:::: MENU ::::
  • slider image 1

    Take my hand, take my whole life too.

  • slider image 2

    I never want to live without you

  • slider image 3

    I am who I am because of you.

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫

  • ৩:৪৭:০০ PM
এ পথে আমার আগে বহুজন হেটেছে,পদচিহ্ন এঁকেছে আমাদের পথ দেখাতে। এবং আমিও শেষ নই, আমার পরেও অনেকেই এ পথে যাবে।
কিন্তু, এ পথে হাটতে গিয়ে কে কতটা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে এগিয়ে যেতে পেরেছে তাই দেখা হবে এক সময়। হয়তবা বারবার হোচট খেয়েও আমাদের মত আরো অনেকেই এগিয়ে যাবে চূড়ান্ত সীমানা ছোয়ার তীব্র আকাঙ্খায়। কিংবা অনেকেই পিছু হটবে যেভাবে হটেছে এর আগেও অনেকে।শুধু আফসোস, যারা পিছু হটেছিলো তাদের শুরুটা হয়েছিলো প্রচন্ড জোশ আর আত্ম অহংকারে।
কিন্তু যারা পথের ধুলো-কাদা মেখে একাকার হয়ে বারবার হোচট খেয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলো, তারাই আজ পথের সীমানায় জয়মালা পড়েছে। অভ্যর্থিত হয়েছে জীবনের কাছে।
বড় সাধ হয়,  তাদের পদধূলি ললাটে মেখে যেন একদিন আমিও দাঁড়াতে পারি এক কাতারে। কিন্তু,এখনো যেতে হবে অনেক দূর। অনেকটা পথ বাকি যে এখনো!
  • ৩:৪৫:০০ PM
দু'চোখ ভরা অভিমান নিয়ে ও প্রায়ই বলে,"তুমি আমাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাও না। "
"বল তো,আমাকে নিয়ে তুমি কোথাও বেড়াতে গেছো? "
তারপর
ওর অভিমানী চোখের পাতায় না পাওয়ার শিশিরেরা ভর করে । আমি একটু ভেবে দেখি,সত্যিই তো, ওকে নিয়ে কোথাও সেভাবে ঘোরা হয়নি!আমাদের সীমাবদ্ধ ঘোরা ফেরা শুধু সাত মাথা থেকে খোকন পার্ক আর বড়জোর বিসিএল কিংবা কোয়ালিটিরর ফাস্ট ফুড শপ।তার বাইরে তেমন কোথাও যাওয়া হয়নি।এমনকি এক দেড় ঘন্টার বেশি বাহিরে যে ওকে সময় দিতে পেরেছি তাও না! বরং যা দিতে পেরেছি তা হল, অনাগত ভবিষ্যৎ জীবনে দু'জন সারা দেশ ঘুরে বেড়াবো সেই অনিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।
তবে কি এ অভিমান যথার্থ নয়? হ্যা,,অবশ্যই তার এ অভিমান করা অমূলক নয়।অমূলক নয় অভিমানের বাহিরে এসে সম্পর্ক কে সেখানেই ইতি টানা।
কিন্তু না,সে সামান্য অভিমান করেছে বটে আবার পরক্ষণেই সে অভিমান ভুলে কখন যে দীর্ঘ ঘর সংসার করা গৃহিণীদের মত বড় মানুষ হয়ে গেছে ও নিজেও বুঝত না।
আমি ওকে বলি,"তো চল যাই,কোথাও থেকে ঘুরে আসি।"
ও তখন বড় মানুষের মত বলে,"আগে তোমার চাকরী বাকরি কিছু একটা হোক।তারপর সব সুদে আসলে উশুল করবো। কিন্তু এখন না। "
