:::: MENU ::::
  • slider image 1

    Take my hand, take my whole life too.

  • slider image 2

    I never want to live without you

  • slider image 3

    I am who I am because of you.

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

  • ১১:৪১:০০ PM
আমার ভেতরে একটা পৃথিবী আছে,
সেখানে তুমি নামের ঝর্ণা আছে,
দিন হয়, রাত হয়, শিশির পড়ে।আমার ভেতরেও একটা আকাশ আছে,
সেখানে তুমি নামের মেঘ জমে,
ঝড় হয়, বিদ্যুৎ চমকায়, বৃষ্টি ঝরে।




আমার ভেতরেও একটা আকাশ আছে,
সেখানে তুমি নামের মেঘ জমে,
ঝড় হয়, বিদ্যুৎ চমকায়, বৃষ্টি ঝরে।
আমার ভেতরেও না একটা পৃথিবী আছে,
সেখানে তুমি নামের ঝর্ণা আছে,
দিন হয়, রাত হয়, শিশির পড়ে।
  • ৩:০৩:০০ PM

প্রিয় পুটি ,

অনেক দিন পর লিখছি তোমায়। অনেকবার তোমায় লিখবো বলেও লিখা হয়ে উঠে না। হৃদয়ের যন্ত্রণা গুলো চাপা দিয়ে রাখি, রাখতে হয়। তবুও যখন ঘুরে ফিরে সব গুলো সোস্যাল মিডিয়া হাতরে তোমাকে না পাই, তখন গোপনে রেখে দেয়া আমার স্মৃতির এলবাম থেকে রোমান্থন করি ফেলে আসা এক শত বিশ শতাব্দীর দিন গুলো। 

Sad Memories_Puti_Ai

তোমার আমার সেই দিন গুলো। আজো তেমনি খুব মনে পড়ছিলো তোমায়। স্মৃতির এলবাম হাতড়ে গত এক যুগ আগের দিনগুলো আবার বের করলাম। কালবৈশাখী ঝড়ের মধ্যে ছাদের উপর তোমার আমার খুনসুটি, রাতের পর রাত জেগে ভিডিও কলে আমাদের সেই ভালবাসা, দীর্ঘ বিরহের পর এক পশলা বৃষ্টির মত দশ বছর পর একদিনের সেই ঘুরাঘুরি, সব কিছু। 


নিজের অজান্তেই বুকটা ভারী হয়ে গেলো। কোথায় যেন এক না পাবার যন্ত্রনা আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিলো। আমি সেই যন্ত্রণা বুকে নিয়ে লিখতে বসলাম তোমায়। 


জানো পুটি, আমার জীবনে তুমিই একমাত্র নারী যাকে আমি এত ভালবেসেছিলাম, এত ভালবাসি যে এখনো ভুলতে পারিনা। হয়ত পারবো না। হয়ত তুমিও কখনো কখনো আমাকে মনে করো এমনিভাবে। হয়ত এমনি করেই কোন এক নিস্তব্ধ রাতে খুঁজে বেড়াও আমাকে। 


হতে পারে এটা আমার কল্পনা। কিন্তু মনে হয় তুমিও খুজো আমাকে। শুধু তোমার সেই খোজার কোন ট্রেস থাকে না। আর আমি ইচ্ছে করে তোমার কাছে আমার ট্রেস রেখে আসি। যদি কোনদিন আবার আমাকে খুজো তবে যেন খুঁজে পাও। 

সত্যি বলছি, এখন হয়ত জীবনের পাশাখেলায় হেরে যাওয়া মানুষটা চাইলেই আর ফিরে যেতে পারে না। চাইলেই অন্য কারো কাছ থেকে নিজের প্রিয় মানুষটাকে ছিনিয়ে আনা যায় না। কিন্তু তাহলে এত কষ্ট হয় কেন? 

একটা ভুলে জীবনটা এমন হয়ে যাবে কখনো ভাবতে পারিনি। আর আজ ভেবেও কুল কিনারা পাইনা। দুজনের ভুল ছিলো, কিন্তু সত্যিই বলছি, তোমাকে ভালবাসায় আমার কোন খাত ছিলো না। 

যাই হোক, কি লিখব,লিখব না, বুঝতেছিনা। অন্য কোন দিন আবার লিখব। বুকের ভেতরটা হাহাকার করছে। ভাল থেকে প্রিয় নারী। আমি না হয় তোমার স্মৃতির সাথে খারাপই থাকলাম । কখনো আমাকে খুঁজে পেলে তোমার চিহ্ন রেখে যেও। জানব, তুমি আমাকে খুঁজে পেয়েছিলে,খুজতে এসে।


ভাল থাকো। 

ইতি

মটু

কালেক্টেড

বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

  • ১২:৩৯:০০ AM
সেই কবে কোন এক বসন্তে দেখেছিলাম তোমায়
ক্যাফের পাশে মেঘছোয়া সেই কৃষ্ণচুড়া গাছটার নিচে।
আগুনরঙা কৃষ্ণচুড়ার গালিচার ওপর দিয়ে হাটছিলে তুমি
নীল শাড়িতে কি যে অপুর্ব লাগছিলো তোমায়!
মুগ্ধ বালকের মতো চেয়ে ছিলাম তোমার পানে
মনে আছে?
আচ্ছা,আমাকে কি বেহায়া ভেবেছিলে সেদিন?
জানো,আমার জীবনেও যেন বসন্ত নেমে এসেছিল,সেবার।
সেই প্রথম এবং সম্ভবত শেষ বসন্ত।

