পাওয়া যায় না, সেখানে আমার মত বিল পাড়া গাঁয়ের- মাটির মানুষের স্থান আছে কি??
হয়ত নেই।হয়ত হবে।কিন্তু একটা প্রার্থনা করি,"সেই বিল পাড়া গাঁয়ের মানুষের মাঝে যেন বিধাতা কখনো অনুভূতিহীন যান্ত্রিক শহুরে মানুষ ঢুকিয়ে না দেন।আমি যে যান্ত্রিক,অনুভূতিহীন,বদ্ধ,ইট-পাথরের বিলাসী জীবিকার চেয়ে বিল গাঁয়ের এই কাদা মাখা জীবনকেই বড্ড বেশি ভালবাসি। "

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৫

  • ১০:৫৯:০০ PM
জীবনটা ঠিক এতটা সহজ না,যতটা আগে ভাবতাম।এটা অনেকটা মরুভূমির মত। মরুভূমি তে যেমন মাথার উপর প্রচন্ড রৌদ্রতাপে পায়ের নীচের বালুকারাশিকে পথিকের চোখে দূর থেকে অনন্ত জলরাশি  মত দেখায়,তেমনি জীবনের কিছু কিছু আশা মরিচিকার মত হৃদয়ে সুখের পুলক ছড়িয়ে যায়। কিন্তু সেই ভবিষ্যৎ অন্তিম মুহুর্তে উপনীত হলে বুঝা যায়,তা কেবলই একটা দূরাশা ছিল।
জীবনের সাদাকালো ক্যানভাসে স্বপ্নের রঙ ছড়ানো যতটা সহজ, বাস্তবে তা রাঙিয়ে তোলা ততটাই কঠিন।এখানেই জীবন আর সুমদ্রের মধ্যে এক দারুন ঐক্যতান । গভীর সমুদ্রে দূরের কোন স্থল চিহ্ন দেখে নাবিকের মন চঞ্চল হয়ে উঠে,"এই তো, তটরেখায় নব জীবনের আহ্বান।"
কিন্তু সে দূর যে কতটা দূর তা আন্দাজ করা নাবিকের পক্ষে সম্ভব হয়না।নাবিকের এটাও জানা হয়না,সেই তটে পৌঁছতে এখনো অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে,এখনো  সহস্র যুদ্ধ আছে বাকি।হয়ত সে পথ ধীরে ধীরে নাবিকের কাছে ছোট হয়ে আসে অথবা সময়ের উল্টো স্রোতে গভীর থেকে গভীর সমুদ্রে হারিয়ে যায়।দৃষ্টির সীমানায় তখন শুধু অনন্ত লোনাজল আর হতাশা ছাড়া আর কিচ্ছু থাকে না!!বুঝতে পারে স্বপ্নগুলো আসলেই মরিচীকা ছিলো।
তবুও আরেকবার পাল তুলে দেয় সে।আরেকবার এগিয়ে চলে অজানা কোন দ্বীপে একটু খানি সুখের প্রত্যাশায়।তারপর ......
  • ১০:৫৪:০০ PM
জীবনটা কে দূর থেকে দেখে কত সহজ,সুন্দর মনে হত! আহা!
কিন্তু আজ যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি তখন বুঝতে পারছি, এ জীবন বাহিরে থেকে যত সহজ, ভেতরে ততটাই কঠিন।
এত দিন জীবনকে আমি চোখ রাঙিয়েছি,আজ জীবন আমাকে চোখ রাঙায়।এত দিন জীবনকে আমি বলেছি,হে জীবন, তুমি আমার পিছে পিছে আসো।
আজ জীবন আমাকে বলে তার পিছু পিছু হাটতে,যখন আমি জীবনের পাশাপাশি হেটে যেতে চাই।।
জীবনের ঘাত প্রতিঘাত থেকে বহু দূরে ছিলাম আমি।কিংবা ছোট খাটো যেসব আঘাত এসেছিলো, তাদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তাড়িয়েছি।কিন্তু জীবনের এ পর্যায়ে এসে জীবন আমাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বলে,"সেসব ভুল ছিলো। "
আর সেসব ভুল গুলো আজ চোখের সামনে পরিস্কার আয়নার মত ধরা দিয়েছে। কতই না ভুল করেছি জীবনে! জীবনের সাথে বাজি ধরেছি কতবার। আজ বাজির সে ফলাফল হাতে এসেছে।যা পেয়েছি তা "শূন্য" ছাড়া আর কিছু না।।

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৫

  • ১২:০২:০০ PM
জীবনের ভুল গুলো থেকে মানুষ শিক্ষা পায়।কিন্তু আমার মনে হয়, আমিই একমাত্র ব্যক্তি যে ভুলের উপর ভুল করি!
ছোটবেলা থেকে আজ অবধি যত ভুল করেছি তার প্রত্যেকটা যদি একটার পর একটা সাজাই তবে তা মাউন্ট এভারেস্ট হয়ে যাবে। আর সে জন্যেই নিজের ভুলের মাঝে কখনো কখনো খেই হারিয়ে ফেলি । কি করব? কি করা উচিত? কোনটা করা উচিত না? কিংবা কোন কাজ করতে গিয়ে বার বার মনে হয়, এটা করা ঠিক হচ্ছে তো? এরকম শত সহস্র সিদ্ধান্ত হীনতার জন্ম আমার ভুল থেকে।তারপরেও সব কিছু ঠেলে যখন প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই,তখনই আবার কোন না কোন ভুল করে বসি।আর সে ভুল জীবনের তিল তিল করে গড়ে তোলা ছোট ছোট স্বপ্নের প্রাসাদ টা নিমিষে ধুলিষ্যাৎ করে দেয়।
নিজের প্রতি প্রচন্ড রাগ হয়,আর বিধাতার প্রতি অভিমান।
বারবার আমিই কেন!