কথা বলতে বলতে ওর চোখ মুখ চকচক করে উঠত ভবিষ্তের দিকে তাকিয়ে।মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে কাঁধের উপর হেলান দিয়ে আস্তে আস্তে বলত,"আই লাভ ইউ সো মাচ সোনা।উই হ্যাভ আদারস টাইম টু গো।"
আমি ওর চোখের দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবি,"যেন সে সময় আসার আগে বিধাতা আমাকে তুলে না নিয়ে যান। তা না হলে মৃত্যুর পরেও এই অপ্রাপ্তির ভার আমায় বয়ে বেড়াতে হবে।"
এভাবে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ইচ্ছে করে জড়িয়ে ধরে বলি,আই লাভ ইউ টু।ইয়া,উই হ্যাভ আদারস টাইম টু গো।বাট উই উইল নেভার গেট দিজ মোমেন্ট ব্যাক।"
কিছুটা কষ্ট বুকের মধ্যে বাসা বাঁধতে চায়। কিন্তু ওর টোল পড়া গালের মিষ্টি হাসি আর আমার বর্তমান পরিস্থিতি বুঝে ওর এমন বড় মানুষের মত কথা শুনে সব ভুলে যাই।একে একে গত প্রায় এক বছরের সুন্দর মুহুর্ত গুলো চোখের তারায় এসে ভীর জমায়। সেই সব স্বপ্ন দেখার আর স্বপ্ন দেখানোর দিনগুলো।
ও আমাকে এতটা ভালোবাসে,এতটা কেয়ার করে,মাত্র উনিশের কোঠায় সে যখন হঠাৎ অনেক বড় হয়ে যায় তখন
নিজেকে খুব লাকি মনে হয়। মনে হয়,আমার চেয়ে পৃথিবীতে খুব কম মানুষই আছে যারা এতটা সৌভাগ্যবান হয়,এতটা ভালো কাউকে জীবন চলার সঙ্গী হিসেবে পায়।।
সত্যি কথা বলতে কি জানেন,
জীবনের ছোট ছোট সুখের মুহুর্ত গুলো আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃসময় কেও ভুলিয়ে রাখতে পারে। ছোট ছোট অভিমান ভরা মুহুর্ত গুলো আপনার বন্ধুর পথচলায় আনন্দ এনে দেয়।আপনি তখন অনায়াসে দুঃস্বপ্নের এভারেস্ট জয় করতে পারেন সহজেই।পারেন নিজেকে নতুন করে খুঁজে পেতে।
আপনার প্রিয় মানুষটির প্রতিটি মুহুর্ত কে বুঝার চেষ্টা করুন।তার ভালোলাগা, মন্দ লাগাকে যথার্থ মূল্যায়ন করুন।প্রচন্ড খারাপ লাগার মুহুর্ত গুলোতে একটু পেছন ফিরে তাকান,প্রিয় মানুষের সাথে কাটানো প্রিয় মুহুর্ত গুলো স্মরণ করুন, দেখবেন কত সহজেই সেই খারাপ লাগা ভালোলাগায় বদলে গেছে।
সম্পর্কের মাঝে রাগ-অভিমান, সুখ দুখ,হাসি-কান্না খুব পাশাপাশি। এগুলো কে এড়িয়ে যেতে কেউ পারে না।কিন্তু একটু চেষ্টা করলে নেতিবাচক বিষয়গুলোকে অবশ্যই কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রিয় মানুষটি যখন আপনার উপর প্রচন্ড অভিমান করেছে,যখন আপনার কোন ভুলে সে কষ্ট পাচ্ছে তখন অবলীলায় তাকে "সরি" বলুন। নিজের ভুলের জন্য তার কাছে মন থেকে ক্ষমা চান।অভিমান ভাঙান।