তারপর একে একে কেটে গেছে গীস্ম,বর্ষা,শরৎ
অগ্নিবৃষ্টির মতো ঝরে গেছে সবগুলো কৃষ্ণচুড়া।
কতদিন হয়ে গেলো দেখিনা তোমায়
পরিচিত কাচের চুড়ির শব্দও শুনিনা।
সেই কবে শুনেছিলাম তোমার কন্ঠস্বর,
দেখেছিলাম তুচ্ছ কথায় তোমার রাগত মুখ
তারপর একে একে কত বসন্ত কেটে গেলো
শুনিনি তোমার কন্ঠস্বর,তোমার হাসি
কালের গর্ভে হারিয়ে যায় কত বসন্ত
কই,আমার বসন্ত তো আর আসে না!
আসবে কিভাবে? 
বাসন্তী ছাড়া কি বসন্ত সম্ভব বলো!
আবার কোন এক বসন্তে
আকাশী-নীল শাড়িটা পড়ে এসো 
সেই কৃষ্ণচুড়া গাছটার নিচে।
আর একটিবার শুধু!

এবার কিন্তু ভুল করবে না
কপালের কালো টিপটা এবার যেন থাকে।
এবারও কিন্তু খোলা চুলেই আসবে
আরেকবার নিজেকে হারাবো তোমার ভেজা চুলের গন্ধে
শেষ বেলায় আর একটিবার 
অন্তত একটিবার ফিরিয়ে দিও আমার বসন্ত!

  • ১২:৩৭:০০ AM
যে পদ্মফুলের প্রেমে পড়েছি
সে তো অন্য কারো জলসীমানায়,
তবুও কেন মাতাল এ মন, 
তারই গন্ধে নিজেরে মাতায়!  

আমি এক শুষ্ক মরু, 
যদিও আজও হইনি কারো।
তবুও নিজেরে লুকায়ে রাখি
বর্ণচোরা স্বভাব আমার।।



আরেকটু আগে দেখা হওয়া উচিত ছিল আমাদের।
যখন কুমারীত্বের অহংকারে তুমি ছিলে বুদ
আর আমি তৃষ্ণার্ত দাঁড়কাক হয়ে খুঁজেছি
ভালবাসার পুরোনা শরাব।

আরেকটু আগে। 
যখন তুমি আমি পিছুটান হীন, স্বাধীন।
ছিল না কিছুই  ফিরে তাকাবার।।
বুদ হয়ে থাকা আমি, নেশায় তোমার।


শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫

  • ৯:২৫:০০ PM

১৭ জানুয়ারি ২০১৫

তখন আমি বগুড়ায়।  এক রুমের একটা বাসায় থাকি আমি। নিজে রান্না করে খাওয়া সে দিন গুলি কখনো ভুলবার না। এ যে শতাব্দীর গল্প।

আলহামদুলিল্লাহ এখন সবার নিজ নিজ সংসার হয়েছে তবে সেই ব্যাচেলর সংসার কখনো ভুলতে পারবো না কেউ।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫

বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪

  • ৬:৩৫:০০ PM

অনেকবার ভেবেছি রাজনৈতিক কোন বিষয় নিয়ে কোন পোষ্ট করবো না। দেশ যেখানে আছে,যেখানে যাচ্ছে যাক। কিন্তু একজন নাগরিক হিসাবে চুপ থাকিতেও পারছিনা।

আচ্ছা, বলেন তো, বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা কেন স্বৈরাচারী হয়ে উঠে?
কেন তারা সত্যের পথে থাকতে পারে না? কিংবা কেনই বা রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে প্রশাসন যন্ত্র দূর্নীতিগ্রস্থ হয়?

আপনারা আপনাদের মতামত দিয়ে যাবেন আশা করি। আর আমার ব্যক্তিগত মতামত টা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, দেখেন ব্যাপারটা আপনার সাথে মেলে কিনা!

আমার মতে, আমাদের দেশের সংবিধান আমাদের দেশের রাজনৈতিক দল গুলোকে স্বৈরাচারী আর দূর্নীতিগ্রস্থ করার একটা লাইসেন্স দিয়ে রেখেছে। আর যেহেতু স্বৈরাচার ও দূর্নীতি সরাসরি সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত, সুতরাং দল গুলো তো স্বৈরাচারী হবেই, ব্যক্তিগুলো তো দূর্নীতিবাজ হবে সেটাই স্বাভাবিক!  তাই না? হা হা হা!

বলতে পারেন, আমি বোধহয় পাগলের প্রলাপ করছি। 😊 কিন্তু আমি এখন যে যুক্তিগুলো দেবো সেটা শোনার পরও আপনার যদি মনে হয় আমি পাগলের প্রলাপ করছি তাহলে ভিন্ন কথা! আমি বুঝে নেবো, আমি আপনাকে বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি অথবা আমার যুক্তিগুলো কেয়ার করার যোগ্য না।

আচ্ছা, আমাকে কি আরেকটু সময় দেবেন??
কথাটা বলে শেষ করি তাহলে! কি শুনবেন তো? শুনুন তবে...

বাংলাদেশের সংবিধানের একটা আর্টিকেল নিয়ে কথা বলি। সবচেয়ে বিতর্কিত একটা আর্টিকেল। যেটি আর্টিকেল 70 নামে পরিচিত। এখন প্রশ্ন জাগছে হয়ত, আর্টিকেল ৭০ কি? কেনই বা আমি এটা নিয়ে কথা বলছি! আর রাজনৈতিক দলের স্বেচ্চাচারীতা বা স্বৈরাচারী হওয়ার সাথে এই আর্টিকেলের কি সম্পর্ক!