আমাকেই কেন এত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়? আমারো তো ইচ্ছে করে নিজেকে নিজের মত করে বাঁচতে,নিজের মত করে নিজেকে গড়তে।
তবে কেন বারবার আমিই হোচট খাই?
তবে কি বিধাতা অন্য সবার জন্য,আমার জন্য নয়?? 
প্রচন্ড হতাশা, রাগ,অভিমান বাসা বাধে মনে। নিজের বিবেকের দংশন,প্রতিবেশীর ভ্রুকুটি, বন্ধু-বান্ধবের স্বার্থপর অবহেলা, পরিবারের সদস্যদের অসহায় মুখ গুলো আমাকে উপহাস করে।
ইচ্ছে হয়, পৃথিবীকে গুডবাই জানিয়ে উপরের জগতে চলে যাই।কিন্তু যে আমি অন্যদের এ পথে যেতে বারন করি,যে আমি অন্যদের হতাশাগ্রস্ততার উপর আশার প্রলেপ দেই কথায় কিংবা কাজে, সেই আমি এত হীন সিদ্ধান্ত নেই কি করে???
আমি যদি আত্মহত্যার মত বাজে,নিচু,ফালতু একটা সিদ্ধান্ত নেই তবে যারা আমার দিকে তাকিয়ে ভ্রুকুটি করে,যারা আমায় দেখে উপহাসের হাসি ঠোটের কোণায় লাগিয়ে মিটিমিটি হাসে তারাই তো জিতে যাবে।
আমার বন্ধ নিঃশ্বাসের আড়ালে দাড়িয়ে তারা আরো মজা উড়াবে আমাকে নিয়ে! কিন্তু আমি সেটা কি করে হতে দিতে পারি??
নিজের ব্যর্থতার সকল দায়-ভার নিজের কাধে নিয়ে আমি আরেকবার ঘুরে দাড়ানোর শপথ নেই। যেটা হয়নি তা যে হবে না তা ত না।তাই নতুন করে স্বপ্ন সাজাই।আবারো স্বপ্ন দেখি বেঁচে থাকার,নিজের স্বপ্ন গুলোর সফল পরিনতি দেখার।।
আমাকে যে পারতেই হবে।।।

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫

  • ৩:৫২:০০ PM
হে বিবেক,
তুমি ঘুমিয়েই থাক।চির ক্লান্ত তোমার জেগে উঠার দরকার কি? যেখানে হাজারো চোখের সামনে নির্যাতিত, নিপীড়িত, অত্যাচারিতের আর্তনাদ আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয় তখনও তুমি ঘুমিয়েই থাক,বরং তাই ভালো।।হাজারো চোখের মধ্যে যখন এক জোড়া চোখে অবিরত বারি বয়,তখনও তুমি ঘুমিয়েই থাক। শত আকুতি-মিনতি,বাঁচতে চাওয়ার তীব্র ব্যকুলতায় যখন কারো কন্ঠস্বর চারিদিকে আর্তনাদের সুর তোলে, তখন তুমি বধিরের মত পাশ কাটিয়ে চলে যাও।ঘুমিয়ে থাকো। তুমি ঘুমিয়েই থাক।
বিবেক,তুমি আজ বধির হয়ে গেছো। তুমি আজ অন্ধ হয়ে গেছো ।
আফসোস, কোন একদিন তুমিও জেগে উঠবে নিজের আর্তনাদ শুনে  কিন্তু তোমার আশ পাশের সবাই অন্ধ,বধির হয়ে থাকবে,যেভাবে তুমি ছিলে ।সেদিন তোমার বুক ফাটা আর্তনাদ কারো বিবেকে স্পর্শ করবে না। তারাও যে তোমারি মত অন্ধ,বধির আর ঘুম কাতুরে।
বিবেক, তুমি জেগে উঠো। দেখতে শিখো,বলতে শিখো, প্রতিবাদ করতে শিখো। আর তা না হলে ঘুমিয়েই থাকো।
  • ৩:৪৮:০০ PM
জীবন চলার পথে ভুল পদক্ষেপের মাশুল ভয়াবহ এবং ভোগীই জানে তা কতটা ভয়াবহ হতে পারে।
"Life is like playing chess. Every step you r taken, taking risk to lose or live there.
And in every squire you are stepping, leading you to the game over."
এই বিখ্যাত উক্তিটি কে করেছিলেন ঠিক মনে করতে পারছি না।তবে নিজের মত করে এর অনুবাদ করলে দাঁড়ায়।
"জীবন হলো দাবা খেলার মত।এখানে আপনার প্রতিটি  চালে ঝুঁকি নিতে হয় হারার কিংবা জিতার।
এবং আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ আপনাকে চালনা করবে খেলার সমাপ্তির দিকে।"
সত্যিই তাই। এক চাল, দু'চাল করে জীবনের এমন এক পর্যায়ে এসে উপনীত হয়েছি, যেখানে পদে পদে হেরে যাবার ভয়।সময়ের স্রোতধারায় থেমে থাকার সুযোগ নেই।
পরিস্থিতি এমন যে," হয় এগিয়ে চল, নয়ত এখানেই ডুবে মর।
যদি এগিয়ে যাও তখনও মরতে হবে,কিন্তু কিছুটা সময় পাবে।কিন্তু যদি থেমে যাও তবে তোমার চারপাশের উত্তাল ঢেউ তোমাকে চাপা দিয়ে যাবে।"
#এখন মনে হয়,
দিক বিদিক জ্ঞান শূন্য আমি কাষ্ঠ ছেড়ে খড়কুটো কে আকড়ে ধরে বাঁচতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন বুঝছি সেই ছেড়ে দেয়াটা কত বড় ভুল ছিলো । আজ ডুবে যেতে যেতে ঊঠে দাড়ানোর যে নিরলস চেষ্টা করছি, তা আগে কেন করিনি তাই ভেবে নিজেকে ধিক্কার দেই।কষ্ট হয়,  কেন আমি দেখে না শিখে ঠেকে শিখতে গেলাম!ঠেকে শেখার জ্বালা যে কি তা আজ খুব বুঝি। আফসোস, দেখে শিখলে আজ হয়ত এই ঠেকে থাকার যন্ত্রণা টা হত না।
তারপরেও সৃষ্টিকর্তাকে শত সহস্র ধন্যবাদ যে, তিনি আমাকে এতটা পথ টেনে এনেছেন এবং এতটা পথ চলার জন্য সময় এবং সাহস দিয়েছেন।
  • ৩:৪৮:০০ PM
"জীবনটা মোকাবেলা করার জন্য, ভয়ে চুপসে থাকার জন্য নয়।"
------------------------------
আমার এক বান্ধবী হঠাৎ ফোন করলো আজ।তা, কমপক্ষে বছর খানেক পর হবে!