আমার মতে,সম্পর্কের মাঝে রাগ-অভিমানকে জিইয়ে রাখা কখনোই উচিত নয়। অনেক সময় আপনি যেটাকে ভাবছেন কিছুই নয়,সেটাও অন্য কারো কাছে অনেক বড় কিছু হতে পারে। তাই যত দ্রুত নিজেদের মধ্যে মিউচুয়াল হওয়া যায় ততই মঙ্গল। ততই সম্পর্ক টা দীর্ঘস্থায়ী ও সুদৃঢ় হয়।
আপনি বিশ্বাস করবেন কি না জানি না,কিন্তু আমার আর ওর মাঝে প্রতিদিন ঠুক ঠাক লেগেই থাকে।কখনো কখনো আমি ইচ্ছে করেই লাগাই আবার কখনো ভুল বুঝাবুঝিতে লাগে।কিন্তু তা সত্বেও ও কখনোই আধা ঘন্টার বেশি রাগ করে থাকেনি।এমনকি আমিও না।তবে মাঝে মাঝে আমি একটু বেশি রাগ করেছি হয়ত,একটু বেশি সময় ধরে ওকে ফোন দিচ্ছি না,কথা বলছি না কিংবা ফোন ধরছি না, তখন ও পাগলের মত আমাকে ফোন দেবে।ফোন ধরলে ধরা গলায় যখন বলে,"আই য়াম সরি।ভুল হয়ে গেছে আমার।"কিংবা "সরি জান আই লাভ ইউ।"
তখন রাগ তো দূরের কথা, আমি যে কেন রাগ করেছিলাম সেটাও আর মনে করতে পারিনা।
আচ্ছা,এটা কে কি তবে ভালোবাসা বলে? হ্যা,এটাই ভালোবাসা।আর সম্পর্কের মাঝে দুঃখ গুলো, রাগ অভিমানের কারন গুলো ভুলে যাওয়াই উত্তম।ভুলে যাই,ভুলে যায়,আপনিও ভুলে যান।
দেখবেন কত সহজেই সবকিছু সুন্দর হয়ে গেছে।পৃথিবীটাকে কত প্রেমময় কাব্যিক মনে হচ্ছে।
বেঁচে থাকার ইচ্ছেটা বেড়ে গেছে শতভাগ ।
আমি নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে করি ওকে পেয়ে।কারন ওই আমাকে শিখিয়েছে, কিভাবে ভালোবাসতে হয়। কিভাবে বাঁচতে হয়।সুন্দর পৃথিবীটাকে কিভাবে নিজের করে নিতে হয়!
তোমাকে অনেক ভালবাসি আমি,যতটা ভালোবাসা যায়।
  • ৩:৪৫:০০ PM
কয়েকটা কষ্ট ও তার অনুভূতি
#এক
যখন আপনি চাচ্ছেন কেউ আপনাকে নিজে থেকে বুঝুক কিন্তু সে বুঝছে না, কিংবা আপনার মনের কথাটা তাকে আকার-ঈঙ্গিতে বুঝাতে চাচ্ছেন কিন্তু সে বুঝতেই চাচ্ছে না তখন যে অনুভূতি টা আপনার হৃদয়ে অনুভব করবেন তা হলো কষ্ট । একটু খেয়াল করলেই বুঝবেন, আপনার হৃৎকম্পন হঠাৎই শীথিল হয়ে গেছে, জামাট কষ্টে বুকের ভেতর টা হাহাকার করছে,বুকটা চিনচিন করছে।কিন্তু সেই অনুভূতির, সেই ব্যাথা ব্যাখ্যা করার শব্দ আপনি খুঁজে পাচ্ছেন না।
#দুই
কারো জন্য আপনি পাগলপ্রায়।তার সাথে দেখা না হলে, এক-দেড় ঘন্টা কথা না হলে চারপাশের সব কিছু অর্থহীন মনে হয়,কিন্তু সে যদি আপনি ফোন না করলে ফোন না করে, তবে এক সুক্ষ্ম হতাশা আপনার মনের উঠোনে বেদনার বীজ বুনে(বোপন) দেবে।
হয়ত কোনদিন ব্যস্ততা বশত এরকম হতে পারে কিন্তু প্রতিদিন নিশ্চয়ই নয়।আর যখন প্রতিদিন এরকম হবে সেদিন বুঝবেন He/She wasn't your's but unfortunately only you were..