হ্যা ভাই সম্পর্ক আছে। খুব গভীর সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক আলোচনা করার আগে আর্টিকেল সেভেনটি কি সেটা আগে জেনে নেই চলুন।

সংবিধানের আর্টিকেল সেভেন্টিঃ
এই আর্টিকেলটির শিরোনাম হলোঃ
Vacation of seat on resignation or voting against political party.
অর্থ্যাৎ, "রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া"। 

শিরোনামেই বুঝতে পারছেন যে, এই আর্টিকেল টা মূলত সংসদ সদস্যদের পদত্যাগ কিংবা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে কি হবে সেই আইনের কথা বলা হয়েছে। এবার চলেন অনুচ্ছেদটা পড়ি-

Artical 70:
" A person elected as a member of Parliament at an election at which he was nominated as a candidate by a political party shall vacate his seat if he –

(a) resigns from that party ; or
(b) votes in Parliament against that party ;

but shall not thereby be disqualified for subsequent election as a member of Parliament."

যদি বাংলায় বলি তাহলে-
"কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
 
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
 
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।]"

এই আর্টিকেল থেকে কি বুঝলেন? আর সংবিধানের এই আর্টিকেলটার সাথে রাজনৈতিক দলের সরকার গঠন করার পর স্বৈরাচারী হওয়ার সাথেই বা সম্পর্ক কি সেটা কি বুঝলেন?
হয়ত কেউ কেউ ইতোমধ্যে এটা বুঝতে পেরেছেন। কেউ কেউ হয়ত আগে থেকেই জানতেন। 

যাই হোক, এবার আমি আসি মূল কথায়। অর্থ্যাৎ এই আর্টিকেলের সাথে আমার উপরের বক্তব্যের সম্পর্ক স্থাপনে।

মূলত সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানকে কিংবা সরকার প্রধানকে কিংবা দলের মোটোকে তার নিজ দলের সাংসদদের বিদ্রোহ থেকে সুরক্ষা প্রদান করেছে। সেই সাথে সাথে সাংসদদের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার হরণ করেছে। আর সাংসদ যেহেতু জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে সংসদে যান তাই পরোক্ষভাবে জনগণের মত প্রকাশের অধিকারকে হরণ করেছে খুবই সুকৌশলে। 

এর ফলে কি হচ্ছে?
এর ফলে কোন জনবান্ধব সাংসদ দলের অনৈতিক, জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্ত কিংবা আইনের বিরোধিতা করতে পারে না। যদিও সে চায় কিন্তু সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের কারণে তা সম্ভব হয়ে উঠে না। কারণ দল কোন সিদ্ধান্ত বা আইন সংসদে উত্থাপন করলে তার পক্ষে ভোট না দিলে সংসদ সদস্যের সদস্যপদ শূন্য হয়ে যায়।  ফলে দল যে সিদ্ধান্তই গ্রহন করুক কিংবা উত্থাপন করুক তা সংসদে সহজেই পাশ হয়ে যায়। 

ব্যাপারটা অদ্ভুত না? একটা সাধারণ মানুষও এই আইন জানলে বলবে,এর চেয়ে অদ্ভুত,ফালতু আইন আর হয়না! 

কিন্তু মজার ব্যাপার কি জানেন?
এ যাবৎকালে অর্থ্যাৎ ১৯৭২ সালে সংবিধানে এই ধারা সংযুক্তির পর এ পর্যন্ত একাধিক রাজনৈতিক দল একাধিকবার দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচিত হলেও কেউই এই অনুচ্ছেদ পরিবর্তনের কথা ভাবেন নাই। 
আরে বাবা,ভাববেই বা কি করে! এই অনুচ্ছেদের পরিবর্তন হলে যে দলের স্বেচ্ছাচারিতায় প্রভাব পড়বে। সেটা কি আর কেউ চায়? তার মানে কি তারা এই অনুচ্ছেদ বুঝতেন না? তারা কি এই আইন সংশোধন করতে চাইতেন না? 
হ্যা। চেয়েছে। কিন্তু ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী থেকেই আমি উপরের আর্টিকেল ৭০ হুবুহু তুলে ধরেছি। এবার বুঝেন কি সংশোধন হয়েছে!! ঘন্টা সংশোধন হয়েছে। বরং সবাই এই আইনের ফয়দা লুটেছেন। কেউ ১০ বছর তো কেউ ১৬ বছর! 

আচ্ছা, এত কথা বললাম,জিজ্ঞাসা করলেন না, এর মধ্যে দলগুলোর স্বৈরাচারী হওয়ার ব্যাপারটা কিভাবে এলো? 
যদি এই জিজ্ঞাসা আপনার মনের মধ্যে আসে তাহলে বুঝতে হবে আপনার এই লেখার পুরো অংশটা আবার করে পড়া উচিত। আর যদি না আসে,আপনি যদি বুঝতে পারেন ব্যাপারটা  তাহলে বুঝবেন আপনি সত্যিই বিবেক সম্পন্ন জ্ঞানী ব্যক্তি। 

আর যারা সম্পর্ক টা ধরতে পারেন নাই কিংবা আরো ডিটেইলস জানতে চাইছেন তাদের জন্য একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝাই।

ধরেন, একটা রাজনৈতিক দল দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচিত হলো। এদের মধ্যে দলকানার বাহিরে জন বান্ধব সংসদ সদস্যও আছেন কিছু। এবং এর মধ্যে আরো কিছু সাংসদ আছেন যারা সময়ে সময়ে অন্যের ভাল কাজের দ্বারাও ইনফ্লুয়েন্ড হন। এবং তিনিও ভাল কিছু করতে চান। এখন, দলের মধ্য হতে একটা সিদ্ধান্ত হলো এমন একটা আইন পাশ করার যার ফলে কোন নাগরিকের প্রাইভেসি বলে কিছু থাকবে না।  বিলটা সংসদে উত্থাপিত হলো।যথারীতি স্পীকার মহোদয় বিলটির সামর্থনে ও বিপক্ষে কারা তাদের হা/না ভোট করলেন।

