:::: MENU ::::
  • slider image 1

    Take my hand, take my whole life too.

  • slider image 2

    I never want to live without you

  • slider image 3

    I am who I am because of you.

শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৫

  • ৩:৪২:০০ PM
It was better than the good.
(Its how i have spent my last 72 hours.)
#৮ তারিখ,
সারা রাত ইউ টিউবে ইংলিশ মুভি।
#৯ তারিখ,
সাকাল ১০ টায় ঘুম থেকে উঠলাম। তারপর গোসল & ব্রেকফাস্ট ১১:৩০।
#১২ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত পারসোনাল অফিস ট্যুর উইথ মাই পারসোনাল সেক্রেটারি।
#৬:৩০ থেকে ক্লান্ত শরীর শ্রান্ত মনে এক ঘুমে রাত ১০:৩০ টা।
দ্যান আ সিম্পল ডিনার & দ্যান ফেসবুকিং ভোর ছয়টা পর্যন্ত।
#১০ তারিখ,
সোয়া ছয়টায় ঘুমিয়ে উঠলাম ১১ টা নাগাদ।তারপর...
দেড় ঘন্টার ছোট্ট একটা সী অফ ট্যুর।বাসায় এসে গোসল,লাঞ্চ ইত্যাদি ইত্যাদি দুপুর তিনটে।
#তখনই মনে হলো,ওহ হো! বাসা ভাড়ার টাকা তো গোছানো হলো না। (টাকা আগেই খেয়ে শেষ করে ফেলেছি।)
কয়েক জায়গায় ফোন দিলাম, অবশেষে আপন পিতার নিকট অন্যকে দিয়ে টাকা ধার করা।
#টাকা উঠাতে যাবো,সেই মুহুর্তে আমার সাবেক বাড়িওয়ালারর ফোন। উনার এক মেয়ে থাকেন আমেরিকায়।টাকা পাঠাবে কিন্তু তিনি তার ছেলের একাউন্টে টাকা নিতে রাজি নয়।(ছেলেটা টোটালি ড্রাংকেন।)। তিনি আমার একাউন্ট নাম্বার চাইলেন।বৃদ্ধার কথায় না করতে পারলাম না।এদিকে আমার ক্রেডিট কার্ডের বিল এখনো বাকি। টাকা ইন হওয়ার সাথে সাথে হাজার খানেক টাকা নাই হয়ে যাবে।আমি তাকে বুঝিয়ে বললাম সব।তিনি কিছুই শুনবেন না।উনার মেয়ে আমাকে ফোন দিলেন। বাধ্য হয়ে আমার ব্যাংক একাউন্ট দিলাম।
#বিকেল ৩:২০ আমার একাউন্টে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ইন করলো। সংগে সংগে মেসেজে কনফার্ম হলাম।
#৩:৩০ - সাত মাথায় গিয়ে ব্যাংক থেকে দরকারি এমাউন্টের  টাকা তুলে, সেই সাথে আমার ধার করা টাকা তুলে সাবেক বাড়িওয়ালার বাসায়।
ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে সাতটা বেজে গেলো ।
#আমার বর্তমান বাড়িওয়ালা কে টাকা পাঠিয়ে দিয়ে যখন চেয়ারে বসলাম তখন বুঝলাম, আমি খুব ক্লান্ত। অন্তত একটু ঘুম দরকার।এক ফ্রেন্ড কে বললাম রাত দশটা সাড়ে দশটা নাগাদ যেন ডেকে দেয়।
ঘুমিয়ে পড়লাম । সাড়ে দশটায় বন্ধু ডাক দেয়ার আগেই আমি ১০:২৩ এ ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে, খেতে খেতে ১১ টা।
#যখন ভাবছি যে কালকে তো আমার খবর আছে,ঠিক তখনই আমার পারসোনাল ফোন। রিসিভ করে কথা বলতে বলতে ১১:২০।
#সাড়ে ১১ টায় যখন পড়তে বসলাম, তখন আমার হাতে আর মাত্র ৯ ঘন্টা সময় আছে এক্সাম হলে ঢোকার।
#এই নয় ঘন্টার মধ্যে বিরতি আছে,একটু ঘুম আছে, সকালের গোসল,প্রকৃতির ডাক, খাওয়া ইত্যাদি মিলিয়ে ৫ ঘন্টা মিনিমাম ।
#১১:৩০ থেকে সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত পড়লাম(এর মধ্যে প্রতি ২৫ মিনিট পর পর ৫মিনিট বিরতি। এবং দুইবার #১৫+১৫=৩০ মিনিট বিরতি ছিলো।)
রাত সাড়ে তিনটায় আর কোনভাব
চোখ আটকে রাখতে পারছি না।বাধ্য হয়ে বেডে এলাম। ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস আপডেট দিয়ে ঘুমতে গেলাম ৪ টায়। দুই ফ্রেন্ডের পড়ার টেবিলে দুইটা চিরকুট লিখে রাখলাম যেন ৬:৩০ এ ডাক দেয় তারা।
#সকাল ৬:২৮ ঘুম থেকে উঠলাম। ফ্রেশ হতে হতে ৭ টা।আধা ঘন্টা এদিক সেদিক পাতা উল্টয়ে বই গুলো সব টেবিলেকে পড়ার জন্য দিয়ে আমি গেলাম গোসল করতে।
এদিকে অল্প ঘুমে শরীর টা টালমাটাল অবস্থা।
#৮ টা নাগাদ যখন ঘর থেকে বের হয়ে পরীক্ষার হলে গেলাম,তখন ভেবে দেখে #গত ৭২ ঘন্টার মধ্যে আমি বই পড়েছি মাত্র আড়াই থেকে তিন ঘন্টা। আর এটেন্ড করতে যাচ্ছি চার ঘন্টার এক্সামে!!
#পরীক্ষার হলে যখন কোশ্চেন পেপার হাতে পেলাম তখন মনে হচ্ছিলো সবই পারি আবার কিচ্ছু পারি না।
কিন্তু যখন লিখতে শুরু করলাম, তখন লিখেই যেন শেষ করতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত পারলামও না।কিন্তু যা লিখলাম #its better than the good.
মনে মনে উপরওয়ালা কে একটা থ্যাংকস দিয়ে বের হলাম।
প্রমথ চৌধুরী কে স্মরণে এনে ভাবলাম,
যাক অল্প কথায় যদি কাজ হয় তবে বেশি কথার দরকার কি??
১১/০৮