#তিন
আমার চোখে দেখা দু একজন বন্ধু আছে।যারা তাদেরকে নিশ্চিত চালাক চতুর আর জ্ঞানী ভাবে।এখানে ভাবনাটা দোষের কিছু না কিন্তু সেই মত কাজ করতে গিয়ে অন্যের কাছে নিজেকে ছোট করাটা দোষের।
নিজে যত বোকা থাকবেন ততই ভালো।বোকার কোন শত্রু থাকে না। কিন্তু নিজেকে চালাক জাহির করতে গিয়ে অন্য কোন বাটপারের ক্ষপ্পরে পরে ইউজড হবার কোন মানে হয়না।
এই ধরুন,
আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু। যিনি অত্যধিক চালাক চতুর হিসেবে নিজেকে মনে করে।চলাফেরা করে তার চেয়ে বড় চালিকের(চালাকের স্ত্রী লিঙ্গ ধরে নেন) সাথে। সম্পর্ক বন্ধুত্বের কিন্তু ইউজড হয় ভৃত্যের মত।
উদাহরণ সরূপঃ চালিকের পিরিয়ড কালীন তেনা থেকে সব কিছু যেন চতুরের দ্বারাই ক্রীত হয়।
তো একদিন ওকে বললাম,"শোন,তুই অন্তত কিছুদিন এসব করতে অস্বীকার কর।তারপর দেখবো তোর বন্ধুত্ব কত শক্ত! "
আমি শিওর,
যে আপনাকে তার নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছে,যার জন্য আপনি এত শত ত্যাগ স্বীকার করছেন সে কিন্তু তার নিজের স্বার্থের বিপরীতে আপনাকে এতটুকু পাত্তা দেয় না।
নিজের স্বার্থে একটু আঘাত লাগলে যে কেটে পরে সে কোনদিন আপনার বন্ধু ছিলো না।
তখন বিগত দিনগুলোর কথা মনে হয়ে যে কষ্ট পাবেন তা হবে ক্ষোভ। সে ক্ষোভ উদয় হয়ে আবার নিভে যাবে কিন্তু পোড়া জায়গাটা জ্বলতে থাকবে আপনি কাউকে দেখাতে পারবেন না।
#চার
নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু যদি একজন থাকে তবে তিনি আপনার "মা"। আর যদি দুই জন থাকে তবে আপনার "বাবা"।
পৃথিবীতে একমাত্র স্বার্থহীন/নিঃস্বার্থ  ভাবে এই দুটো সম্পর্কই আপনার সবসময় পাশে থাকবে । বাকি সবাই স্বার্থে টান লাগলে লেজ গুটয়ে পালাবে।কিন্তু সন্তান কখনো তার বাবা-মা'র জন্য নিঃস্বার্থ হতে পারে বলে মনে হয় না।
এর প্রমাণ লাগলে একটা বিয়ে করে ফেলুন। বিয়ের পর স্ত্রী যখন সেপারেট বাসা ছাড়া থাকবেই না তখন বুঝতে পারবেন আপনি আপনার বাবা-মা'র জন্য কতটা নিঃস্বার্থ ভাবে দিতে পারেন!
আর যদি কপাল ভালো হয়,তবে হয়ত একটা নিঃস্বার্থ বৌ পেতে পারেন।আর শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই আপনি হবেন সুখী। কিন্তু যদি বিপরীত হয় তবে??
জৈবিক চাহিদার একটা সম্পর্ক আপনাকে বুকের মধ্যে নাড়ীর টান অনুভব করতে দেবে না। কিংবা আপনি অনুভব করলেও তাতে সারা দেবার শক্তি জৈবিক প্রনালীতেই আটকে থাকবে  । আপনি বের হতে পারবেন না।
তখন যে ব্যাথা অনুভব করবেন তা হলো বিষ মুখে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে গিলে ফেলে বাঁচতে চাওয়ার আকুতির মত। মৃত্যু নিশ্চিত কিন্তু বাঁচা???