এবার সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এর কারণে যেটা হবে সেটা হলো বেশিরভাগ সাংসদ বিলের বিপক্ষে থাকলে হ্যা ভোট দিতে বাধ্য হবেন। কারণ তা না হলে তার সংসদ সদস্যপদ শূন্য হয়ে যাবে। অর্থ্যাৎ তিনি এমপিত্ব হারাবেন। 
আর যদি এমন হতো, এই আর্টিকেল টা বিলুপ্ত করা হয়েছে। তাহলে কি হত? তাহলে এই বিলের বিপক্ষে ওই রাজনৈতিক দলের জনবান্ধন সাংসদগণও "না" ভোট প্রদান করতে পারতেন। ফলে এরকন একটা কালো আইন পাশ করা সম্ভব হত না। 

এবার বুঝলেন? কি কারণে এই আর্টিকেল টার বিলোপ দরকার? কিভাবে এই আর্টিকেল টা রাজনৈতিক দলগুলোকে যা ইচ্ছা তা করার সুযোগ করে দিচ্ছে! যার চাক্ষুষ ও রিসেন্ট উদাহরণ হলো বিগত সরকারের শাসনামল।  

আচ্ছা,এবার আসি এই আর্টিকেলের সাথে দূর্নীতির সম্পর্ক কি?

আচ্ছা একটা কথা বলেন তো, আপনার কোন বন্ধু যদি একটা আকাম করে আর সেটা যদি আপনি বাধ্য হয়েও সামর্থন করেন কিংবা আপনি ব্যাপারটা জানেন। তাহলে আপনার বন্ধু আপনার কাছে ধরা থাকবে কিনা!
 এর ফলে আপনি কোন আকাম করে ফেললেও আপনার ওই বন্ধু যতই জানুক সে বিষয়ে সেও কিন্তু আপনাকে সামর্থন দিতে বাধ্য হবে।সেটা প্রকাশ্যে হোক আর মৌন ভাবে হোক। দেবে কিনা বলেন??

যদি আপনার আকামে আপনার বন্ধু সামর্থন দেন, আর আপনার বন্ধুর আকামে আপনি, তাহলে দেশের মাথায় বসে যারা একজন আরেকজনের সামর্থনে কিংবা ব্যবহার করে বড় বড় আকাম করবে তাদেরকে কে রুখতে যাবে? কে বাধা দেবে? কেই বা আইনের আওতায় আনবে!! 

দূর্নীতির ব্যাপারটা দেশের টপ টু বোটম এই চেইন মেইন্টেইন করেই হয়। কারণ সংসদে যখন দলের এক আকাম করার কিংবা ঢাকার জন্য সকল সদস্য ব্যবহৃত হয় তখন তাদের দূর্নীতি করতে রুখবে কে? আর এরা দূর্নীতি করতে, প্রতিপক্ষ কে ঘায়েল করতে, দখলদারী, নিয়োগ বানিজ্য করতে যখন সরকারের কর্মচারীদের ব্যবহার করে তখন ওই প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও দূর্নীতির সুযোগ নেবে এটাই স্বাভাবিক।।

আর এভাবেই এরকম প্রতিটা ক্ষেত্রে সংবিধান এর এই আর্টিকেল সবাইকে সুরক্ষা দিচ্ছে কিংবা সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে।। আপনার কি মনে হয়? ভিন্ন কিছু মনে হলে জানাতে পারেন। আমি একটু শিখতে চাই,জানতে চাই কেন এই দেশের রাজনৈতিক দলগুলো স্বৈরাচারী আর সবাই দূর্নীতিগ্রস্থ হয়ে উঠে।😊

লেখাঃ 
সরকার মোহাম্মাদ হারুন অর রশিদ©

সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

  • ৩:৩৪:০০ PM
যদি বছর পঁচিশ পর, 
কাঁচাপাকা চুলে আসে বয়সের ছাপ,
বাঁ পাজড়ের নীচে থাকা প্রেস মেকারে 
ধুকে ধুকে চলে হৃদস্পন্ধন, 
সেদিনও তোমায় ভালবেসে যাবো।

পথ চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে যদি তুমি
পেছন ফিরে চাও, 
দেখবে সেদিনও তোমার হাত
ধরার জন্য আমি হাত বাড়িয়ে আছি।
যদি আরো বছর দশ পর
চামড়ার ভাজে ভাজে জেগে উঠে বয়সের ছাপ,
শরীরের ভার বইতে না পারে বৃদ্ধ পা,
তোমার হাতের লাঠি হয়ে 
সেদিনও ভালবেসে যাবো।


একশত বিশ শতাব্দীর স্মৃতির আস্তরণে
যদি ধূলো জমে যায়!
মোটা ফ্রেমের চশমার নীচে ক্ষীন দৃষ্টির চোখ দুটো যদি
ছলছলিয়ে উঠে! রুমাল হাতে মুছে দেবার জন্য
সেদিনও দেখবে আমি পাশে বসে আছি।

যদি বছর পচিশ পর
জীবনের স্বাদ অবসাদে একলা রাতে, 
গুরুমগুরুম বজ্রপাতে ভয় হয়! 
স্মৃতিরা যদি তীব্র ঝড় তোলে তোমার হৃদয় আঙিনায়!
সেদিনও দেখবে প্রশস্ত বুক নিয়ে আমি তোমারি প্রতীক্ষায়।।