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৫

  • ১:০৮:০০ AM
স্বপ্ন দেখাটা ছাড়তে পারিনি বলে খুব পস্তাতে হয়।সেই ছোট বেলা থেকে বড় বড় স্বপ্ন দেখে এসেছি। সেসব স্বপ্ন গুলো সে সময় এতই বাস্তব ছিলো যে,মনে হত যেন স্বপ্ন গুলোকে আমি ধরতে পারতাম,স্বপ্নের স্পর্শ অনুভব করতে পারতাম।কিন্তু সময়ের সাথে সাথে নিজের অবহেলা আর অনাদরে স্বপ্নগুলো ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে লাগলো। আমি স্পষ্টতই স্বপ্নের এই হারিয়ে যাওয়াকে উপলব্ধি করতে পারছিলাম। কিন্তু কেন জানি তাকে ধরে রাখতে ইচ্ছে করেনি।
তারপর দিনের পর দিন চলে গেছে,বছরের পর বছর, যুগ পেরিয়ে আরেক যুগ এসেছে। আমার স্বপ্নের ভেলাও সময়ের সাথে সাথে দিক পরিবর্তন করতে থাকে।কিন্তু কেন জানি স্বপ্ন দেখা ফুরিয়ে যায়নি।
আমার আকাশ কুশুম স্বপ্ন দেখাকে বাবা বলতে,"কাঁচের স্বপ্ন।"
আমি বাবাকে কখনোই সাপোর্ট করিনি।বরং বলেছি,"উহু,It'll b true."
কিন্তু আজ বহু বছর পর,বহু পথ ঘাট ঘেটে জীবনের এমন এক লগ্নে উপনীত হয়েছি যে মনে হয়, বাবার কথাই ঠিক ছিলো । সত্যি আমার স্বপ্নগুলো ছিলো কাঁচের স্বপ্ন।
তবে এত শত ভাবনার ভেতরেও স্বপ্নরা বাসা বাঁধে।আবারো স্বপ্ন দেখি,অবাস্তব স্বপ্ন গুলোর বাস্তবায়নের।
কিন্তু কি জানি! স্বপ্ন গুলো বোধ হয় অনেক বেশিই স্বপ্ন ছিলো।
বাস্তবতার কষাঘাতে জর্জরিত জীবনে কল্পনাবিলাস মানায় না। এ কথাটি এতদিন পরে এসে বুঝলাম।
সেই সাথে ভুলের চক্রবৃদ্ধি সুদের হার সময়ের সাথে সাথে আজ আকাশ ছুঁয়েছে। যেখান থেকে মুলধন বাঁচিয়ে জীবন গড়া হয়েছে প্রায় দুঃসাধ্য। জীবনের দেউলিয়াত্বে আমি কেবলি এক পরীক্ষণের বস্তু ছিলাম কি? আজ কেন জানি এ প্রশ্নের ইতিবাচক জবাব মেলে।তবে কি এ পথ চলা থমকে যাবে সময়ের নিষ্ঠুর পরিহাসে?
কি জানি,আমি কেন জানি তাও মেনে নিতে পারছি না।
স্বপ্নগুলোর ভাঙাচোরা অংশ গুলো এবার জোড়া দিতে ইচ্ছে করছে খুব। আরেকবার পরিপূর্ণ এক স্বপ্ন দেখতে চাই।নিবিড় সান্নিধ্য চাই স্বপ্নের চরিত্রগুলোর,সুকোমল স্পর্শ একটি বারের জন্য উপলব্ধি করতে চাই বাস্তবে।
আমি কি পারবো?
অন্তত একটি বারের জন্য হলেও যে আমাকে পারতে হবে।
আমি যে এখনো নিঃশেষ হয়ে যাইনি।বেঁচে আছি।
#নীলকান্ত

সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৫

  • ১২:৫৩:০০ PM
ভালোবাসার গানিতিক ভিত্তিঃ
"ভালোবাসা(Love) হল এমন একটা শব্দ যার মোট বর্ণ  সংখ্যা চার। এবং এর প্রথম বর্ন L,ইংরেজি বর্ণমালার ১৬ নাম্বার বর্ণ এবং তৃতীয় বর্ণ V, ২৪ নাম্বার বর্ণ। দু'টোই ৪ দ্বারা বিভাজ্য।দ্বিতীয় বর্ণ
O,  হল ১৯ নাম্বার বর্ণ এবং পঞ্চম বর্ণ  E হলো ইংরেজি বর্ণমালার ৫ নাম্বার বর্ণ, যাদের যোগফল আবার  ২৪। এবং এটি ৪ দ্বারা বিভাজ্য।
এবং সকল বর্নের অবস্থানের ক্রমিক একসাথে যোগ করলে হয় ১৬+১৯+২৪+৫=৬৪,যা ৪ দ্বারা বিভাজ্য এবং ভাগফল হয় ১৬। এবং অবাক করার বিষয় হলো ১৬ এর বর্গমূলও কিন্তু চার (৪)।
অন্যদিকে, চারটি বর্ণ দ্বারা একটা শব্দ হয় LOVE, যা বাংলাতেও চারটি বর্ণ দ্বারা গঠিত (ভা২৪+লো২৮+বা২৩+সা৩১)।
"ভালোবাসা" শব্দের "ভ" বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ২৪ নাম্বার বর্ণ এবং "ল" হলো ২৮ নাম্বার বর্ণ। দু'টি বর্ণের অবস্থান গত ক্রমিক ৪ দ্বারা বিভাজ্য এবং ভাগফল যথাক্রমে ৬ এবং ৭  । এই দু'টি ভাগফলের যোগফল ৬+৭=১৩।
আবার ২৪+২৮= ৫২ । এই ৫২ কে ১৩ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল হয় ৪।
অবাক করা বিষয় যে "ভালোবাসা" শব্দের বাকি দু'টি বর্ণ "ব" এবং "স" বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণমালার যথাক্রমে  ২৩ এবং ৩১ নাম্বার বর্ণ। যাদের সমষ্টিও আবার ৫২ এবং তা ১৩ দ্বারা ভাগ করলে দ্বারায় (৫২/১৩=৪)।
অর্থ্যাৎ ভালোবাসার গানিতিক ভিত্তি হলো ৪ এবং ভালোবাসা এই ৪ সংখ্যার উপরই আবর্তিত হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, "ভালোবাসা" একটি গানিতিক যুক্তিতে প্রবাহমান। ভালোবাসার গানিতিক হিসেব যদি না মিলাতে পারেন তবে ভালোবাসা আপনার কাছে ধরা দেবে না কিংবা আপনি কখনোই তাকে ধরে রাখতে পারবেন না।
Now check it out.
গানিতিক বিশ্লেষনঃ
_নীলকান্ত®

শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫

  • ১:১৪:০০ PM
#১৫ আগষ্ট একটা রাজনৈতিক ট্র‍্যাজেডী। স্বাধীন বাংলাদেশের একটি কালো দিন।
-----------------------
দীর্ঘদিনের পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ আহত পাখির মত বাঙালি জাতি যখন মুক্তির জন্য ছটফট করছিলো,কিন্তু মুক্ত আকাশ দেখার সাহস সঞ্চয় করে উঠতে পারেনি ঠিক তখনি একজন মহান নেতার আবির্ভাব হয়।তিনি শুধু বাঙালিকে আকাশ দেখাননি বরং সেই আকাশে কিভাবে উড়তে হয় তাও শিখিয়েছিলেন।তার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, সম্মোহনী বক্তৃতা,নিগূঢ়  দেশপ্রেম বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্খাকে করেছিলো উদ্ভাসিত । দু'শ বছরের বৃটিশ শৃঙ্খল ভেঙে যে জাতি মুক্তির স্বাদ পেতে চেয়েছে  পাকিস্থানের প্রতারণার শিকার হয়ে তারাই পুনরায় হয়েছিলো শৃঙ্খলে আবদ্ধ। কিন্তু বীর বাঙালির জন্মগত স্বাধীনতার অধিকার শোসন,নির্যাতন আর নিপীড়ন করে যে আটকে রাখা যায় না,তা বোধহয় ভুলে গিয়েছিলো পাকিস্তানি হানাদার রা।আর তাই পিছু হটতে হটতে দেয়ালে যখন পিঠ ঠেকে গিয়েছিলো তখন ঠিকই রুখে দাড়িয়েছে তারা। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ছিনিয়ে এনেছে একটা  লাল সবুজের পতাকা,ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের একটা স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখন্ড,বাংলাদেশ।
কিন্তু এই সব কিছুর পেছনে যিনি ছিলেন,যিনি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাঙালিকে মুক্ত আকাশ দেখিয়েছিলেন,ডানা মেলে উড়তে শিখিয়েছিলেন মুক্ত আকাশে তিনি আর কেউ নন,তিনি বাঙলার আপামর জনসাধারণের নেতা,বাঙালি জাতির পিতা,খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের "শেখ সাহেব" বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
"শেখ" শব্দের অর্থ নেতা বা দলপতি।সত্যিই তিনি ছিলেন বাঙলি জাতির নেতা,দলপতি। তিনি তার নামের যে সুবিচার করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।তাই বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, যতদিন একজন বাঙালিও পৃথিবীতে থাকবেন ততদিন তিনি ইতিহাসের পাতায় চির অম্লান হয়ে রবেন।
বঙ্গবন্ধুর জন্ম পরিচয় কিংবা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে তার অবদান কতটা তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। সে বিষয়ে ইতিহাসই চিরন্তন স্বাক্ষী হিসেবে রয়ে গেছে।তবে ঐতিহাসিক আলোচনা-সমালোচনার উর্দ্ধে রেখে তাকে মূল্যায়ন করাই শ্রেয়। তার অনবদ্য অবদান,দেশপ্রেম তাকে চিরস্মরণীয় বরণীয় করে রেখেছে এবং রাখবে।
কিন্তু ১৯৭৫ সালের আজকের এই দিনে এই মহান নেতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে যে ঘৃণ্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছিলো তা বাঙালি জাতির জন্য একটা লজ্জাজনক ঘটনা।আমরা কেউই এই দায় থেকে মুক্তি পেতে পারিনা। আমাদের ব্যর্থতা যে,আমরা এমন এক নিবেদিত প্রাণকে ধরে রাখতে পারিনি।আমরা তাকে হারিয়েছি আমাদেরই কিছু বিপথগামী এবং বাঙলার স্বাধীনতার দোসরদের মদদে।কিন্তু তার বিচার আজো আমরা করতে পারিনি এটা আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
হয়ত,অনেকেই আছেন যারা আজো এই নিকৃষ্ট ঘটনার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলবেন,"এটা সে সময় জরুরী ছিলো। কেউ কেউ বাকশাল গঠন কিংবা তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবেলায় শেখ মুজিবের ব্যর্থতাকে দায় করবেন। কিন্তু তাদের অন্তত এটা মাথায় রাখা উচিত যে,যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটা দেশে মাত্র তিন বছরের মধ্যে কোন ভাবেই সম্পুর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
