:::: MENU ::::
  • slider image 1

    Take my hand, take my whole life too.

  • slider image 2

    I never want to live without you

  • slider image 3

    I am who I am because of you.

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০১৫

  • ৮:২৩:০০ PM

বাহিরে প্রচন্ড বৃষ্টি সেই সাথে বজ্রপাত হচ্ছে বেশ ঘন ঘন।কাঁচের জানালা ভেদ করে বিদ্যুতের ঝলকানি এসে মুখে পড়ছে বারংবার।
হয়ত তুমি থাকলে জানালার পর্দাটা আরেকটু সরিয়ে দুজন মিলে বৃষ্টি দেখতাম,মেঘের গর্জন শুনতাম।হয়ত তুমি থাকলে,  আমার বুকে মুখ লুকিয়ে আড় চোখে বিদ্যুতের চোখ ধাঁধানো নৃত্য দেখতে, মেঘ দেবতার হুংকারে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরতে  পরম নির্ভরতায়।
  তারপর হয়ত, সময়ের কাটা কখন ভোর নিয়ে আসত টেরই পেতাম না।হয়ত, বসন্তের রাতে বৃষ্টি ভেজা হিমেল হাওয়ায় তুমি আমি উষ্ণতা খুঁজে নিতাম গভীর চুম্বনে। হয়ত, এভাবেই বৃষ্টি শেষে সকালের সূয্যি মামা সেই জানালার ফাঁক গলে তোমার কপোলে সোনালী চুম্বন এঁকে দিত!
হয়ত এভাবেই, যেভাবে তুমি আমি, আমি -তুমি স্বপ্ন দেখছি দু প্রান্তে বসে।।।।
#নীলকান্ত
  • ৮:১৮:০০ PM
স্বাধীনতা তুমি আর কত দূর!
আর কত জীবন গেলে শান্তি পাবে?
আর কত রক্ত পেলে তোমার মিটবে পিপাসা ??
আর কত ছোট্ট খুকির ঝলসানো
শৈশব দিয়ে ক্ষান্ত হবে?
স্বাধীনতা,
আর কত মানুষ মরলে তুমি আসবে কাছে??
আর কত বছর পেরুলে তুমি বৃদ্ধ হবে?
আর কত দিনমজুরের খাবার কাড়লে
তোমার  মিটবে ক্ষুধা ?
আর কত জীবন গেলে তুমি শান্তি পাবে!!!!
(এমন স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখেই কি তারা যুদ্ধে গিয়েছিল? যে দেশে ক্ষমতার জন্য কেউ হাত রক্তাক্ত করতে কুন্ঠিত হয়না, কিংবা ক্ষমতার লালসায় কেউ রক্তের মিছিল করে??
এমন একটা দেশের জন্য? এরকম এক স্বাধীনতার জন্য কি তারা প্রাণ দিয়েছিলো???)
#ঞ্জল
  • ৮:১৭:০০ PM
স্বপ্নের পাল্লা অনেক ভারী হয়ে গেছে এখন তাই দু হাত লাগিয়েও তা তুলে ধরতে পারছি না।
সেই ছোট বেলা হতে আজ পর্যন্ত শুধু স্বপ্ন দেখেই গেলাম তা আর পূরণ করা হলো না।আর সেই অপূর্ণ স্বপ্নরা আজ মিছিল মিটিং সমাবেশ করে আমার বিরুদ্ধাচরণ করছে।অবশ্য তার জন্য তাদের যথেষ্ট যুক্তিসংগত কারনও বিদ্যমান। তাই অনেক চেষ্টা করেও যেমন তাদের ধর্মঘট রুখতে পারছি না তেমনি তাদের দাবি পূরণ করবো আজ সেটাও নাগালের বাহিরে চলে গেছে।কখনো কখনো এটা মনে হয় যে,ধুর..সবগুলো কে ছাটাই করে দেই কিন্তু ২০বছরের লালিতপালিত স্বপ্নগুলোর মায়া ত্যাগ করা চাট্টিখানি কথা না।তাছাড়া নিজের কাছেই খারাপ লাগে এই ভেবে যে,
আজ অবধি তাদের জন্য আমি কিছুই করিনি,যা করার কথা ছিল বা দরকার ছিল।তাই তাদের এই ধর্মঘট যুক্তিযুক্ত এবং অবসম্ভাবীই বলা চলে।
তাহলে এতসব অপূর্ণ স্বপ্নের মিছিলে আমি হারিয়ে যাচ্ছি না তো? কিংবা হেরে যাচ্ছি স্বপ্নের সাথে স্নায়ু যুদ্ধে?
হয়তবা।
তারপরেও আরেকবার উঠে দাড়ানোর একটা সুযোগ হয়ত আছে।কিন্তু আমি উঠে দাঁড়াতে পারবো তো?
হয়তবা।
জীবনের এই দ্বিধান্বিত প্রশ্নে আমি কি ধীরে ধীরে অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছি? কই আমারো তো আর সবার মত হাত আছে,চোখ আছে,নাক আছে,পা আছে, মাথা আছে, সবই আছে তবে আমি কেন পারবো না??
