:::: MENU ::::
  • slider image 1

    Take my hand, take my whole life too.

  • slider image 2

    I never want to live without you

  • slider image 3

    I am who I am because of you.

শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

  • ১২:০৬:০০ AM

আই মিস ইউ পত্র-১৬

প্রিয়তমা,

আজ বড্ড অভিমান করে তুমি বললে,
"তুমি আমাকে অনেকদিন চিঠি লিখো না ,আজকে একটা চিঠি লিখো তো ! কতদিন তোমার চিঠি পড়ি না !"
তোমার কথা শুনে হাসব না কাদবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না । হাসতে ইচ্ছে করছিল এই জন্যে যে,তোমার কথা যখন মোবাইলের স্পীকার থেকে কানে পৌছলো ,নিশ্চয়ই তখন তোমার অভিমানী মুখের অভিব্যক্তিতে ছোট্ট বাচ্চাদের মত সেই সহজ সরল ছেলেমানুষি খেলা করছিল !
আর কাদতে ইচ্ছে করছিলো এই ভেবে যে, আজ আমি তোমার পাশে নেই।দূর দুরান্তর থেকে শুধু দূরালপনির কী-প্যাডে মেসেঞ্জারের পাতায় কিংবা শব্দ তরঙ্গে বন্দী হয়ে আছে তোমার আমার ভালবাসা! যেখানে অনুভূতিগুলো ক্র্যাশ খায় হ্যাশ ট্যাগ কিংবা smiley তেই।

তবুও লিখতে বসেছি।তোমাকে অনেক অনেক কথা বলবো বলে।কিন্তু দেখ, লিখার ভাষা গুলো কোথা যেন দোল খাচ্ছে একলা মনে। কিছুতেই ধরা দেবেনা বলে পণ করেছে খুব দৃঢ় ভাবে! অভিমানী শব্দগুলো বুকের ভেতর বিরহের সুর তুলে বলছে," তোমার স্পর্শ চাই। পাশা-পাশি বসে গল্প শোনাতে চাই।আমি দূরালাপনির কী-প্যাডে বন্দী হতে আর চাই না। আমি চাই, হৃতপিন্ডের স্পন্দন দুটি এক হোক,আর ভালবাসার সুর তুলুক এক সাথে। "

#নীলকান্ত

বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

  • ১:২৮:০০ AM
এই মধ্যরাতে বিড়াল দম্পতির আবার কি হলো কে জানে! চেঁচামেচি করে পুরো ফ্লাটটা মাথায় তুলেছে যেন।সম্ভবত, পরকীয়া জনিত কারণে বিড়ালনীর সাথে বিড়ালের কিছু একটা হয়েছে। আর হবেই না বা কেন! এই তো গতকালকেও দেখলাম,বিড়ালনী তার বয়ফ্রেন্ডকে ছেড়ে অন্য একজনের সাথে ঘুটুর ঘুটুর করছে। এরকম ঘুটুর-ঘুটুর বিড়ালের সহ্যই বা হবে কেন! তাই বিড়াল মহাশয় টের পেয়ে গিয়ে হয়ত  মাঝ রাত্রে তার বিড়ালনীর সাথে এই বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছে।
যাই হোক,
বেশ কিছুক্ষণ প্রচন্ড মাথা ব্যাথা সত্ত্বেও ওদের চেঁচামেচি শুনলাম।কিন্তু আর কিছুতেই সহ্য হচ্ছে না। এমনিতেই নিজের প্রচন্ড মাথা ব্যাথায় ইচ্ছে করছে মাথাটা কেটে সাইড করে রাখি তার উপর ওদের দুজনের উৎপাতে নিজের মাথাটা কাটার আগে ওদের মাথা কেটে ছাদ থেকে বসুন্ধরার বালিতে ফেলতে ইচ্ছে করছে।
উহ! অসহ্য।
খুব রাগ হলেও শেষ পর্যন্ত নিজেকে সংবরন করলাম। নিজেকে বুঝালাম, "Everything is fair in Love & War."
করুক না একটু রাগারাগি। এটাও তো ওদের ভালবাসারই অংশ । ওদের এই মধুর কিংবা বিমধুর আলাপচারিতার মধ্যে আমার নাক না গলানোই ভাল।
তার চেয়ে বরং নিজের মাথা ব্যাথাটাকে নিয়েই একটু ভাবি।
ভাবছি....
তার কিছুক্ষণ পর মনে হলো, মাথা ব্যাথাটা বোধ হয় একটু কমেছে। খেয়াল করে দেখলাম,বিড়াল-বিড়ালনীর ঝগড়াটাও পড়ে এসেছে।এখন শুধু দু একবার মিঁয়াও মিঁয়াও শব্দ শোনা যাচ্ছে খুব ক্ষীন স্বরে।হয়ত ঝগড়া করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গলাগলি ধরে শুয়ে দুজন দুজনাকে বলছে,"তুমি এমন কর কেন? "
উত্তরে আরেকজন মৃদুস্বরে ভালবাসা নিয়ে বলছে,"আই এম সরি। "
তারপর শহুরে রাতের কোলাহলকে ভালবাসার চাদরে ঢেকে উপভোগ করছে নিস্তব্ধতা!
আর আমি?
আমি শুনছি,দুরে কোথাও হুইসেল বাজিয়ে রাতের ট্রেন এগিয়ে চলেছে গন্তব্যে ঝিক ঝিক ঝক ঝক ঝিক ঝিক!  আর বাসার পাশের ওয়াসিং ফ্যাক্টরির মেশিন থেকে বেড়িয়ে আসা ক্যাচ ক্যাচ শন শন ক্যাচ ক্যাচ শন শন শব্দ।
#নীলকান্ত

মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

  • ১০:২৬:০০ AM


নিঃস্বার্থ প্রেম বলে পৃথিবীতে কোন প্রেম নেই।এমনকি প্রেমের ক্লাসিফিকেশনেও নিস্বার্থ প্রেমের অস্তিত্ব নেই।তার মানে হলো,নারী বা পুরুষের প্রেম,খোদার প্রতি বান্দার প্রেম, প্রকৃতির প্রতি মানুষের প্রেম সকল প্রেমেই কোন না কোন স্বার্থ জড়িয়ে আছে।
কিভাবে?
আচ্ছা,তার জন্য শুধু দু' একটা প্রেমের ব্যাখ্যায় যাচ্ছি তাহলেই বাকি সব তথাকথিত নিঃস্বার্থ প্রেমের মাঝে স্বার্থপরতা খুঁজে পেতে কষ্ট হবে না।।
প্রথমত,প্রকৃতি ও মানুষের প্রেমের মধ্যে নজিরবিহীন নিঃস্বার্থ প্রেম দেখা যায়(আপাতদৃষ্টিতে।) । কিন্তু আসলেই কি মানুষ ও প্রকৃতির প্রেমে কোন স্বার্থ জড়িয়ে নেই? অবশ্যই আছে। মানুষ প্রকৃতির সাথে প্রেম করে। ভালবেসে প্রকৃতির পরিচর্যা করে।গাছ লাগায়,বায়ু দূষন,শব্দ দূষন রোধে  আইন পাশ করে।মিটিং করে,মিছিল করে, সবই করে।আর যেগুলো করতে পারেনা তাও করার চেষ্টা চালিয়ে যায়।প্রকৃতির প্রতি মানুষের এ প্রেম,"প্রেম নেহি তো কিয়া হ্যায়!" কিন্তু ইডা কি নিঃস্বার্থ প্রেম? অসম্ভব।
মানুষ প্রকৃতিকে ভালবাসে নিজের সুখের জন্য,সৌন্দর্যের জন্য আর বেঁচে থাকার জন্য  । প্রকৃতির উপকরণ মানুষের কাজে না আসলে এ প্রেম কখনোই আসতো না।
তারপর আসি খোদার প্রতি মানুষের প্রেম । আরে ভাই,এইডা তো জলের মত ক্লিয়ার! খোদার প্রতি মানুষের ভক্তি বা প্রেম হলো স্বার্থপরতার চরম উদাহরন। খোদাকে ভাল না বাসলে কপালে স্বর্গ জুটবে না,পরকালে শাস্তি পেতে হবে এরূপ ভয়ই হলো খোদার প্রতি মানুষের ভক্তি দেখানোর অন্যতম কারন।তবে মূল কারন হলো, "ডিমান্ড"।
মানে,ও খোদা তুমি আমায় স্বর্গ দাও,দুনিয়ায় ভাল একটা বউ দাও,চাকুরী দাও,রোগ-বালাই হতে মুক্তি দাও,এটা দাও,সেটা দাও, ওটাও দাও । যা আছে সব দাও।
এই চাওয়া গুলো না থাকলে মানুষ কখনো খোদার কথা মনেই করত না।প্রেম তো দূরের কথা। প্রেম বা ভক্তির সাথে যখন বিনিময় যুক্ত থাকে তবে তা,"স্বার্থপরতা নেহি তো অর কিয়া হ্যায়!! "
অতএব, মানুষের প্রেম সর্বদা স্বার্থপর। নিঃস্বার্থপরতা শুধু মাত্র একটা কল্পিত শব্দ ছাড়া কিছুই না!
এবার আসি,নারী পুরুষের নিঃস্বার্থ প্রেমে।নারী ও পুরুষের প্রেম কতটা নিঃস্বার্থ তা বুঝার পূর্বে বুঝতে হবে,