আর সম্ভব নয় এই কারনেই যে,শান্তি স্থাপনের জন্য যেসব নিয়ামক অপরিহার্য তা সেই সময়ের মধ্যে পুনর্গঠন কিংবা পুনস্থাপন করা কখনোই সম্ভব নয়। এমনকি বর্তমান উন্নত প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সীমা যখন হাতের নাগালে তখনো সম্ভব হচ্ছে না।আর তা বর্তমান লিবিয়া,সুদান,আফগানিস্তান কিংবা অন্যান্য যুদ্ধ বিধ্বস্ত রাষ্ট্র গুলোর দিকে তাকালে সহজেই প্রমাণ করা যায়।
সেদিক থেকে ১৯৭২-১৯৭৫, ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত শেখ মুজিবর রহমান যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ কে যতটুকু এগিয়ে নিয়েছিলেন তা কল্পনাতীত। তিনি তার এক বক্তব্যে নিজের স্বল্প সময়ের সফলতা ও বিফলতা অকপটে স্বীকার করেছেন। সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত দেশের জন্য সংবিধান প্রনয়ন,আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়,যুদ্ধকালীন সময়ে দেশের ভঙ্গুর অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অবস্থাকে স্থিতিশীলকরন থেকে শুরু করে বহু উন্নয়ন কর্মকান্ড হাতে নেন এবং অনেক ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেন যা আজকের যুগেও অনেক রাষ্ট্র প্রধান করতে পারছে না।এত সব কিছুর পরেও দেশের তৎকালীন পরিবেশের জন্য তাকে এককভাবে দায়ী করা কোনভাবেই সমিচীন বলে আমি মনে করিনা।
তিনি যেসব কার্যাবলি হাতে নিয়েছিলেন বা যেভাবে দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা ওই সময়ের প্রেক্ষিতে যথাপোযুক্তই ছিলো।হাজার বছরেএ অগনতান্ত্রিকতায় অভ্যস্ত বাঙালি রক্ত মাত্র কয়েক বছরে গনতান্ত্রিক ভাবে প্রবাহিত হবে তা আসলে আবেগীয় ভ্রম ছাড়া আর কিছুই ছিলো না।এবং সে প্রমাণও আমরা নব্বই এর আগ পর্যন্ত পেয়েছি । এমনকি নব্বই এর পরেও বিভিন্ন দল ও উপদলের রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারীতা ও স্বৈরাতান্ত্রিক মনোভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এবং এটাই সত্যি যে,সেই একনায়কতান্ত্রিক প্রথাকে সাধারন  বাঙালি জাতি যত সহজে আপন করতে পেরেছে তা পক্ষপাতদুষ্ট গনতন্ত্রকে করতে পারেনি।এবং নানা ভাবে এটাও প্রমাণ হয়েছে যে,আবেগপ্রবণ বাঙালি অস্থির চিত্তের এক নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী । আর তাদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখতে হলে কঠোরতার বিকল্প নেই।
কিন্তু এত সব প্রমানিত সত্যকে অস্বীকার করে যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকে "Right act at right time" বলে আখ্যায়িত করেছে তাদেরকে স্বাধীনতার শত্রু বলতে আমি দ্বিধাবোধ করবো না।এমনকি তারা বর্তমান রাজনীতির আড়ালে যেভাবে ইতিহাস বিকৃতির ইন্ধদাতা হিসেবে নোংরা কুটকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে তারা প্রকৃত পক্ষে দেশপ্রেমিক নন।বরং পরোক্ষভাবে বাংলার স্বাধীনতা ও স্বাধিন বাংলাদেশের আদর্শ বিচ্যুত এক দল কীট।
যাই হোক,দেশের উন্নয়নের পথে শেখ মুজিবের নির্মম,হৃদয়বিদারক হত্যা কান্ডের পর দু একজন এমন শাসক এসেছেন যারা প্রকৃত দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন।তারাও দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়েছেন অনেকটা পথ।তাদের অবদানকে অস্বীকার করারও উপায় নেই।
কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি যে,বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি বিদরা যেভাবে এক জন অন্য জনের বিরুদ্ধে কাদা ছুড়াছুড়িতে ব্যস্ত এবং যেভাবে দেশের মহান নেতাদের অবদানকে ভূলুণ্ঠিত করছেন তাতে আমাদের ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ কে ছোট করা হচ্ছে।
#তারপরেও আমরা আশাবাদী যে,একদিন আমাদের রাজনীতিজ্ঞরা তাদের ভুল বুঝতে পারবেন।এবং মহান নেতাদের প্রাপ্য সন্মান-মর্যদা অক্ষুণ্ণ রেখে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেবেন।
সর্বোপরি আজ ১৫ আগষ্ট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরের ৪০ তম শাহাদত বার্ষিকী তে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি । এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।
#লেখকঃ
সরকার হারুন অর রশিদ
সিইও,SAVA BD