যদি আরো বছর কুড়ি পর
স্মৃতির আস্তরণে ঢাকা বহমান নদীটার
প্রবাহ থমকে যায়!
যদি ধোয়া ধোয়া ফেলে আসা স্মৃতিগুলো 
ক্ষনে ক্ষণে নাড়া দেয় ছিড়ে যাওয়া নিউরনে,
সেদিনও তোমায় ভালবেসে যাবো।

নীলকান্ত©
৬ মে ২০২৪ ইং



রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪

  • ২:১৬:০০ PM
দরজার আড়ালে লোনা জল লুকোনো যায়,
কষ্ট লুকোনো যায় না।
তুমি লুকিয়ে চোখের জল ফেলো,
 সিঁড়ির ধাপে ধাপে আমার চলে যাবার পদশব্দে
 তোমার বুকের মধ্যে ঝড়ো কষ্ট হুহু করে উঠে।
আমি  বুঝি,আমি অনুভব করি সেই সব
 দ্রুত থেকে দ্রুততর হওয়া হৃৎস্পন্ধন,
তোমার হাহাকার।
শুনি সেই বেদনার করুণ সুর,
যে সুরে তুমি আমায় পেছনে ফিরিয়ে আনো।

আমি স্তব্ধ হয়ে যায়।
চোখের জল মুছে হাসির আড়ালে হাহাকার লুকাই,
তোমার মত করে।
তারপর আবার মনকে ভুলিয়ে সামনে এগুই।
পেছনে পরে থাকে তোমার জলে ভেজা চোখ।
আমার ভালোবাসা। 

ধৈর্য্যের মিথ্যে শান্তনা দিয়ে মনকে বুঝাই,
এই তো আর ক'টা দিন।
তারপর তো সব আগের মত হয়ে যাবে। 
যেমন ছিলো। 
#নীলকান্ত

সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪

  • ৯:৫৮:০০ AM
ধূলো আর কাঁদাতে মাখামাখি
আমার গাঁয়ের মেঠো পথ,
কত অবহেলা ছিলো তার প্রতি..
ছিল অজস্র রাগ অভিমান,
নাগরিক সুবিধা যত আছে ঐ
জমাকালো শহরে,
না না, এ গ্রাম, 
এ মেঠো পথ,
এ নয় আমার উপযুক্ত স্থান।।

মনের ভেতর জমকালো ঐ শহরের হাতছানি
নিয়ন বাতি, টিং টিং রিক্সা আর মোটরের হর্ণ
সারারাত জেগে থাকা শহরের বুকে
কি না জানি আছে কোন সাত রাজারই ধন!

আছে শিক্ষার পরিবেশ, হবে নতুন বন্ধু শত
আমিও এগিয়ে যাবো
পেরুবো আছে বাধা যত,
হবে উপযুক্ত কর্মসংস্থান,
না না, এই গ্রাম,
এই মেঠো পথ,
এ নয় আমার উপযুক্ত স্থান।।

অতঃপর দৃঢ় মনোবল, দৃপ্ত শপথ
ধরেছিলাম জমকালো শহরের পথ।
কত রঙিন আলো,
কত শত মানুষ, 
বন্ধু,বান্ধব,  টাকার উড়াউড়ি..।।
গ্রামের ছেলে শহরে আছি, বেড়েও গেছে মান।
না না, ওই গ্রাম,
ওই মেঠো কাদামাখা পথ,
এ নয় আমার উপযুক্ত স্থান।।

এভাবে সময় গড়ায়।
ধরা পরে অদেখা শহরের কদর্যতা, 
চোখের সামনে সম্ভ্রম হারায় নারী,
উচু উচু দালানকোঠার উপর দিয়ে
সূর্যের ক্ষীণ আলোর মতই
ভালো গুলো আসে-যায়।
কুৎসিত চেহারাটা ফুটে উঠে দু চোখে।

শূন্য পকেটে অসহায় হয়ে পরে ক্লান্ত শরীর,
মাথা গোঁজার ঠাই টুকুও ঠেলে দেয় 
খোলা আকাশের নীচে।
নিয়ন বাতির আলোয় শরীরী আত্মাগুলো
খদ্দের খুঁজে বেড়ায়, 
পেটের ক্ষুধা মেটাতে গ্রামের সবচেয়ে সরল মেয়েটিও 
অন্যের দেহের ক্ষুধা মেটায় হোটেলের স্যুইটে।
তারপর, 
নিরবে অশ্রু জলে গোসল করে।
বাথরুমের শাওয়ার ছেড়ে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে হয়,
পারে না। 
উচ্চশিক্ষার স্বপ্নগুলো বাথরুমের শাওয়ারে ধুয়ে যায়, মুছে যায় সতীত্বের অহংকার।
কেউ কেউ উপদেশ দেয়, সতীত্ব কি!!  ওসব কিছুনা।
কিন্তু তবুও বিবেকের কাছে চির অপরাধী হয়ে
আরেকবার বাঁচার ইচ্ছায় পা বাড়ায় অচেনা। 

এ শহরে সব হয়,
জমকালো আলোয় দিন কখনো রাত হয়না।

২০ জানুয়ারি ২০২০
  • ৯:৪৫:০০ AM
হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে ওঠা 
আঙুলের ফাঁকে সিগারেট।
ধোয়া উঠা কুয়াশা
ডায়েরির ছেড়া পাতা
কলমের কালি শেষ। 
ভাল নেই বলেই আমি, 
ভালো আছি বেশ।। 