অপরিচিত নাম্বার দেখে একটু ইতস্তত করে ফোন টা রিসিভ করলাম।
ও পাশ থেকে কোন সম্বোধন কিংবা কুশল বিনিময়ের কোন বালাই নেই।ফোন রিসিভ করতেই ঠাস ঠাস করে কানের উপর কয়েকটা পড়লো,"তোরে থাপ্ড়াইয়া দাঁত খুলে ফেলবো। ফেসবুকে এসব কি লিখিস, হ্যা? "
আমি ঘটনার আকষ্মিকতায় হতবম্ভ। কে এত অধিকারের সাথে কথাগুলো বলছে তাও ভাবার কথা আমি ভুলে গেছি।সে যে কে, সেটাও জিজ্ঞাসা করার সাহস পাচ্ছি না।
এদিকে, অন্য পাশ থেকে তিনি এক নাগারে বলে চলছেন,
"আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে।তুই কি সেই? যে মৃত দেহেও জীবনের সন্ধান খোঁজে? তবে আজ কেন এতটা হতাশ? স্ট্রেঞ্জ!
তুই যে এতটা হতাশ,জিরো কনফিডেন্টেড হবি তা ভাবতেই পারছি না।"
এবার একটু দম নিলেন তিনি।আর আমিও সুযোগ পেলাম একটু ভেবে দেখার আসলে তিনি কে!
"কিরে কথা বলিস না কেন? তোরে চাপড়াইয়া কিন্তু সোজা করে ফেলবো। "
আমার ভাবার আর সময় নাই।কেন জানি মনে হচ্ছে,উত্তর না দিলে সত্যি সত্যি বোধহয় কপালে দুঃখ আছে।তাই সম্বোধন এড়িয়ে বললাম,"না মানে,নিজেকে নিয়ে কিছুটা অস্বস্তিতে আছি।তাই ভেতরের কিছু কথা নিজের অজান্তেই বের হয়ে যাচ্ছে! "
ও পাশ থেকে বান্ধবী বলল,"দূর.. কি যা তা ভাবিস! B positive man.Everything is a part of living. Take these as simple as u can."
ও আমাকে উপদেশ দিয়ে যাচ্ছে, আর আমি মিলাতে চেষ্টা করছি সে কে! বেশ কিছুক্ষণ কথা বলার পর বুঝতে পারলাম, হায়রে! এত সেই টিনা! ২০০৮ এ যে সামান্য একটা বিষয় নিয়ে আত্মহত্যার মত দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েছিলো ।প্রাইমারি থেকে কলেজে যে সেরাদের সেরা হয়েও এইচ এস সি তে চরম ফলাফল বিপর্যয়ে হতাশ ছিলো ।তারপর কত দিন-রাত ওকে বুঝিয়েছি তার ঠিক নেই!   দু'জনের জীবনের চরম মুহুর্ত গুলো শেয়ার করে সেদিন জীবন থেকে হালকা হয়েছিলাম।সামনে এগুনোর পথ ধরে আমিই ওকে চলতে শিখিয়েছিলাম ভবিষ্যতের পথে। তারপর ও গেছে ওর পথে আর আমি আমার।
মাঝখানে প্রায় ৬ টি বছর কেটে গেছে।পাল্টে গেছে জীবনের লেনদেন,বদলে গেছে হিসেব। কিন্তু সাত বছর পর হঠাৎ করে উল্কা পিন্ডের মত উদয় হয়ে ও যে আমাকে নতুন করে পথ দেখিয়ে দেবে তা কখনোই ভাবিনি।
ও কথা বলেই চলেছে। সেসব কথা নয়,উপদেশ।আমি মনযোগী ছাত্রের মত শুনে চলেছি। হ্যা,হু কিচ্ছু নেই।
বেশ কিছুক্ষণ পর ও বলল,"কি রে,বুঝেছিস, কি বললাম? "
আমি ওকে বললাম, "তুই কেমন আছিস? ভালো আছিস তো? "
"ওহ! সরি রে! দেখ, তোর স্ট্যাটাস পড়ে এত মেজাজ খারাপ হয়ে গিয়েছিলো যে,তুই কেমন আছিস তা জিজ্ঞাসা করতেও ভুলে গেছি? আমি ভালো, তুই? "
-"যেমন দেখছিস।তেমনি আছি। আগে যেমন ছিলাম সেরকমই আছি,শুধু মাঝখানের সময়টা বদলে গেছে।
কত বছর হলো বলত? "
আমি কিছুটা শুকনো গলায় ওকে জিজ্ঞাস করলাম।
ও একটু পেছনে ফিরে গিয়ে বলল,"Its about six years. তাই না? লাষ্ট তোর সাথে কথা হয়েছে এডমিশনের পর।তারপর তো তুই হাওয়া হয়ে ছিলি।তোর আগের নাম্বার বন্ধ। কত ট্রাই করেছি!