বুধবার, ১৭ জুন, ২০১৫

  • ১:০১:০০ PM
haunted palace photo
Haunted House: Photo collected 

মতি চোরা ও ডাইনির গল্পঃ

অনেক দিন আগের কথা। কাঞ্চিপুরের শেষ সীমানায় থাকতো মতি চোরা।তার নাম ডাক আর চুরির গল্প সাত গাঁয়ের মধ্যে  সবসময় মানুষের মুখে মুখে ঘুরতো। কিন্তু কেউই কোনদিন তাকে দেখে নি।সবাই এর ওর কাছে গল্প শুনেছে মাত্র, কিংবা কোন ভাবে যারা ভুক্তভোগী , শুধু তারাই জানে মতি চোরা কি!
হয়ত ভাবছেন,কেউ যখন মতি চোরাকে দেখেনি, তাহলে সেই যে চুরি  করেছে তা নিশ্চিত হলো কিভাবে, তাই না?
হা হা হা।  এই মতি চোরা ছিলো আর বাকি দশটা চোরের চেয়ে একদম আলাদা। ইদানীং আপনারা যে ধুম-২ হিন্দি সিনেমা দেখেন, সেই সিনেমায় হৃত্তিক যেমন চিহ্ন রেখে যেত, তেমনি মতি চোরারও একটা বিশেষ চিহ্ন ছিলো। সে যে বাড়িতে চুড়ি করত, সে বাড়ির দেয়ালে কিংবা অন্য কোন জায়গায় "মতিগতি" কথাটা লিখে রাখতো।তাতে অবশ্য বুঝা যায়,মতি চোরা ছিলো শিক্ষিত এক চোর। আর তার চুরির শিকার হত গ্রামের বড় বড় সম্পদশালী লোকগুলাই।
মতি চোরা নিজের চুরির দক্ষতা নিয়ে মনে মনে বেশ গর্ব বোধ করতো।আর তাই সে তার চুরির পর সরাসরি নিজের নাম লিখে দিয়ে আসতো সদর্পে!  অনেক পুলিশ,দাড়োয়ান,চৌকিদার দিয়েও তাকে ধরা যায় নি।আর ধরা যাবেই বা কি করে! তাকে যে কেউ কোনদিন দেখেই নি!!  আর এই চোরের বাড়ি কই? কখন চুরি করে? কিভাবে করে তা বলা খুব মুশকিল।
যাই হোক,
বেশ কয়েক বছরের তার নাম ডাক বেশ হয়েছে।সারা কাঞ্চিপুর, বৌভিটা,চুমিনগর আর ফতেহপুরের সকল লোক মতি চোরার চুরিতে অতিষ্ট হয়ে গেছে। এমনকি তাকে ধরিয়ে দিতে কিংবা সন্ধান দিতে পারলে ২০০০০ টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষনা করেছে কয়েক গ্রামের চেয়ারম্যানরা।কিন্তু কিছুতেই তাকে ধরা যায় না!! বরং মতি চোরার চুরির ঘটনা দিনদিন বেড়েই চলছে,বৈ কমছে না।
এভাবে মতি চোরার পোয়া বারো, আর এলাকা বাসীর সর্বনাশ। কিন্তু কথায় আছে, "চোরের দশ দিন আর গৃহেস্তের একদিন।"হলোও তাই।
তাহলে ঘটনা টা বলি,
তখন মাঘ মাস চলছে।চারিদিকে কুয়াশা আর ঘুটঘুটে অন্ধকার। মতি চোরা আজ বৌভিটার উত্তর সীমানায় ফেঞ্চুর বন নামে এক জঙ্গলে যাচ্ছে।ওখানে কয়েকদিন ধরে এক রাজাবাড়ির সন্ধ্যান পেয়েছে সে! রাজ বাড়ি ঠিক রাজবাড়ি না। আসলে সেটা দেখলে মনে হবে যেন বনের মধ্যে কেউ অবকাশ যাপনের জন্য সুন্দর একটা প্রাসাদ তৈরি করে রেখেছে।প্রথম প্রথম এই বাড়িটা দেখে সে অবাকই হয়েছিলো। এমন একটা বাড়ি জঙ্গলের মধ্যে আছে,তা সে ভাবতেই অবাক!
আর সেদিনই তার চোরা মন এই রাজপ্রাসাদ চুরি করার জন্য অস্থির হয়ে আছে।আর তাই প্রায় সাতদিন ধরে  সে এ বাড়ির উপর নজর রেখেছে।বাড়িতে খুব বেশি মানুষ যে থাকে না,তা এর নীরবতা দেখলেই বুঝা যায়।কিন্তু আশ্চার্য ভাবে প্রাসাদের সামনের বাগান,ঘর গুলো এমনকি মেইন গেট থেকে ভেতরে ঢোকার রাস্তা টাও ঝকঝক করছে।তার মানে লোকজন তো থাকেই এখানে। কিন্তু কেন জানি কোন সারা শব্দ পাওয়া যায় না।কোথাও কোন পিন পতনের শব্দও নাই।