জীবনের শত শত ভুল আজ স্বপ্ন পূরনে বাধার সৃষ্টি করেছে।নিজের সুক্ষ্মাতি সুক্ষ্ম ভুল গুলো চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে।এখন শুধু সেই ভুলগুলোকে ডিঙিয়ে সামনে এগুনোর পালা। আমি পারবো তো?
আমি পারবো তো স্বপ্নের মিছিলে সামনে থাকতে? অপূর্ণ পাল্লা ভারী স্বপ্ন গুলো কে পূর্ণতার দিকে এগিয়ে নিতে?
আমাকে যে পারতেই হবে। তা না হলে সারা জীবন স্বপ্ন পোড়ার জ্বালা যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে আর তা এখনকার চেয়ে বেশি দূর্বিষহ।।
# নীলকান্ত
  • ৮:১৫:০০ PM
উত্তর-পশ্চিম থেকে অবিরত বয়ে চলা হিমেল হাওয়ায় গা শিরশির করছে।তাই বাধ্য হয়ে রুম থেকে হালকা শীতের টি শার্ট পড়ে আবার ছাদে এলাম।
ছাদটাকে বেশ সুন্দর লাগছে।পূব  আকাশে লুকোচুরি খেলা চাঁদ,মাঝে মাঝে দমকা হাওয়ায় ঝড়ে পড়া গাছের পাতার শব্দ,পায়ের নিচে শুকনো পাতার বিছানা। আর ছাদের উপর দিয়ে ধূসর আকাশের ক্যানভাস পেছনে রেখে মাথা উচু করে দাড়িয়ে থাকা মেহগনি-কড়ই এর আধো ছায়ায় এ যেন এক অন্য পৃথিবী।
বেশ ভালো লাগছে সবকিছু।।
হঠাৎ হঠাৎ ছোপ ছোপ কালো মেঘের আড়াল থেকে চাঁদটা উঁকি মেড়ে কি যেন দেখছে, তারপর আবার হারিয়ে যাচ্ছে মেঘের আড়ালে।
আচ্ছা, চাঁদটা কি দেখলো?
পাশেই বড় রাস্তা দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলা সি এন জি,অটো,বাস ট্রাকের পিক পিক, ভ্যা-ভু শব্দ কে এই পরিবেশের সাথে একটু অন্যরকম রোমাঞ্চকর অনুভুতির সঞ্চারক বললে অত্যুক্তি হবে না।
বোধ হয় জীবনকে নতুন করে দেখার এ এক অন্যরকম তৃপ্তি।
কিন্তু সব কিছুর মাঝেও একটা অতৃপ্তি, তুমি নেই বলে।
I miss u,miss u so much.
#নীলকান্ত
  • ৪:৪৫:০০ PM
মুক্তিচিন্তা,প্রগতিশীলতা ও উগ্রতা বলতে যা আমি বুঝিঃ
------------------------------------+---------
প্রগতিশীলতাঃ
যে কোন ধর্ম কে আঘাত দিয়ে লেখা বা বলাকে প্রগতিশীলতা বলা যায় না।
প্রগতিশীলতা হলো এমন সব চিন্তা চেতনা যা মানুষের সামাজিক অবক্ষয়, নৈতিকতা বোধ, সামাজিক কুসংস্কার বা সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে বিদ্যমান অসংগতি কে তুলে ধরে এবং এর থেকে উত্তরণের চিন্তা,বক্তব্য বা লেখনি।।
মুক্ত চিন্তাঃ
"মুক্ত চিন্তা বলতে যে কোন বিষয়ে ব্যক্তি তার যে ব্যক্তিগত অভিমত প্রকাশ করে কিন্তু ব্যক্তির চিন্তা চেতনা, বক্তব্য বা লেখনি যদি কোনভাবে সমাজের যে কোন একটি নৃগোষ্ঠী  বা নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকে তবে তাকে আমরা মুক্তবাদ/মুক্ত চিন্তা বলতে পারি না।বরং এটি তার গোঁড়ামি বা ব্যক্তিগত আক্রোশ এর প্রতিফলন হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে।"
ইতিকথাঃ
আমি ইসলাম বিরোধী, খ্রীষ্ট বিরোধী বা হিন্দু বিরোধী বক্তব্য দিলে আমি নিশ্চয়ই গোঁয়ার,আর এসব আমার ঠ্যাটামি ছাড়া কিছু না।
হ্যাঁ,আমি বলতে পারি ইসলামের এই জিনিসটা ভালো, এটা ভালো না কিংবা এর কিছুটা উন্নয়ন দরকার।তাহলে ঠিক আছে।কারণ ইসলামে শরীয়তের মূল বিষয় ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে যুগোপযোগী আইন বা রীতি গ্রহন করা হয়েছে।