ধরে রাখা হাত, নির্ঘূম রাত
জমাট স্বপ্নের প্লাটিলেট।
ফেলে আসা দিন
সবশেষ চুম্বন 
নেই কিছু আর অবশেষ।
ভাল নেই বলেই আমি, 
ভালো আছি বেশ।। 

#নীলকান্ত
২ নভেম্বর ২০২২
3:30 am

সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

  • ৬:৪৫:০০ AM
প্রোফাইলে এখন দুজনের ছবি শোভা পায়।
সিংগেল স্ট্যাটাসটাও In a relationship.
আঙুলে জ্বলজ্বল করা রিংটা বলে দিচ্ছে
এংগেজড। রিলেশনটাও বেশ Deep.
তাই ভার নেই আর।
মাথার উপর চাপ নেই অপরাধবোধের।
হালকা ভাবে নেমে গেছে হৃদয়ের ভার।
বেশ উৎফুল্ল ভেতরের প্রেমিক মন,
শুধু মাঝে মাঝে ভিজে যাচ্ছে দু চোখের কোণ,
তবুও চাপ নেই আর।
নেমে গেছে জমা রাখা হৃদয়ের ভার।

প্রোফাইলে এখন চশমা পড়া ছেলেটার পাশে
টোল পড়া গাল।
একদিন এই প্রেমিকের চোখেও চশমা ছিলো,
কিন্তু প্রোফাইলে এই ফটো আপডেট করার সাহস হয়নি।
এখন অবশ্য বিষয়টা অন্য,
রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসে কমপ্লিকেটেড থেকে
এখন হয়েছে ম্যারিড টু...
আগের আর এখনকার ব্যাপারটা পুরোটাই ভিন্ন!
চাপ নেই। ভার মুক্ত এখন প্রেমিক।
অপরাধবোধের ঘূণ আর হৃদয় পোড়াবে না।
চোখের কোণে একটু আধটু জল,
সে তো আসতেই পারে! 
ভুলে যেতে সেই টোল পড়া গাল।
তবু চাপ নেই আর। একদম কোন চাপ নেই।।

#নীলকান্ত

বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

  • ১১:৫৩:০০ AM
প্রিয়তা,
তুমি আমার সুখের সময় যেমন আমার পাশে থাকো, তেমনি দুঃখের সময়ও সুখের স্পর্শ দিতে এগিয়ে আসো।
তুমি এভাবেই পাশে থেক আমার।তুমি পাশে থাকলে অনেক সাহস পাই,ভরসা পাই।জীবন যুদ্ধে লড়াই করার জন্য আবারো শক্তি পাই।

স্বীকার করছি আমার জীবন অনেক ছন্নছাড়া, অগোছালো টাইপের।কিন্তু বিশ্বাস করো,এখন খুব গুছিয়ে চলতে ইচ্ছে করে।ইচ্ছে করে যে, একটা সুন্দর স্বপ্ন সাজাই তোমাকে নিয়ে।যেখানে তোমার আমার ভালোবাসা দিয়ে সাজানো গোছানো একটা ঘর থাকবে,সুখ থাকবে, সচ্ছল একটা জীবন থাকবে। এ স্বপ্ন দেখা কি পাপ?
তবে
অনেক সময় কিছু বিলাসী স্বপ্নে আমি খুব বিভোর হয়ে যাই।বিভোর হয়ে যাই, একটা পরিপাটি, সুন্দর বিলাসী স্বপ্নে। যেখানে তোমার চাওয়ার আগেই সব ইচ্ছে পূরণ হয়ে যায়।।তোমার মনের মধ্যে কোন কিছু স্পন্দিত হলেই তা তোমার সামনে হাজির হয়ে যায়,এমন এক বিলাসী স্বপ্ন।।
কিন্তু,
আমি জানি,তুমি আমার কাছে এমন কিছুই চাও না,বা যা তোমার খুব দরকার তাও চাও না।কিন্তু আমার একটা মন আছে, জ্যোতিষীর মত মন।যা তোমার মনকে ঠিক পড়ে নিতে পারে।যে কথা তুমি মুখে বলো, অথবা তোমার হৃদয় যে কথাগুলো  স্পন্দিত হয়,সব। 
তাই তুমি না চাইলেও কিংবা কোন কথা তোমার মুখ ফুটে না বের হলেও ঠিক তা আমার কানে পৌঁছে যায়।। তখন মনে হয়, যদি পারতাম তবে পৃথিবীকে তোমার হাতের মুঠোয় আর সমগ্র মহাকাশ ও তার গ্রহ নক্ষত্র গুলো তোমার পায়ে লুটাতাম। 

লক্ষীটি,
আজ ভালোবাসা দিবসে হয়ত সবাই প্রেমিকার মন রাখায় ব্যস্ত।কিন্তু দেখো,কি হতভাগা আমি যে,তোমার সাথে হাত ধরে হাটবো,তাও হয়ে উঠলো না।ছোট একটা আশা তাও পূরণ হলো না।
তবে এটাই আমার অনেক বড় পাওয়া যে,তুমি আমাকে বুঝতে পারো। কখন,কিভাবে চলতে হবে তুমিই তা আমাকে শেখাও।এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে?