শুধু রাত্রে বেলা ঝিঝিপোকা আর দূরে কোথাও হতে খেঁকশিয়ালের ডাক শোনা যায় মাঝে মাঝে।আজকেও শোনা যাচ্ছে।কিন্তু মতি চোরার কন্সেন্ট্রেশন এখন প্রাসাদের দিকে।গেটের বাইরের এক কড়ই গাছের উপর উঠে প্রাসাদের মানুষজনের গতিবিধি লক্ষ্য করছে।দোতালার টানা বারান্দা দিয়ে দুইটা হারিকেন হাতে দুজন মানুষ পুব দিক থেকে পশ্চিম দিকের একটা ঘরে ঢুকলো।তার কিছুক্ষন পর একজন বেড়িয়ে এসে নীচতলায় নেমে ঢুকলো প্রথম ঘরটায়।
কুয়াশা আর অন্ধকার হলেও এই কয়েক দিন ধরে প্রাসাদে নজর রাখায় এ সব কিছু সে সহজেই বুঝতে পারলো। কিন্তু সমস্যা হলো, এখনো মানুষ জেগে আছে।অতএব চুরি করার সময় এখনো আসেনি।আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।
গাছের ডালে বসে মশার সাথে অতি কষ্টে যুদ্ধ করে ঘন্টা দুই কেটে গেলো।ইতোমধ্যে যেসব ঘরে আলো জ্বলছিলো,তা নিভে গেছে।তাছাড়া কুয়াশাও বেড়ে গেছে।আর বাহিরে গাছের উপর বসে থাকতে থাকতে মতি চোরা ঠান্ডায় প্রায় জমে যাচ্ছিলো।কিন্তু যত যাই হোক,মতি চোরা সহজে হারবার পাত্র না।চুরি সে করবেই।
সে ধীরে ধীরে গাছ থেকে নীচে নেমে এলো।তারপর হামাগুড়ি দিয়ে প্রাচীরের প্রধান ফটকে আসতেই মাথার উপর দিয়ে সাৎ করে একটা কিছু উড়ে গেলো। আকষ্মিক একটু ভয় পেলেও ঠিক পাত্তা দিলো না। তার সকল মনযোগ এখন প্রাসাদের ভিতরে ঢোকার। চারপাশে একটু দেখে নিয়ে ধীরে ধীরে প্রাচীর সংলগ্ন একটা আমগাছের সাহায্যে প্রাচীর পার হলো। গেটের উপর দিয়েও পার হওয়া যেত,কিন্তু তার চেয়ে আম গাছটাই বেশি নিরাপদ মনে হলো তার কাছে। প্রাচীর পার হয়ে আবার হামাগুড়ি দিয়ে, কখনো বুকে ভর দিয়ে প্রাসাদের পূর্ব পাশের সিড়িটার কাছে চলে এসেছে সে।
এবার সে পেছনে ফিরে একটু তাকালো,তারপর যা দেখলো তাতে তার চোখ চড়কগাছে!!  মেইন গেট থেকে শুরু করে সারা বাগানের মধ্যে কোথাও কোথাও ক্ষীন আলো জ্বলছে।আর বেশ কয়েকজন পাইক-পেয়াদা তরবারি আর বল্লম হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।যেন ঠিক আগেকার দিনের রাজা-বাদশাহদের রাজ প্রাসাদে যেভাবে সৈন্য সামন্ত পাহারা দিত,ঠিক তেমনি ভাবে।
সে মনে মনে ভাবলো,কি ব্যাপার,এরা কোথা থেকে এলো ? দেয়াল পার হওয়ার সময়েও তো কেউ ছিলো না।এমনকি যখন সে বাগানের মধ্য দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে আসছিলো তখনো তো কাউকে দেখা গেলো না।তাহলে??
হঠাৎ করেই যেন সাহসী মতি চোর ভয়ে চুপসে গেলো।গা-মাথা বেশ ভারী ভারী হয়ে এলো।