কিন্তু গত ছয় মাস ধরে তোকে ফেসবুকে পেয়েছি। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিলাম,কিন্তু তুই তো এখনো আমাকে ঝুলায়ে রাখছিস! তোর ফেসবুকে দেয়া নাম্বারে কম করে হলেও দিনে দু বার ট্রাই করি।কিন্তু ওই যে, তুই হাওয়া হয়ে আছিস! তোকে মেসেজ করলেও কোন রিপ্লাই দিস না।ইচ্ছা করে ... । "
আমি বললাম, "কি ইচ্ছা করে? থাপড়াইয়া দাঁত খুলে ফেলার? "
ও বলল,"হু।তুই তো জানিস,আমি কারাতে ব্লাক বেল্ট। সো, তোর দাঁত খুলতে খুব বেশি পরিশ্রম হবে না!  হা হা হা। "
ওর কথা শুনে আমি না হেসে পারলাম না।
সেই সাথে সাত বছর আগে ওর অনুপ্রেরণায়য় কারাত শিখতে যাওয়ার দিনগুলি চোখের সামনে ভেসে উঠলো। আমি দু একটা কাতা শিখে মাঝ পথেই ছেড়ে দিয়েছিলাম। তখন ওত পরিশ্রম সহ্য হয়নি।কিন্তু ও ধরে ছিলো  । মাঝে মাঝে কোন ছেলে কে কারাত ক্লাসে কিভাবে কাত করেছে সেসব বলে বলে আমাকে ঝারি মারতো,হাসাহাসি করতাম  ।
হা হা হা।সেই বাঘিনী কন্যাই কিনা আবার আত্মহত্যার মত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো দু দুইবার । শেষ বার ও এতটাই হতাশ আর জীবন বিতৃষ্ণায় ভুগতো যে,ওকে ফেরানো ছিলো মৃতকে প্রাণ ফিরিয়ে দেয়া ।
সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সেবার সে জীবন যুদ্ধে আরেকবার লড়াই করার শক্তি পেয়েছিলো । আমি শুধু ওর কষ্ট গুলো ভাগ করে নেয়ার দায়িত্ব পালন করেছিলাম।
আর সেদিন থেকে একটা কথা আমি বুঝেছি,"কেউ যখন অত্যধিক হতাশাগ্রস্থ আর আত্মহত্যা প্রবন হয়ে উঠে তখন তার কষ্ট গুলো সে কাউকে শেয়ার করতে চায়।চায়,কেউ তার কথাগুলো শুনুক।কেউ তার পাশে এসে দাঁড়াক।মাথায় হাত বুলিয়ে বলুক,সব ঠিক হয়ে যাবে।আমি তো আছি।"
মুলত,কষ্ট গুলো যখন বুকের মধ্যে চাপা পরে থাকে, তখনই আত্মহত্যার মত দূর্ভাবনা মাথায় আসে।কিন্তু যখন কেউ তার কষ্ট গুলো কাউকে শেয়ার করতে পারে,কেউ যখন তার চাপা কষ্ট গুলো মনযোগ দিয়ে শোনে তখন হতাশাগ্রস্থ ব্যক্তির কষ্ট গুলো হালকা হয়ে যায়।।জীবন সংগ্রামে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পায়। ঘুরে দাঁড়ায়।
টিনার বেলাতেও তাই হয়েছিলো। ও নিজেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে, স্বইচ্ছায়।
আমার দাঁত ভেঙে নেয়ার খুব একটা ইচ্ছে নেই।ওকে বললাম, "নে বাবা,আমারই ঘাট হয়েছে।দয়া করে মাফ কর।"
ও বলল,"তোকে সে জন্য মাফ করে দিলাম। কিন্তু ফেসবুকে যে উল্টা-পাল্টা লিখিস সেটার কি হবে,বল? "
"তুই হঠাৎ করে এতটা হতাশ হলি কিভাবে? প্রোবলেমটা কি? "
আমি একে একে গত ছয় বছরকে হাইলাইট করলাম । জীবনের এ বেলায় এসে আমার উপলব্ধি কি, তাও ওকে বুঝিয়ে বললাম । আর ও নিজেও কয়েকদিনের স্ট্যাটাস গুলো থেকে বেশ বুঝতে পেরেছে, আমি কি ভাবছি আর কি চাই।
অনেকক্ষণ ধরে কথা বলার পর ওর শেষ কথা হলো,
"যদি পারিস তবে আজ থেকে ছয়/সাত বছর পেছনে চলে যাস।আর টিনার জীবনের মোড় ঘুরানোর স্মৃতি গুলো একবার খুঁজে দেখিস।যদি না পারিস তবে, একটা কথা মনে রাখিস,"জীবনটা মোকাবেলা করার জন্য, ভয়ে চুপসে থাকার জন্য নয়।"
  • ৩:৪৭:০০ PM
এ পথে আমার আগে বহুজন হেটেছে,পদচিহ্ন এঁকেছে আমাদের পথ দেখাতে। এবং আমিও শেষ নই, আমার পরেও অনেকেই এ পথে যাবে।
কিন্তু, এ পথে হাটতে গিয়ে কে কতটা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে এগিয়ে যেতে পেরেছে তাই দেখা হবে এক সময়। হয়তবা বারবার হোচট খেয়েও আমাদের মত আরো অনেকেই এগিয়ে যাবে চূড়ান্ত সীমানা ছোয়ার তীব্র আকাঙ্খায়। কিংবা অনেকেই পিছু হটবে যেভাবে হটেছে এর আগেও অনেকে।শুধু আফসোস, যারা পিছু হটেছিলো তাদের শুরুটা হয়েছিলো প্রচন্ড জোশ আর আত্ম অহংকারে।
কিন্তু যারা পথের ধুলো-কাদা মেখে একাকার হয়ে বারবার হোচট খেয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলো, তারাই আজ পথের সীমানায় জয়মালা পড়েছে। অভ্যর্থিত হয়েছে জীবনের কাছে।
বড় সাধ হয়,  তাদের পদধূলি ললাটে মেখে যেন একদিন আমিও দাঁড়াতে পারি এক কাতারে। কিন্তু,এখনো যেতে হবে অনেক দূর। অনেকটা পথ বাকি যে এখনো!