- অনিশ্চিত
#নীলকান্ত
  • ৩:৪৫:০০ PM
যখন হতাশা আমাকে ঘিরে ধরে তখন স্বপ্ন আমাকে  বাঁচাতে শেখায়।
প্রথমত, যে কোন কারনেই হোক মাঝে মাঝে ভীষন মেজাজ খারাপ হয়।
যেমনঃএই মুহুর্তে আমার মেজাজ খুব খারাপ। আর মেজাজ খারাপ থেকে আসে হতাশা,অভিমান, জীবনের প্রতি মায়াহীনতা।
২য়ত, মেজাজ খারাপ থাকলে আমার কষ্ট লাগে।যেহেতু কষ্ট টা মস্তিস্ক নিয়ন্ত্রিত তাই মাথা ব্যাথা শুরু হয়।
তৃতীয়ত, হার্ট অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। যেমনঃ বুকটা চাপ ধরে থাকে,মনে হয় শ্বাস কষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘ নিশ্বাস নিলে তবে একটু ভালো লাগে কিন্তু অস্থিরতা বেড়ে যায়।
গলা ছেড়ে চেঁচাতে ইচ্ছে করে কিন্তু পারিনা।
৩য়ত, এরকম পরিস্থিতি তে নিজেকে অন্যরকম অসাহায় লাগে। মনে হয় কারো আদর ভালোবাসা মাখা দু'টো কথা হয়ত আমার সবকিছু ভালো করে দিতে পারে।কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত তা পাওয়া তো দূরে থাক বরং ......।
#৪র্থত
তখন আমি নিজেকে একা করে রাখি। ইচ্ছে হয় কেউ খোঁজ নিক,কেউ বলুক,আমি পাশে আছি।কিন্তু সেরকম কিছুই হয় না। ঘরটা অন্ধকার করে রাখি, যেন কেউ আমার কষ্ট টা বুঝতে না পারে।তারপর আঁধারের বুকে স্বপ্ন আঁকি সফেদ রঙের আচড়ে লাল নীল স্বপ্ন।।কিন্তু সে স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়!
এর মধ্যে মেজাজটা কিছুটা ডাইভার্টেড হয় কল্পনার জগতে।এখানে চাইলেই সব পাওয়া যায়,সব করা যায়। হওয়া যায় কুখ্যাত কিংবা বিখ্যাত। সব চাই,সবই পাই
তারপর ধীরে ধীরে হারিয়ে যাই নিদ্রাজগতের ফাস্ট ফোরওয়ার্ড মুডে।
ব্যস,যখন ঘুম ভাঙে তখন ভুলে যাই বিগত কিছু সময় আগের সব কিছু।অভিমানে সিলিং এ ঝুলানো পাটের দড়ি,গামছা কিংবা হাতে ধরে রাখা হেমলকের পেয়ালা  সব কিছু।
ফিরে পাই নতুন উদ্যম।বেঁচে থাকার নতুন মানে।
বুঝি,
এভাবেই বাঁচতে হয়।নিজেকে বাঁচাতে হয়। জাগাতে হয়।জাগতে হয়।
  • ৩:৪২:০০ PM
It was better than the good.
(Its how i have spent my last 72 hours.)
#৮ তারিখ,
সারা রাত ইউ টিউবে ইংলিশ মুভি।
#৯ তারিখ,
সাকাল ১০ টায় ঘুম থেকে উঠলাম। তারপর গোসল & ব্রেকফাস্ট ১১:৩০।
#১২ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত পারসোনাল অফিস ট্যুর উইথ মাই পারসোনাল সেক্রেটারি।
#৬:৩০ থেকে ক্লান্ত শরীর শ্রান্ত মনে এক ঘুমে রাত ১০:৩০ টা।
দ্যান আ সিম্পল ডিনার & দ্যান ফেসবুকিং ভোর ছয়টা পর্যন্ত।
#১০ তারিখ,
সোয়া ছয়টায় ঘুমিয়ে উঠলাম ১১ টা নাগাদ।তারপর...