যে আশা নিয়ে চুরি করতে এসেছিলো তা ভয়ের সাথে মিশে রাজপ্রাসাদের সিড়িটার কাছে ঠকঠক করে কাঁপছে।  কি করবে ঠিক মাথায় আসছে না।তারউপর শেয়াল গুলো আরো জোরে জোরে ডাকছে।মনে হচ্ছে খুব কাছে কোথাও।কিন্তু দেখা যাচ্ছে না।হঠাৎ করে একটা চাপা কান্নার আওয়াজ কানে এলো। কেউ যেন ফুফিয়ে ফুফিয়ে কাঁদছে।
কান্নার আওয়াজ শুনে তার ভয় কোথায় যেন হারিয়ে গেল।কিন্তু কান্নাটা কোথা থেকে আসছে তা দেখার কৌতুহলে সে দুই একবার এদিক সেদিক তাকালো। কিন্তু ঠিক বুঝে ঊঠতে পারলো না।।
  ।
একটু সাহস নিয়ে সে সিড়ি দিয়ে দোতলায় উঠে এলো।হ্যা,আওয়াজ টা এবার স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। একটা মেয়েলী কান্না।কিন্তু কান্নার শব্দটা বেশ মায়াবী। ধীর পায়ে একটু একটু করে সামনে এগুচ্ছে সে।যতই সামনে এগুচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে কান্নার আওয়াজ।
কিন্তু একি?
এবার মনে হচ্ছে, একটি না, দুটি কান্নার আওয়াজ।মতি চোরা একটু কানটা কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে চুলকে নিলো। নাহ, সে ঠিকই শুনেছে।দুইটা মেয়ে একসাথে কান্না করছে। একই ভাবে।
মতির গা ছমছম করে উঠলো। এবার সে দু'পা আগায় তো এক পা পিছায়।তারপর যে ঘর থেকে কান্নার শব্দ আসছে,সেই ঘরের সামনে চলে এলো।
ঘরের দরজাটা ভিরানো।দুই কপাটের মাঝের ফাক দিয়ে ভেতরটা বেশ দেখা যাচ্ছে। দু'জন বসে আছে। দুই জনই মেয়ে। দুজনের সামনে একটা হারিকেন জ্বলছে মিটি মিটি। আর হারিকেন কে সামনে রেখে আশ্চার্য সুরে কান্না করছে দু'জন।
মতি চোরা সাবধানে দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে সব।হঠাৎ একটা মেয়ে উঠে দাড়ালো,তারপর একটা বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আবার নিজের আসনে বসল। এবার আরেকজনের হাতে বড় ছুরি হারিকেনের আলোতে ঝকঝক করে উঠলো। তারপর বাচ্চাটাকে মাঝখানে শুইয়ে দিয়ে ছুরি দিয়ে গলা কেটে ফেললো ঐ মহিলাটা।
এসব দেখে মতি চোরা ভয়ে জড়োসর হয়ে জোরে করে এক চিৎকার দিয়ে পেছন দিকে দৌড়াতে শুরু করলো। যখন প্রায় সিড়ির কাছাকাছি চলে এসেছে তখন দেখা গেলো মাথাহীন একটা ধর উপরে উঠে আসছে।তাই দেখে মতি চোরার প্রান যায় যায় ভাব।
এদিকে পেছন দিক থেকে ওই ডাইনি মহিলা দু'জন  প্রায় কাছে এসে গেছে।
সামনে পেছনে কোথাও যাবার যায়গা নেই। ডাইনি মহিলা হাসতে হাসতে এগিয়ে আসছে। একজন আরেকজন কে বলছে,
"আজ আরেকটা পেয়েছি  । আজকের খাবারটা ভালোই হবে ।"
বলেই দু'জনে এক সাথে মতি চোরকে জাপটে ধরতে গেলো।আর সঙ্গে সঙ্গে ভয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো মতি চোরা।।
তারপর কি হয়েছে আর মনে নেই।যখন মতি চোরার জ্ঞান ফিরলো,তখন সে নিজেকে জঙ্গলের মধ্যে এক ফাঁকা জায়গায় আবিস্কার করলো।কোথায় সে প্রাসাদ? নাহ, কিচ্ছু নাই।
তারপর....
তারপর আর কোন দিন সে রাতের বেলায় বাহিরে যেত না।চুরি তো দূরের কথা!
Nilkanto( নীলকান্ত)
Nilkanto( নীলকান্ত)
Writer information NILKANTO