এবং ইসলাম একটি প্রগতিশীল ধর্ম।
হিন্দু ধর্মের মাঝে কিছু অসংগতি বা কুসংস্কার আছে বলে যদি আমার মনে হয় তবে আমি সেই বিষয় টা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা করতেই পারি।কিন্তু সেই সমালোচনার মানে এই নয় যে, আমি কোন হিন্দু মতাবলম্বী কে আঘাত দেব!
হ্যাঁ,আমি তর্কের খাতিরে কিংবা নিজের লেখনি দিয়ে এ বিষয়ে যদি এরকম মন্তব্য করি যে,
"দেখেন, আমি কোন ধর্ম মানি না।আর হিন্দু ধর্মের এই বিষয় টা আমার কাছে মনে হয়েছে এরকম কিংবা ওরকম।এটা এমন হলে ভালো হত না ওমন হলে।"
তাহলে আশা করি আপনি আপনার মুক্ত চিন্তার বহিঃপ্রকাশকও করতে পারতেন এবং হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী তাদেরও মনে আঘাত লাগত না।"
কারন হিন্দু ধর্ম একটি প্রাচীন সনাতন ধর্ম কিন্তু এর নানা বিষয় যুগে যুগে পরিবর্তন হয়েছে প্রয়োজনের খাতিরে।যেমনঃ বিধবা বিবাহ,সতীদাহ প্রথা রহিত হয়েছে, বর্ন প্রথা/কৌলিন্য প্রথা এখন খুব একটা চোখে পরে না,আমরাই দেখেছি, আগে হিন্দু রশই খানায় মুসলিমানদের যেতেই দিত না, ছোয়া কোন জিনিস হিন্দুরা স্পর্শই করত না কিন্তু এখন দিব্যি আমাদের হিন্দু বন্ধুদের ঘরে বসে আমরা চা খাচ্ছি,ভাত খাচ্ছি আড্ডা দিচ্ছি।এমনকি আমার অনেক হিন্দু বন্ধু আছে যারা একসাথে বসে গরুর মাংসও খায়।
এভাবেই প্রয়োজনে অনেক কিছুই বদলে যাচ্ছে।
খ্রীষ্ট ধর্মের কোন বিষয় আপনার কাছে ভালো না লাগলে সেক্ষেত্রে আপনি এর বিষয়ে আপনার অভিমত ব্যক্ত করতেই পারেন কিন্তু দেখবেন তা যেন ওই ধর্মে বিশ্বাসী কারো মনে আঘাত না দেয়।কারন,আপনি যেভাবে চিন্তা করবেন তা যে সবাইকে করতে হবে তা তো না।কিংবা আপনি ওই একটা বিষয়ে লিখলেন আর তা সেই ধর্মীয় বিশ্বাসী দের কাছে মনে হবে, এটাই ঠিক।তা তো না।
আপনি কোন ধর্ম বা কোন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব কে নিয়ে উপহাস করতে পারেন না।আপনি তার বিষয়ে যুক্তি নির্ভর আলোচনা করতে পারেন।এবং তার জন্য অবশ্যই সে বিষয়ে আপনার যথেষ্ট জ্ঞান এবং ভালো মন্দ উভয় দিক উপস্থাপন করতে হবে। তাতে আপনার গ্রহনযোগ্যতা পাবেন।
এবার মুক্ত চিন্তা ও গোঁড়ামি এবং উগ্রবাদঃ
এ বিষয়ে দু একটা কথা বলি।
যদি কোন ধর্মীয় গোষ্ঠী বা উপগোষ্ঠী কোন বিষয়ে বাড়াবাড়ি করে তবে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। কিন্তু সেই নিন্দনীয় কাজের জন্য সেই কাজে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা উপগোষ্ঠী কে দায়ী করা যায়।কিন্তু সামগ্রিক ভাবে সে ধর্মাবলম্বী দের বা ওই ধর্ম কে নিয়ে কিছু বলা বা বলতেই থাকা বা করতেই থাকা গোঁড়ামি। আর  সেই বিষয় বা কাজে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি এমন কোন কাজ করে যা মানবতা ও মনুষত্য বিবর্জিত এবং বল প্রয়োগ করে কোন কিছু আদায় বা আদায়ের চেষ্টা যা মানবতা লংঘন করে তা উগ্রতা।
এবার ভাবুন আপনি মুক্তচিন্তা বিদ, প্রগতিশীল নাকি উগ্রবাদী????
#এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত তাই এ বিষয়ে অন্য কারো কিছু বলার থাকলে বলতে পারেন। (কপি-পেষ্ট বর্জিত)
#নীলকান্ত
Writer information NILKANTO