দেড় ঘন্টার ছোট্ট একটা সী অফ ট্যুর।বাসায় এসে গোসল,লাঞ্চ ইত্যাদি ইত্যাদি দুপুর তিনটে।
#তখনই মনে হলো,ওহ হো! বাসা ভাড়ার টাকা তো গোছানো হলো না। (টাকা আগেই খেয়ে শেষ করে ফেলেছি।)
কয়েক জায়গায় ফোন দিলাম, অবশেষে আপন পিতার নিকট অন্যকে দিয়ে টাকা ধার করা।
#টাকা উঠাতে যাবো,সেই মুহুর্তে আমার সাবেক বাড়িওয়ালারর ফোন। উনার এক মেয়ে থাকেন আমেরিকায়।টাকা পাঠাবে কিন্তু তিনি তার ছেলের একাউন্টে টাকা নিতে রাজি নয়।(ছেলেটা টোটালি ড্রাংকেন।)। তিনি আমার একাউন্ট নাম্বার চাইলেন।বৃদ্ধার কথায় না করতে পারলাম না।এদিকে আমার ক্রেডিট কার্ডের বিল এখনো বাকি। টাকা ইন হওয়ার সাথে সাথে হাজার খানেক টাকা নাই হয়ে যাবে।আমি তাকে বুঝিয়ে বললাম সব।তিনি কিছুই শুনবেন না।উনার মেয়ে আমাকে ফোন দিলেন। বাধ্য হয়ে আমার ব্যাংক একাউন্ট দিলাম।
#বিকেল ৩:২০ আমার একাউন্টে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ইন করলো। সংগে সংগে মেসেজে কনফার্ম হলাম।
#৩:৩০ - সাত মাথায় গিয়ে ব্যাংক থেকে দরকারি এমাউন্টের  টাকা তুলে, সেই সাথে আমার ধার করা টাকা তুলে সাবেক বাড়িওয়ালার বাসায়।
ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে সাতটা বেজে গেলো ।
#আমার বর্তমান বাড়িওয়ালা কে টাকা পাঠিয়ে দিয়ে যখন চেয়ারে বসলাম তখন বুঝলাম, আমি খুব ক্লান্ত। অন্তত একটু ঘুম দরকার।এক ফ্রেন্ড কে বললাম রাত দশটা সাড়ে দশটা নাগাদ যেন ডেকে দেয়।
ঘুমিয়ে পড়লাম । সাড়ে দশটায় বন্ধু ডাক দেয়ার আগেই আমি ১০:২৩ এ ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে, খেতে খেতে ১১ টা।
#যখন ভাবছি যে কালকে তো আমার খবর আছে,ঠিক তখনই আমার পারসোনাল ফোন। রিসিভ করে কথা বলতে বলতে ১১:২০।
#সাড়ে ১১ টায় যখন পড়তে বসলাম, তখন আমার হাতে আর মাত্র ৯ ঘন্টা সময় আছে এক্সাম হলে ঢোকার।
#এই নয় ঘন্টার মধ্যে বিরতি আছে,একটু ঘুম আছে, সকালের গোসল,প্রকৃতির ডাক, খাওয়া ইত্যাদি মিলিয়ে ৫ ঘন্টা মিনিমাম ।
#১১:৩০ থেকে সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত পড়লাম(এর মধ্যে প্রতি ২৫ মিনিট পর পর ৫মিনিট বিরতি। এবং দুইবার #১৫+১৫=৩০ মিনিট বিরতি ছিলো।)
রাত সাড়ে তিনটায় আর কোনভাব
চোখ আটকে রাখতে পারছি না।বাধ্য হয়ে বেডে এলাম। ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস আপডেট দিয়ে ঘুমতে গেলাম ৪ টায়। দুই ফ্রেন্ডের পড়ার টেবিলে দুইটা চিরকুট লিখে রাখলাম যেন ৬:৩০ এ ডাক দেয় তারা।
#সকাল ৬:২৮ ঘুম থেকে উঠলাম। ফ্রেশ হতে হতে ৭ টা।আধা ঘন্টা এদিক সেদিক পাতা উল্টয়ে বই গুলো সব টেবিলেকে পড়ার জন্য দিয়ে আমি গেলাম গোসল করতে।
এদিকে অল্প ঘুমে শরীর টা টালমাটাল অবস্থা।
#৮ টা নাগাদ যখন ঘর থেকে বের হয়ে পরীক্ষার হলে গেলাম,তখন ভেবে দেখে #গত ৭২ ঘন্টার মধ্যে আমি বই পড়েছি মাত্র আড়াই থেকে তিন ঘন্টা। আর এটেন্ড করতে যাচ্ছি চার ঘন্টার এক্সামে!!
#পরীক্ষার হলে যখন কোশ্চেন পেপার হাতে পেলাম তখন মনে হচ্ছিলো সবই পারি আবার কিচ্ছু পারি না।
কিন্তু যখন লিখতে শুরু করলাম, তখন লিখেই যেন শেষ করতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত পারলামও না।কিন্তু যা লিখলাম #its better than the good.
মনে মনে উপরওয়ালা কে একটা থ্যাংকস দিয়ে বের হলাম।
প্রমথ চৌধুরী কে স্মরণে এনে ভাবলাম,
যাক অল্প কথায় যদি কাজ হয় তবে বেশি কথার দরকার কি??
১১/০৮
Writer information NILKANTO