  • ৩:৪৫:০০ PM
কয়েকটা কষ্ট ও তার অনুভূতি
#এক
যখন আপনি চাচ্ছেন কেউ আপনাকে নিজে থেকে বুঝুক কিন্তু সে বুঝছে না, কিংবা আপনার মনের কথাটা তাকে আকার-ঈঙ্গিতে বুঝাতে চাচ্ছেন কিন্তু সে বুঝতেই চাচ্ছে না তখন যে অনুভূতি টা আপনার হৃদয়ে অনুভব করবেন তা হলো কষ্ট । একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন, আপনার হৃৎকম্পন হঠাৎই শীথিল হয়ে গেছে, জামাট কষ্টে বুকের ভেতর টা হাহাকার করছে,বুকটা চিনচিন করছে।কিন্তু সেই অনুভূতির, সেই ব্যাথা ব্যাখ্যা করার শব্দ আপনি খুঁজে পাচ্ছেন না।
#দুই
কারো জন্য আপনি পাগলপ্রায়।তার সাথে দেখা না হলে, এক-দেড় ঘন্টা কথা না হলে চারপাশের সব কিছু অর্থহীন মনে হয়,কিন্তু সে যদি আপনি ফোন না করলে ফোন না করে, তবে এক সুক্ষ্ম হতাশা আপনার মনের উঠোনে বেদনার বীজ বুনে(বোপন) দেবে।
হয়ত কোনদিন ব্যস্ততা বশত এরকম হতে পারে কিন্তু প্রতিদিন নিশ্চয়ই নয়।আর যখন প্রতিদিন এরকম হবে সেদিন বুঝবেন He/She wasn't your's but unfortunately only you were..
#তিন
আমার চোখে দেখা দু একজন বন্ধু আছে।যারা তাদেরকে নিশ্চিত চালাক চতুর আর জ্ঞানী ভাবে।এখানে ভাবনাটা দোষের কিছু না কিন্তু সেই মত কাজ করতে গিয়ে অন্যের কাছে নিজেকে ছোট করাটা দোষের।
নিজে যত বোকা থাকবেন ততই ভালো।বোকার কোন শত্রু থাকে না। কিন্তু নিজেকে চালাক জাহির করতে গিয়ে অন্য কোন বাটপারের ক্ষপ্পরে পরে ইউজড হবার কোন মানে হয়না।
এই ধরুন,
আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু। যিনি অত্যধিক চালাক চতুর হিসেবে নিজেকে মনে করে।চলাফেরা করে তার চেয়ে বড় চালিকের(চালাকের স্ত্রী লিঙ্গ ধরে নেন) সাথে। সম্পর্ক বন্ধুত্বের কিন্তু ইউজড হয় ভৃত্যের মত।
উদাহরণ সরূপঃ চালিকের পিরিয়ড কালীন তেনা থেকে সব কিছু যেন চতুরের দ্বারাই ক্রীত হয়।
তো একদিন ওকে বললাম,"শোন,তুই অন্তত কিছুদিন এসব করতে অস্বীকার কর।তারপর দেখবো তোর বন্ধুত্ব কত শক্ত! "
আমি শিওর,
যে আপনাকে তার নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছে,যার জন্য আপনি এত শত ত্যাগ স্বীকার করছেন সে কিন্তু তার নিজের স্বার্থের বিপরীতে আপনাকে এতটুকু পাত্তা দেয় না।
নিজের স্বার্থে একটু আঘাত লাগলে যে কেটে পরে সে কোনদিন আপনার বন্ধু ছিলো না।
তখন বিগত দিনগুলোর কথা মনে হয়ে যে কষ্ট পাবেন তা হবে ক্ষোভ। সে ক্ষোভ উদয় হয়ে আবার নিভে যাবে কিন্তু পোড়া জায়গাটা জ্বলতে থাকবে আপনি কাউকে দেখাতে পারবেন না।
#চার
নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু যদি একজন থাকে তবে তিনি আপনার "মা"। আর যদি দুই জন থাকে তবে আপনার "বাবা"।
পৃথিবীতে একমাত্র স্বার্থহীন/নিঃস্বার্থ  ভাবে এই দুটো সম্পর্কই আপনার সবসময় পাশে থাকবে । বাকি সবাই স্বার্থে টান লাগলে লেজ গুটয়ে পালাবে।কিন্তু সন্তান কখনো তার বাবা-মা'র জন্য নিঃস্বার্থ হতে পারে বলে মনে হয় না।
এর প্রমাণ লাগলে একটা বিয়ে করে ফেলুন। বিয়ের পর স্ত্রী যখন সেপারেট বাসা ছাড়া থাকবেই না তখন বুঝতে পারবেন আপনি আপনার বাবা-মা'র জন্য কতটা নিঃস্বার্থ ভাবে দিতে পারেন!
আর যদি কপাল ভালো হয়,তবে হয়ত একটা নিঃস্বার্থ বৌ পেতে পারেন।আর শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই আপনি হবেন সুখী। কিন্তু যদি বিপরীত হয় তবে??
জৈবিক চাহিদার একটা সম্পর্ক আপনাকে বুকের মধ্যে নাড়ীর টান অনুভব করতে দেবে না। কিংবা আপনি অনুভব করলেও তাতে সারা দেবার শক্তি জৈবিক প্রনালীতেই আটকে থাকবে  । আপনি বের হতে পারবেন না।
তখন যে ব্যাথা অনুভব করবেন তা হলো বিষ মুখে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে গিলে ফেলে বাঁচতে চাওয়ার আকুতির মত। মৃত্যু নিশ্চিত কিন্তু বাঁচা???