কোন নারী বা পুরুষ পরস্পরের প্রেমে পড়ে কোন কোন কারনে?

প্রথম দর্শনে প্রেম হয় কি কি দর্শন করে?

অতঃপর, প্রেমের চুড়ান্ত লক্ষ্যই বা আসলে কিসে লুকিয়ে থাকে?

উত্তর একটাই, "জৈবিক ও মানসিক শান্তি পাওয়ার ইচ্ছা।"
যখন কোন পুরুষ ও নারী পরস্পরকে দেখে বা পরস্পরের সাথে মিশে এটা অনুভব করে যে,"আমি তার সাথে থাকলে জৈবিক ও মানুষিকভাবে শান্তি পাব" একমাত্র তখনই দুজনার মধ্যে প্রেম জন্মাতে পারে।
আর এর প্রধান লক্ষ্যটা থাকে জৈবিক প্রশান্তি লাভের আশা। জৈবিক প্রশান্তি লাভ না করলে মানুষিক প্রশান্তিই উবে যাবে।তখন ভালবাসা বলেন আর প্রেম বলেন,যাই বলেন বা কেন তা থাকেনা।আবার জৈবিক চাহিদা পূরন হলেও যদি মানুষিক সুখ না পাওয়া যায় সেখানে প্রেম থাকে না । অর্থ্যাৎ "তুমি আমাকে সুখ দাও,বিনিময়ে আমি তোমাকে সুখি করবো" এরকম একটা পরোক্ষ্য বিনিময় চুক্তি জড়িয়ে থাকে  নারী -পুরুষের প্রেমে।
সুতরাং প্রেম শব্দটা নিঃস্বার্থ হতে পারে না।
তাই প্রেমে পড়লে যা বলা হয়,
"দেখ,আমি তোমাকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালবাসি। আমার ভালবাসায় কোন স্বার্থপরতা নেই।"
এটা শুধু কথার কথা। আসলে যে কথাটা বলা হয়না তা হলো, "আমি তোমাকে ভালবাসি কারন আমি স্বার্থপর। "