আমি যখন হতাশার চাদরে মুখ লুকিয়ে ঘরের কোনে নিজেকে বন্দী করেছি,ঠিক তখনই তোমার বিজ্ঞ অভিমত আর শান্তনার বিচক্ষণতায় আমি  আশ্চার্যান্বিত।
মিষ্টি করে বুকের কষ্ট বুকে লুকিয়ে আমাকে বললে, "আজ হলো না তো কি হয়েছে? এখনো অনেক সময় আছে  । "

এর পরে কি আর কোন দুঃখ থাকতে পারে? পারে না।
জান, সত্যি আমিই সৌভাগ্যবান যে তোমাকে পেয়েছি।আর
এভাবেই সারাজীবন পাশে থেক আমার।।

ইতি
নীলকান্ত

মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪

শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

  • ৮:০৫:০০ PM
অসমাপ্ত কাব্যের ইতি টেনেছি সে সেদিনই,
যেদিন তুমি এলে।
টোল পড়া গালের হাসি,
বাঁকা চোখের চাহনি থেকে হাজার শাহনামার শব্দ নিয়ে 
তাতেই কাব্যের ইতি টেনেছি,
তারপর 
উড়েছি ডানা মেলে,স্বপ্ন নিয়ে।

অসমাপ্ত গল্পের তানপুরা টার যে তার ছিঁড়েছে,
বেসুরা বাদকের হাতে তাতেঈ আবার সুর মিলেছে।
ছন্নছাড়া জীবন নায়ের
ভাঙা দাঁড়েই টান পড়েছে! 
তোমার দেয়া স্বপ্ন নিয়ে।

সেইসব গুমরে মরা কষ্ট গুলোর দিন গিয়েছে,
এবার
অগনিত বায়ু চুম্বন সব বুকের মাঝে
ভর করেছে।
কম কি তা? 
ফেলে রাখা কলম এবার মুখ খুলেছে,
অসমাপ্ত কবিতাগুলো প্রাণ পেয়েছে,
কম কি তা?

না,কম কিছু নয়।
এ যে ভাঙা ডালায় মুক্তো মণির
ভর পড়েছে।
জীবন এবার উজান গাঙে হাল ধরেছে।
সেই সেদিন থেকে..
যেদিন তুমি এলে,
ঘর বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে,কাব্য নিয়ে,গল্প নিয়ে
জীবন রাঙানোর রং তুলি আর
নিবিড় ভালোবাসার জোসনা নিয়ে।।। 

#নীলকান্ত

শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪

  • ৭:৩৭:০০ PM
পথেরও শেষ হয়, 
ক্লান্তিতে নুইয়ে পড়ে অশরীরী মন,
বিষাদের ছায়া ঠেলে বারে বারে ফিরি,
অতীতের বুকে, 
যদি তবু এতটুকু সুখ খুঁজে পাই।।
 
তারপর,
স্বপ্নের গলা টিপে
চেয়ে সদূরে,
ভুলে যাই 
আমি আর তো সেই আমি নাই।।

#নীলকান্ত©

বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৪

  • ৩:২৮:০০ AM
তখন ২০১৫ সাল। জানুয়ারি মাস। তারিখ সম্ভবত ৫ ছিলো যেদিন আমার একশত বিশ শতাব্দীর যাত্রা শুরু হয়েছিলো। 

আজো সেই স্মৃতি বারেবারে ফিরে আসে স্মৃতিপটে। বেদনার জ্বলোচ্ছাস আছড়ে পড়ে হৃদয়তটে।
আমি নিরুপায় চেয়ে রই।।

মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

  • ২:৫০:০০ PM

The memories of childhood are vivid in my mind. I yearn for the carefree days of adolescence, the camaraderie of youth, love, and the liberating sense of freedom. Now, approaching the age of around thirty-four, if life were divided into three acts, this would mark the beginning of the final chapter. Perhaps in another five or ten years, I'll find myself transitioning into the realm of the middle-aged.


In this concluding phase of life, my perspectives on relationships have undergone profound changes. I've bid farewell to beloved uncles, aunts, and, ultimately, my cherished grandparents. The loss of my father has torn away the canopy of affection, love, security, and trust from my life. I grapple with a constant sense of insecurity, fearing the opportunistic gaze of the world around me. Each day unfolds like a recurring nightmare.


The absence of parents heightens one's awareness of their irreplaceable significance. As I reflect on my mother and my family each day, I can't help but wonder how they would cope if I were to depart. The internal pain I bear leads me to contemplate whether they, too, would endure suffering. How would they navigate the harsh realities of the world in my absence?


Yet, whether sooner or later, a day will arrive when I must let go and move forward. It would be regrettable if I couldn't secure the well-being of my family and future generations. Despite my endeavors to shield them, they may encounter challenges. Survival in this world necessitates adaptation and endurance.


Over the past thirty three years, life has been a mosaic of joy and sorrow, correct and misguided decisions. What I've gleaned from life now possesses immeasurable value. The experiences I've amassed transcend quantification. The lessons learned extend beyond the confines of formal education, with much remaining unteachable and experientially unattainable.


The love bestowed upon me in my childhood by my family and the gradual departure of those dearest to me have left me indebted. Repaying the lost love, even if unrequested, proves an insurmountable challenge. I grapple with this daily, and those dear to me witness my struggles.


Entering this phase of life entails a noticeable physical decline, whether attributed to a sedentary lifestyle or the natural effects of aging. It's unclear if it's a consequence of my indolent habits or a universal experience at this age. Regardless, managing responsibilities has become beyond my former capabilities.


And thus, thirty-three years elapse. The golden days of life slip away, leaving behind a trove of nostalgic memories.