- অনিশ্চিত
#নীলকান্ত
  • ৩:৪৫:০০ PM
যখন হতাশা আমাকে ঘিরে ধরে তখন স্বপ্ন আমাকে  বাঁচাতে শেখায়।
প্রথমত, যে কোন কারনেই হোক মাঝে মাঝে ভীষন মেজাজ খারাপ হয়।
যেমনঃএই মুহুর্তে আমার মেজাজ খুব খারাপ। আর মেজাজ খারাপ থেকে আসে হতাশা,অভিমান, জীবনের প্রতি মায়াহীনতা।
২য়ত, মেজাজ খারাপ থাকলে আমার কষ্ট লাগে।যেহেতু কষ্ট টা মস্তিস্ক নিয়ন্ত্রিত তাই মাথা ব্যাথা শুরু হয়।
তৃতীয়ত, হার্ট অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। যেমনঃ বুকটা চাপ ধরে থাকে,মনে হয় শ্বাস কষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘ নিশ্বাস নিলে তবে একটু ভালো লাগে কিন্তু অস্থিরতা বেড়ে যায়।
গলা ছেড়ে চেঁচাতে ইচ্ছে করে কিন্তু পারিনা।
৩য়ত, এরকম পরিস্থিতি তে নিজেকে অন্যরকম অসাহায় লাগে। মনে হয় কারো আদর ভালোবাসা মাখা দু'টো কথা হয়ত আমার সবকিছু ভালো করে দিতে পারে।কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত তা পাওয়া তো দূরে থাক বরং ......।
#৪র্থত
তখন আমি নিজেকে একা করে রাখি। ইচ্ছে হয় কেউ খোঁজ নিক,কেউ বলুক,আমি পাশে আছি।কিন্তু সেরকম কিছুই হয় না। ঘরটা অন্ধকার করে রাখি, যেন কেউ আমার কষ্ট টা বুঝতে না পারে।তারপর আঁধারের বুকে স্বপ্ন আঁকি সফেদ রঙের আচড়ে লাল নীল স্বপ্ন।।কিন্তু সে স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়!
এর মধ্যে মেজাজটা কিছুটা ডাইভার্টেড হয় কল্পনার জগতে।এখানে চাইলেই সব পাওয়া যায়,সব করা যায়। হওয়া যায় কুখ্যাত কিংবা বিখ্যাত। সব চাই,সবই পাই
তারপর ধীরে ধীরে হারিয়ে যাই নিদ্রাজগতের ফাস্ট ফোরওয়ার্ড মুডে।
ব্যস,যখন ঘুম ভাঙে তখন ভুলে যাই বিগত কিছু সময় আগের সব কিছু।অভিমানে সিলিং এ ঝুলানো পাটের দড়ি,গামছা কিংবা হাতে ধরে রাখা হেমলকের পেয়ালা  সব কিছু।
ফিরে পাই নতুন উদ্যম।বেঁচে থাকার নতুন মানে।
বুঝি,
এভাবেই বাঁচতে হয়।নিজেকে বাঁচাতে হয়। জাগাতে হয়।জাগতে হয়।
  • ৩:৪২:০০ PM
It was better than the good.
(Its how i have spent my last 72 hours.)
#৮ তারিখ,
সারা রাত ইউ টিউবে ইংলিশ মুভি।
#৯ তারিখ,
সাকাল ১০ টায় ঘুম থেকে উঠলাম। তারপর গোসল & ব্রেকফাস্ট ১১:৩০।
#১২ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত পারসোনাল অফিস ট্যুর উইথ মাই পারসোনাল সেক্রেটারি।
#৬:৩০ থেকে ক্লান্ত শরীর শ্রান্ত মনে এক ঘুমে রাত ১০:৩০ টা।
দ্যান আ সিম্পল ডিনার & দ্যান ফেসবুকিং ভোর ছয়টা পর্যন্ত।
#১০ তারিখ,
সোয়া ছয়টায় ঘুমিয়ে উঠলাম ১১ টা নাগাদ।তারপর...
দেড় ঘন্টার ছোট্ট একটা সী অফ ট্যুর।বাসায় এসে গোসল,লাঞ্চ ইত্যাদি ইত্যাদি দুপুর তিনটে।
#তখনই মনে হলো,ওহ হো! বাসা ভাড়ার টাকা তো গোছানো হলো না। (টাকা আগেই খেয়ে শেষ করে ফেলেছি।)
কয়েক জায়গায় ফোন দিলাম, অবশেষে আপন পিতার নিকট অন্যকে দিয়ে টাকা ধার করা।
#টাকা উঠাতে যাবো,সেই মুহুর্তে আমার সাবেক বাড়িওয়ালারর ফোন। উনার এক মেয়ে থাকেন আমেরিকায়।টাকা পাঠাবে কিন্তু তিনি তার ছেলের একাউন্টে টাকা নিতে রাজি নয়।(ছেলেটা টোটালি ড্রাংকেন।)। তিনি আমার একাউন্ট নাম্বার চাইলেন।বৃদ্ধার কথায় না করতে পারলাম না।এদিকে আমার ক্রেডিট কার্ডের বিল এখনো বাকি। টাকা ইন হওয়ার সাথে সাথে হাজার খানেক টাকা নাই হয়ে যাবে।আমি তাকে বুঝিয়ে বললাম সব।তিনি কিছুই শুনবেন না।উনার মেয়ে আমাকে ফোন দিলেন। বাধ্য হয়ে আমার ব্যাংক একাউন্ট দিলাম।
#বিকেল ৩:২০ আমার একাউন্টে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ইন করলো। সংগে সংগে মেসেজে কনফার্ম হলাম।
#৩:৩০ - সাত মাথায় গিয়ে ব্যাংক থেকে দরকারি এমাউন্টের  টাকা তুলে, সেই সাথে আমার ধার করা টাকা তুলে সাবেক বাড়িওয়ালার বাসায়।
ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে সাতটা বেজে গেলো ।