#নীলকান্ত

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫

  • ৬:০৮:০০ PM

দেখতে দেখতে জীবনের ২৬ টি বছর কিভাবে পার হয়ে গেল কিছু বুঝে উঠতে পারলাম না।জন্ম থেকে দুরন্ত শৈশব,শৈশব পেরিয়ে ডানপিটে কৈশোর, তারপর কিশোর বয়সের উন্মাদনা পেরিয়ে যৌবনের সাতটি বছর কেটে গেছে দেখতে দেখতেই।
বড় আদরে বেড়ে উঠা শৈশবের দিনগুলিকে আজো মনে হয় চোখের সামনে দেখতে পাই।কিছুটা ফ্যাকাসে-বিবর্ণ হয়ে গেলেও সেই শৈশব যেন আজো স্মৃতিতে বারবার ফিরে আসে! যে শৈশব ছিলো দুপুরের কাক ফাটা রৌদ্রে পুকুরে সাতার কাটার শৈশব,পাখি আর প্রজাপতিদের পেছনে সারাদিন ঘুরে বেড়ানোর শৈশব কিংবা রঙিন ঘুড়ির আবদারে সারাদিন বায়না ধরার শৈশব ! 
প্রতি সপ্তাহের শনিবার,মঙ্গলবারে  হাটুরে ব্যাগ হাতে দাদার আঙুল ধরে হাটে যাওয়া আর
খয়ের কিংবা সুধীব হালাইকারের নানা জীবজন্তুর আকৃতিতে বানানো বাতাসা খাওয়ার শৈশব।
আহা! কোথায় আমার হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি....!!
তারপর হঠাৎ করেই একদিন বুঝতে পারলাম আমি বড় হয়ে গেছি। পড়নের সুতি, জিন্স কিংবা পলিস্টারের হাফ-প্যান্ট,গেঞ্জি আর জামা গুলো খুব দ্রুত ছোট হয়ে যাচ্ছে(আমার কাছে সেসময় তাই মনে হত।মনে হত কাপড় গুলোই ছোট হচ্ছে!)। তারপর কোন এক সময় হাফ প্যান্ট ছেড়ে ফুল প্যান্ট পড়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল। আর সেই ছিলো আমার জীবনের দ্বিতীয় পর্যায়,ডানপিটে সেই কিশোরবেলা।
বাবা-মা,দাদা-দাদী,চাচা-চাচী,ফুফুদের খুব আদরে আদরেই হয়ত কিশোর বয়সের ডানপিটে জীবন পেয়েছিলাম।লেখা পড়ায় মন্দ ছিলাম না কিন্তু দুষ্টোমিতেও কম ছিলাম তা বলা যায় না! :P  (তবে আমার দুষ্টোমি কখনোই বাড়াবাড়ি পর্যায়ের ছিলো না বা আমার দ্বারা কারো ক্ষতিও হয়নি কখনো।)
কৈশোরের দুরন্তপনা ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরে এসেছিলো নিজের অজান্তেই। নিজের প্রতি নিজের ভাললাগা তারপর ভাললাগার ক্লাসিফিকেশন। সেটাও শুরু হয়েছিলো জীবনের তেরো কি চৌদ্দতম বছরে। :) সেই তো শুরু জীবনের গতির উঠা নামার। আর এই জীবনের এক্সিলারেটরে কখনো এক গতিতে এগুনো হয়নি।বার বার ব্রেক কষে গতি কমিয়েছি রং ড্রাইভে। রং রুটে চলতে গিয়ে পিছনে পড়েছি বহুবার তারপর যখন সিধে রুটে ড্রাইভ করতে শিখলাম জীবনের গাড়িটা তখন কৈশোরের ভুল ড্রাইভিং এর মাশুল গুনতে হলো খুব বাজে ভাবে।
বুঝলাম, আমি আর সেই কিশোর নই।যৌবনের প্রথম ধাপে আমার পদার্পন হয়েছে।কিন্তু তাও খুব বাজে ভাবে! :( নিজেকে একটু সামলে নিয়ে লক্ষ্যে যাওয়ার শেষ প্রচেষ্টায় এখন রত আছি।যদিও জানি লক্ষ্য আমার থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।কিন্তু শেষ প্রচেষ্টা, একটু দেরী হলেও লক্ষ্যে পৌছানো।আর সেটা অবশ্যই ভুল পথে এবং বাজে ড্রাইভিং এ নয়।।যাই হোক,
এটুকু বুঝতে বুঝতে জীবনের ২৫/২৬ বছর কেটে গেছে। চোখের সামনে একবিংশ শতাব্দীর শুরু হয়ে হয়ে ধীরে ধীরে একবিংশ শতাব্দীর পনেরতম বছর কেটে গেলো।
২০১৫:
এই শতাব্দীর পনেরতম বছর ছিলো আমার জীবনের ভালো মন্দের এক অপূর্ব সংমিশ্রন।
বছরের শুরুতে প্রিয় মানুষের সাথে অপূর্ব কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছি,যা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে মধুর সময় গুলো। বছরের মাঝামাঝি ঠিক ততটাই মন্দ সময় কাটিয়েছি যতটা সুন্দর সময় ছিলো বছরের প্রথমটা।
আর ২০১৫ এর শেষটায় যা পেয়েছি তা অবশ্যই বছরের মাঝামাঝির অপ্রাপ্তিগুলোকে ঢেকে দিয়েছে।
বিশেষ করে ২৯ ডিসেম্বর আমার জন্মদিনে আমার শত শত শুভাকাঙ্ক্ষীর শুভেচ্ছা বার্তায় আমি মুগ্ধ,কৃতজ্ঞ এবং ধন্য হয়েছি।
বিশেষ করে পুলিশ সুপার Mozammel Haque স্যার,Iftekhar Ahmed sir, Somaji নানু, Rajibul ronie ভাই,আব্দুল বারী মৃধা ভাই,জিয়া ভাই,মিঠু সিদ্দিক ভাই,ফারহানা দি,সুমাইয়া আপু সহ আমার প্রাণ প্রিয় বন্ধুদের ভালবাসা পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত,কৃতজ্ঞ। 
#আমি সবার নিকট দোয়া প্রার্থী,আমার জন্য দোয়া রাখবেন যেন আমার কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছাতে পারি।।
#ওভার অল, ২০১৫ টা আমার জীবনের জন্য আশীর্বাদেরই।আর ২০১৬? জানিনা কি হবে । তবে সৃষ্টিকর্তা যা করেন তা অবশ্যই ভালোর জন্যই করেন,করবেন।

মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫

  • ৯:০৫:০০ PM
বাংলাদেশি চ্যানেল গুলোর প্রতি মানুষের অনীহার কারন কি??
যারা এবারের বিপিএল নিয়িমিত দেখলেন তারা হয়ত এর কারন এতক্ষণে টের পাচ্ছেন।শুধু যে একটি চ্যানেলেই এরকম হয় তা না।প্রত্যেকটা বাংলা চ্যানেলেরই একই সমস্যা।
আর সেটা হলো,
পাঁচ মিনিটের অনুষ্ঠানে দশ মিনিট বিজ্ঞাপন। অসহ্য একটা ব্যাপার এটা।আমরা যারা দর্শক তারা কি শুধু বিজ্ঞাপন দেখার জন্য টিভির সামনে বসে থাকব!!কখনোই না।
আমরা জানি এবং বুঝি যে,বিজ্ঞাপন একটা চ্যানেলের আয়ের অন্যতম প্রধান  উৎস।কিন্তু তাই বলে এরকম বিরতিহীন বিজ্ঞাপন!!! যা দর্শকের বিরক্তির উদ্রেক করে,চ্যানেল পাল্টাতে বাধ্য করে!
দেখুন, আমরা দেশি চ্যানেলের উন্নতি কামনা করি।আমরা চাই বাংলাদেশের জনগন ভারতীয় চ্যানেল নির্ভর না হয়ে দেশি চ্যানেল দেখুক।কিন্তু দর্শকের উপর চ্যানেল গুলোর এরকম অত্যাচার চলতে থাকলে সেটা কি করে সম্ভব??
আমি জানি আমার এই কথাগুলো কোন চ্যানেল মালিকের দৃষ্টি গোচর হবে না। কিংবা হলেও তা মূল্যহীন  ।
কিন্তু সত্যিকারেই যদি আপনারা দেশীয় চ্যানেলকে বাংলাদেশি জনগনের নিকট গ্রহনযোগ্য করতে চান তবে এরকম অতিরিক্ত এবং বিরক্তির উদ্রেক করা বিজ্ঞাপন প্রচারের পরিমান কমান।
খুব দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে,চ্যানেল নাইন বাংলাদেশের একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেল।কিন্তু বাংলাদেশের জনগনের বহু আকাঙ্খার বিপিএল ফাইনাল ম্যাচেও যেরুপভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে তা সত্যি বিরক্তিকর। প্রতি ওভারের শেষ বল হোক বা না হোক, বল ব্যাটে লাগুলো কি লাগলো না তার আগেই বিজ্ঞাপন চলে আসে।উইকেট পড়ল কি পড়লো না তার আগেই বিজ্ঞাপন চলে আসে। উইকেট টা কিভাবে পড়লো তার রিপ্লেটা আর দেখা হয় না!! এই ত অবস্থা!
জনাব চ্যানেল কর্তৃপক্ষ,
দয়া করে আমাদের মত সাধারণ দর্শকের কথাও ভাবুন! বাংলাদেশি চ্যানেল বিমুখী হতে বাধ্য করবেন না।।
Writer information NILKANTO