#SelfReflection
  • ২:১৮:০০ PM

ছোটবেলার দিনগুলো খুব বেশিই মনে পড়ে এখন। কৈশোরের ছোটাছুটি, যৌবনের বন্ধুত্ব,প্রেম আর স্বাধীনতা খুব মিস করি। এখন বয়স তেত্রিশ। যৌবনকে যদি তিনভাগে ভাগ করা যায় তবে এটা যৌবনের শেষভাগ বলা যায়। বেঁচে থাকলে হয়ত আর বছর পাঁচেক পর নিজেকে মধ্যবয়সীদের দলে দেখবো। 
আর যৌবনের এই শেষভাগে এসে জীবন সম্পর্কে এতদিনের ধ্যান ধারণা অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়ে গেছে। জীবনের অনেক প্রিয় মানুষদের ইতোমধ্যে হারিয়েছি,আনেককে হয়ত আগামীতে হারাবো,অথবা যে কোন সময় নিজেকে হারিয়ে ফেলবো মৃত্যুর সেই অমোঘ সত্যতে। যা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।

এই তেত্রিশ বছরের মধ্যে আমার প্রিয় ফুফু, চাচা,আমার প্রাণ প্রিয় দাদা দাদী আর সব শেষে আমার মাথার তাজ,আমার মাথার ছাদ,বাবাকে হারিয়েছি। বাবাকে হারানোর পর মাথার উপর থেকে স্নেহ ভালবাসার, নিরাপত্তা আর ভরসার ছাদ সরে গেছে। এখন প্রতিদিনই নিজেকে ইনসিকিউরড ফিল করি। প্রতিদিনই চারপাশের স্বার্থান্বেষী মহলের লোলুপ দৃষ্টিকে ভয় পাই। এখন প্রতিদিনই একেকটা দুস্বপ্নের মত কাটে।

জীবনে বাবা মায়ের তাৎপর্য তাদের হারানোর পরেই বোধহয় মানুষ বুঝতে পারে। আজ আমি যেভাবে বুঝতে পারছি। বাবাকে হারিয়ে মা আর আমার পরিবার কে নিয়ে প্রতিদিন এত এত ভাবনা মাথায় কেড়ে পোকার মত খাচ্ছে যে, মাঝে মাঝে মনে হয়,আমি যদি হারিয়ে যাই তবে এই মানুষগুলোর কি হবে! আমি যে বেদনা সহ্য করছি নিজের ভেতর তা কি তারাও ভোগ করবে! কিভাবে এই জগতের নিষ্ঠুর চাপ তারা বয়ে বেড়াবে! 

কিন্তু আজ হোক, কাল হোক একদিন তো আমাকেও সব ছেড়ে ছুড়ে চলে যেতে হবে। আফসোস থাকবে যদি আমার পরিবার আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সিকিউর করে যেতে না পারি। হয়ত এখন আমি যেভাবে সব মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি তারাও সব মানিয়ে নেবে। কারণ এই দুনিয়াতে বাঁচতে হলে আমাদের মানিয়ে নিতে হয়,মানিয়ে চলতে হয়! 

গত তেত্রিশ বছরে জীবনের অভিজ্ঞতা সুখ দুখ, সঠিক আর ভুলের সংমিশ্রনে ছিলো। জীবন থেকে যা কিছু শিখেছি আর যা কিছু পেয়েছি তা এখন মনে হয় অতি অপ্রতুল। এই অভিজ্ঞতা আসলে কিছুই না। এই শেখা আসলে কোন শিক্ষাই না। আরো অনেক কিছুই শেখার ছিল,অনেক অভিজ্ঞতাই নেয়ার ছিল, যা শিখতে পারি নি। যা নিতে পারিনি।

ছোট বেলার পরিবারের সবার যে ভালবাসা পেয়েছি আর একে একে যেভাবে ভালবাসার প্রিয় মানুষ গুলোকে চিরতরে হারিয়েছি তা আমাকে ব্যতীত করে। আমার হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনদের কাছে আমি এতটাই ঋণী যে তাদের ঋণ আমি পরিশোধ করতে পারবো না কখনো। হয়ত তারাও চান না যে আমি তাদের ঋণ শোধ করি। হয়ত শোধ করতে পারলে তাদের এভাবে আর মনে পড়ত না। আর তাদের ঋণ পরিশোধ করার যোগ্যতাহীনতা আমাকে এতটাই ব্যথিত করে যা বুঝানো সম্ভব না।  আমি প্রতিদিন সেই যন্ত্রণায় ছটফট করি। আর যে প্রিয়জনেরা এখনো আছেন আমার পাশে তাদের জন্য কিছু করতে না পারার অপারগতা আমায় আরো বিমর্ষ করে তোলে প্রতিনিয়ত। 

জীবনের এই ধাপে এসে আসলে শারিরীক অবস্থার যথেষ্ট অবনতি হয়ে গেছে। হয়ত তা আমার বেহিসেবী জীবন যাপনের কারণে অথবা এই বয়সে এসে সবারই একটু আধটু এমনি অভিজ্ঞতা হয়। ঠিক জানিনা। তবে আগে যেভাবে সব কিছুকে থোরাই কেয়ার করতাম তা এখন আর পারি না। চাইলেও অনেক কিছু আর করা হয়ে উঠে না।

আর এভাবেই তেত্রিশ বছর পার হয়ে যায়। জীবন থেকে হারিয়ে যায় সোনালী দিন,সোনালী স্মৃতি।।

#আত্মোপলব্ধি #নীলকান্ত #nilkanto

রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩

  • ৪:২১:০০ PM

গভীর অন্ধকারে জোসনা কাঁদে আমবস্যার আধারে,
নিকোটিনের ধোয়া লুকাই কুয়াশার চাদরে।
উত্তরা বাতাসে ভাসে পোড়া হৃদয়ের গন্ধ।
আমি তো মগ্ন ছিলাম,দেবী, তুমি কি অন্ধ?


#নীলকান্ত #nilkanto
Writer information NILKANTO