#আমার বর্তমান বাড়িওয়ালা কে টাকা পাঠিয়ে দিয়ে যখন চেয়ারে বসলাম তখন বুঝলাম, আমি খুব ক্লান্ত। অন্তত একটু ঘুম দরকার।এক ফ্রেন্ড কে বললাম রাত দশটা সাড়ে দশটা নাগাদ যেন ডেকে দেয়।
ঘুমিয়ে পড়লাম । সাড়ে দশটায় বন্ধু ডাক দেয়ার আগেই আমি ১০:২৩ এ ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে, খেতে খেতে ১১ টা।
#যখন ভাবছি যে কালকে তো আমার খবর আছে,ঠিক তখনই আমার পারসোনাল ফোন। রিসিভ করে কথা বলতে বলতে ১১:২০।
#সাড়ে ১১ টায় যখন পড়তে বসলাম, তখন আমার হাতে আর মাত্র ৯ ঘন্টা সময় আছে এক্সাম হলে ঢোকার।
#এই নয় ঘন্টার মধ্যে বিরতি আছে,একটু ঘুম আছে, সকালের গোসল,প্রকৃতির ডাক, খাওয়া ইত্যাদি মিলিয়ে ৫ ঘন্টা মিনিমাম ।
#১১:৩০ থেকে সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত পড়লাম(এর মধ্যে প্রতি ২৫ মিনিট পর পর ৫মিনিট বিরতি। এবং দুইবার #১৫+১৫=৩০ মিনিট বিরতি ছিলো।)
রাত সাড়ে তিনটায় আর কোনভাব
চোখ আটকে রাখতে পারছি না।বাধ্য হয়ে বেডে এলাম। ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস আপডেট দিয়ে ঘুমতে গেলাম ৪ টায়। দুই ফ্রেন্ডের পড়ার টেবিলে দুইটা চিরকুট লিখে রাখলাম যেন ৬:৩০ এ ডাক দেয় তারা।
#সকাল ৬:২৮ ঘুম থেকে উঠলাম। ফ্রেশ হতে হতে ৭ টা।আধা ঘন্টা এদিক সেদিক পাতা উল্টয়ে বই গুলো সব টেবিলেকে পড়ার জন্য দিয়ে আমি গেলাম গোসল করতে।
এদিকে অল্প ঘুমে শরীর টা টালমাটাল অবস্থা।
#৮ টা নাগাদ যখন ঘর থেকে বের হয়ে পরীক্ষার হলে গেলাম,তখন ভেবে দেখে #গত ৭২ ঘন্টার মধ্যে আমি বই পড়েছি মাত্র আড়াই থেকে তিন ঘন্টা। আর এটেন্ড করতে যাচ্ছি চার ঘন্টার এক্সামে!!
#পরীক্ষার হলে যখন কোশ্চেন পেপার হাতে পেলাম তখন মনে হচ্ছিলো সবই পারি আবার কিচ্ছু পারি না।
কিন্তু যখন লিখতে শুরু করলাম, তখন লিখেই যেন শেষ করতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত পারলামও না।কিন্তু যা লিখলাম #its better than the good.
মনে মনে উপরওয়ালা কে একটা থ্যাংকস দিয়ে বের হলাম।
প্রমথ চৌধুরী কে স্মরণে এনে ভাবলাম,
যাক অল্প কথায় যদি কাজ হয় তবে বেশি কথার দরকার কি??
১১/০৮

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৫

  • ১:০৮:০০ AM
স্বপ্ন দেখাটা ছাড়তে পারিনি বলে খুব পস্তাতে হয়।সেই ছোট বেলা থেকে বড় বড় স্বপ্ন দেখে এসেছি। সেসব স্বপ্ন গুলো সে সময় এতই বাস্তব ছিলো যে,মনে হত যেন স্বপ্ন গুলোকে আমি ধরতে পারতাম,স্বপ্নের স্পর্শ অনুভব করতে পারতাম।কিন্তু সময়ের সাথে সাথে নিজের অবহেলা আর অনাদরে স্বপ্নগুলো ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে লাগলো। আমি স্পষ্টতই স্বপ্নের এই হারিয়ে যাওয়াকে উপলব্ধি করতে পারছিলাম। কিন্তু কেন জানি তাকে ধরে রাখতে ইচ্ছে করেনি।
তারপর দিনের পর দিন চলে গেছে,বছরের পর বছর, যুগ পেরিয়ে আরেক যুগ এসেছে। আমার স্বপ্নের ভেলাও সময়ের সাথে সাথে দিক পরিবর্তন করতে থাকে।কিন্তু কেন জানি স্বপ্ন দেখা ফুরিয়ে যায়নি।
আমার আকাশ কুশুম স্বপ্ন দেখাকে বাবা বলতে,"কাঁচের স্বপ্ন।"
আমি বাবাকে কখনোই সাপোর্ট করিনি।বরং বলেছি,"উহু,It'll b true."
কিন্তু আজ বহু বছর পর,বহু পথ ঘাট ঘেটে জীবনের এমন এক লগ্নে উপনীত হয়েছি যে মনে হয়, বাবার কথাই ঠিক ছিলো । সত্যি আমার স্বপ্নগুলো ছিলো কাঁচের স্বপ্ন।
তবে এত শত ভাবনার ভেতরেও স্বপ্নরা বাসা বাঁধে।আবারো স্বপ্ন দেখি,অবাস্তব স্বপ্ন গুলোর বাস্তবায়নের।
কিন্তু কি জানি! স্বপ্ন গুলো বোধ হয় অনেক বেশিই স্বপ্ন ছিলো।
বাস্তবতার কষাঘাতে জর্জরিত জীবনে কল্পনাবিলাস মানায় না। এ কথাটি এতদিন পরে এসে বুঝলাম।
সেই সাথে ভুলের চক্রবৃদ্ধি সুদের হার সময়ের সাথে সাথে আজ আকাশ ছুঁয়েছে। যেখান থেকে মুলধন বাঁচিয়ে জীবন গড়া হয়েছে প্রায় দুঃসাধ্য। জীবনের দেউলিয়াত্বে আমি কেবলি এক পরীক্ষণের বস্তু ছিলাম কি? আজ কেন জানি এ প্রশ্নের ইতিবাচক জবাব মেলে।তবে কি এ পথ চলা থমকে যাবে সময়ের নিষ্ঠুর পরিহাসে?
কি জানি,আমি কেন জানি তাও মেনে নিতে পারছি না।
স্বপ্নগুলোর ভাঙাচোরা অংশ গুলো এবার জোড়া দিতে ইচ্ছে করছে খুব। আরেকবার পরিপূর্ণ এক স্বপ্ন দেখতে চাই।নিবিড় সান্নিধ্য চাই স্বপ্নের চরিত্রগুলোর,সুকোমল স্পর্শ একটি বারের জন্য উপলব্ধি করতে চাই বাস্তবে।
আমি কি পারবো?
অন্তত একটি বারের জন্য হলেও যে আমাকে পারতে হবে।
আমি যে এখনো নিঃশেষ হয়ে যাইনি।বেঁচে আছি।
#নীলকান্ত

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৫

  • ২:৩৪:০০ PM
খুব বেশি প্রয়োজন না হলে আয়নার সামনে দাড়ানো হয়না। আর দাড়ালেও চুলের এপাশ থেকে ওপাশ কোন মত চিরুনি চালিয়েই শেষ।
আজ হঠাৎ ই আয়নায় নিজের বয়সের ভাটা পড়া দেখে থমকে গেলাম।
একি! মাথার দু একটা চুল কি খুব বেশি চকচক করছে?
প্রথমে মনে হলো সোনালী রঙের, কিন্তু ভালো ভাবে খেয়াল করতেই বুঝলাম, নাহ! এ তো ঠিক সোনালী না!  সাদা সাদা কিছু একটা !!
নিজের চোখকে কিছুক্ষন ভ্রম মনে হলো। আবারো ভালো ভাবে হাতড়ে দেখলাম,হ্যা ঠিকই। এ রঙ সাদাই।
আমার চুলের যৌবন বুঝি শেষ হবার পথে। নিজের চোখে বয়সের ছাপ ফুটে উঠলো বেশ করে! কিন্তু কেন?
হ্যা এটা তো ন্যাচারাল একটা ব্যাপার।আর আমি জানি চুল শুধু বয়সের কারনেও পাকে না।কারন,অনেক মধ্য বয়সী লোককে দেখেছি কালো মিচমিচে চুল নিয়ে দিব্যি যুবক। আবার অনেক টীনেজ কেও দেখেছি মাথার পাকা চুল নিয়ে যেন জীবনের ভাটিতে পৌঁছে গেছে।
তাহলে চুল পাকে কেন? আর আমারই বা চুল পাঁকলো কেন!!
চুল পাঁকা টা বলতে সাধারণত চুল সাদা হয়ে যাওয়াকে বুঝি আমরা। আর চুল সাদা হয় তখনই যখন,চুলে WTN প্রোটিনের ঘাটতি হয়।WTN হলো এমন এক প্রোটিন যা চুলের রং নির্ধারণ কারী কোষ মেলোনোসাইট কে প্রভাবিত করে।ফলে চুল সাদা হয়। আবার বলা হয় ভিটামিন বি-১২ এর ঘাটতিও চুল পাকার পেছনে দায়ী।।
তাহলে কি আমার ভিটামিন বি-১২ এর ঘাটতি হয়েছে? নাকি WTN প্রোটিনের?
ঘাটতি যাই হোক,ঘাটতির পেছনের কারন খুব পরিস্কার! :p
তাই এবার আসল প্রসঙ্গে আসি।
পুরুষের শরীরে একটা ছোট্ট ওয়ারহাউজ আছে।সেখানে দুটি ডিম্বাকার শুক্রাণু উৎপাদনের ড্রাম আছে।এবার একজন পুরুষ তার সেই উৎপাদন কেন্দ্র থেকে কতটুকু স্পার্ম থ্রো আউট করতে পারে তা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন রকম হয়।
তবে লাগাতার কোন পুরুষ এই কাজটি প্রতিদিন কিংবা দু চারদিন পরপর দু চারবার করলে তার শরীরে ভিটামিন বি-১২  থেকে শুরু করে, WTN,ক্যালসিয়াম সব কিছুরই অভাব হবে, এইটাই স্বাভাবিক! :p
দুর মিয়া, আমারে আবার খারাপ ভাইবেন না! এটা প্রমাণিত সত্য কথা। ১২ মাসে গার্লফ্রেন্ড আমার ১২ পোয়া ক্যালসিয়াম, ১২ তোলা WTN  আর ১২ আনা বি-১২ শেষ কইরা দিছে!
চুল তো পাঁকবেই।না পাইক্কা কি আর উপায় আছে? :p :p

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০১৫

  • ৮:৩৩:০০ PM
বেঁচে থাকতে আমরা যাকে প্রানাধিক ভালোবাসি, ঠিক কবরে শুইয়ে দিয়েই তাকে বেমালুম ভুলে যাই।
আজ সত্যি একটা উপলব্ধি হলো, আর তা হচ্ছে," বেঁচে থাকাটাই একটা মিরাকল,কিন্তু মৃত্যুটাই একটা  ফ্যাক্ট।
বেঁচে থাকাটাই অস্বাভাবিক, মৃত্যুটাই স্বাভাবিক,চিরন্তন।
শামসুর রহমানের "ফটোগ্রাফ" কবিতার কথা মনে পরছে। সেই কয়েক লাইন,
" কী সহজে হয়ে গেল বলা,
কাঁপলো না গলা
এতটুকু,বুক
চিরে বেরুলো না দীর্ঘশ্বাস,চোখ ছলছল
করলো না এবং নিজের কন্ঠস্বর শুনে
নিজেই চমকে উঠি,কি নিস্পৃহ,কেমন
শীতল।"
মিস ইউ ফুফি।
Writer information NILKANTO